somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

রাজনীতি-1

১৪ ই জানুয়ারি, ২০০৬ বিকাল ৫:০৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বাঙ্গালির রক্তে রাজনীতি। রান্নাঘর থেকে মুজিবনগর পর্যন্ত রাজনীতির গতায়ত। গলির সামনের চায়ের দোকান আর সংসদ সবাই জানে কি করলে দেশউদ্ধার হয়ে যাবে। একটা দেশে এতবেশী চিন্তক তারপরও দেশটা কাঁচপোকার মতো ঘুর্নি খাচ্ছে। বড়ই তাজ্জব কথা। তারচেয়ে বড় কথা বাংলাদেশের অসুখের উপশমকল্পে তাদের দেওয়া বিধিগুলো একটার সাথে অন্যটা খাপ খায় না। রাজনীতি নিয়ে লেখার বিপদ অনেক মন্তব্যের জন্যে প্রস্তুতি নেওয়া। অবশ্য এখন পর্যন্ত ভাগ্য সাথে আছে কেউ অভাজনের প্রলাপ পড়ে কিছু বলেনি।


আমার একবন্ধুর উপলব্ধি বাংলাদেশের মূল সমস্যা অধিক জনসংখ্যা । সমাধান রাতারাতি জনসংখ্যা কমানোর জন্যে অর্ধেক মানুষকে বঙ্গপোসাগরে ফেলে দাও। নির্মম ঠাট্টা তাই এর পর আমরা কাকে কাকে ছুড়ে ফেলবো এর হিসাব করি। রাজনীতি দেশকে নষ্ট করে ফেলছে তাই সব দলের উচ্চপর্যায়ের নেতা থেকে মাঠপর্যায়ের কর্মীদের কোরবানি দিতে হবে এমন সিদ্ধান্ত হয়। দলের সমর্থকদের ছুড়ে ফেলানোর সিদ্ধান্ত নিলে দেশে শুধু সদ্যোজাত থেকে 12 বছরের জনগোষ্ঠী বাদ দিয়ে সবাইকে বিসর্জন দিতে হতো। ঠাট্টা বাদ।


কলেজ জীবনের এক বন্ধুর সাথে দেখা বছর কয়েকের ব্যাবধানে। আমাদের মফস্বল শহরের আড্ডার জায়গা চায়ের দোকান। তাকে নিয়ে যাবো আতাতলায় সেখানো আরও কয়েকজন বসে। সে যাবেনা সেখানে। কেন যাবে না প্রশ্ন করলাম। বললো ওরা চায়ের কাপ হাতে বুশ ব্লেয়ারের কিভাবে দেশ চালাতে হবে তার উপদেশ দেয়। ওরা আন্তর্জাতিক বুদ্ধিজীবি। ওদের ছায়ার আশেপাশে অনেক জ্ঞান। আমি ওর কথা শুনে বিকেলে দেখা করবো বলে গেলাম আতাতলায়। শুনলাম- বুশতো আবার ভুল করলো। ইরাকে এটা কর িঠিক হয় নি। টুইন টাওয়ারে এ্যাটাকের প্লানকরছে ইহুদিরা। ওদের ফাদে পড়ছে সাদ্দাম আরাফাত। আমি কিছু না বলে চা শেষ করে বাসায় চলে আসলাম।


কিন্তু এতজ্ঞানীমানুষ সব চায়ের দোকানে থাকে না। সাধারন চায়ের দোকানের জনগন এরশাদ হাসিনা খালেদার রাজনীতি বিশ্লেষন করে। আন্তর্জাতিক বুদ্ধিজীবির অর্ধেক আজিজের সামন থাকে বাকি অর্ধেক বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যান্টিনে চা সিঙ্গারা গোলডলীফ খায়।

সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই জানুয়ারি, ২০০৬ সন্ধ্যা ৬:০২
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মক্তব চালু করলে শিশুরা ফিরে আসবে ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৬ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ২:৪২


ববি হাজ্জাজ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী। মুসা বিন শমসেরের ছেলে। মন্ত্রী হওয়ার পর থেকে পুরো দেশ চষে বেড়াচ্ছেন। নতুন দায়িত্ব পেয়েছেন, নতুন নতুন আইডিয়া দিচ্ছেন। মনে হয়,... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাঁধনের কেন ফেমিকন লাগে !!!

লিখেছেন অপলক , ২৬ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:৩৪



বাঁধন এখন বন্ধন মুক্ত। মিডিয়া পাড়ায় সরব উপস্থিতি। উপর মহলের ডাকে সারা দিতে হয়। কাজেই ফেমিকন লাগতেই পারে। মানে ফেমিকনের এ্যাড করা লাগতেই পারে। মিডিয়া আইকন হিসেবে জনসচেতনাতা বাড়াতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিরে ফিরে আসো

লিখেছেন সেজুতি_শিপু, ২৬ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৬


সময়ের সাথে সাথে নিজেকে বদলে নিতে হয়,
তোমার শরীর জুড়ে যখন
অভিজ্ঞতার গল্প পাঠের আসর,
তখনও ছেলে ভোলানো ছড়ায়
নিজেকে ভোলালে চলে?

আঁজলা ভরে সময়ের যন্ত্রণাকে পান কর,
পান কর সত‍্যকে।
পান কর... ...বাকিটুকু পড়ুন

“উন্নয়নের দুর্ভিক্ষে বাংলাদেশ”

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ২৬ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৪:৫৮



বাং/লাদেশের মূর্খ জনগণ উন্নয়নের চেয়ে কথিত ফ্যাসিবাদকে বড় করে দেখেছে কিন্তু “উন্নয়নের দুর্ভিক্ষ” কি জিনিস তা দেখেনি।

দেখতে থাকুক….। আর ভাতের দুর্ভিক্ষ শুরু হলে বলে…..।

ফ্যাসিবাদ দূর করতে গিয়ে উন্নয়নই "নাই"... ...বাকিটুকু পড়ুন

সম্পত্তি

লিখেছেন সাইফুলসাইফসাই, ২৬ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১১:৪৭

সম্পত্তি
সাইফুল ইসলাম সাঈফ

মায়ের কোলে থাকা অবস্থায়
বাবা ইন্তেকাল করেন।
দিগবিদিক জ্ঞানশূন্য হয়ে পড়েন মা
বাবার অর্জিত কোনো সম্পত্তি ছিল না।
ওয়ারিশ সূত্রে কিছু খণ্ড খণ্ড জমি
এখনও বিদ্যমান বা আছে।
শৈশবে দেখেছি একটি জমিতে
চার-পাঁচটি কদম গাছ,... ...বাকিটুকু পড়ুন

×