বাংলাদেশে যা ঘটে তার সবকিছুর পিছনে একটা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য থাকে এতেও তার কোন ব্যতিক্রম ঘটেছে বলে আমার মনে হয় না। কারন পত্রিকা পড়ে যেটা জানা যায় তা হল, শিমুল বিশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়কে জানিয়েছিল যে বেগম জিয়া অসুস্থ তাই তিনি সুস্থ হলে প্রধানমন্ত্রীকে জানানো হবে তখন তিনি আসবেন। কিন্তু মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বেগম জিয়ার সুস্থতার অপেক্ষা না করেই গাড়িবহর নিয়ে চলে আসলেন!!!
আমি গতকাল খবর দেখেই বুঝতে পেরেছিলাম যে আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীরা এখন বড় গলায় বলে বেড়াবে বিএনপি শিষ্টাচার বহির্ভূত কাজ করেছে। প্রধানমন্ত্রীর মত একজন সম্মানিত ব্যক্তিকে তারা অবজ্ঞা করেছে ইত্যাদি ইত্যাদি। অর্থাৎ প্রচার মাধ্যমে এটাই হবে তাদের একমাত্র বুলি মানে ইস্যুও বলতে পারেন। মিডিয়া গরম থাকবে এই খবর নিয়ে। ঠিক তাই সকালবেলা নেটে বসেই দেখি সেই খবরে মিডিয়া গরম।
প্রথম আলোতে লিখেছে প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানাতে কেউ গেটে ছিলেন না। আমার প্রশ্ন এটা কি কোন বিয়ের আসর ছিল নাকি প্রধানমন্ত্রীর কোন দলীয় প্রোগ্রাম ছিল যে বিএনপির নেতা-কর্মী শোকার্ত নেত্রীর পাশে না থেকে প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানানোর জন্য গোলাপ-রজনীগন্ধা নিয়ে গেটে দাড়িয়ে থাকবে?? যে কিনা কয়েক ঘন্টা পুর্বেই বিএনপি নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী-জঙ্গী ইত্যাদি অনেক অপবাদ দিয়ে বক্তব্য দিলেন!!
আর দেখা হলে তিনি কিইবা সান্তনা দিতেন বেগম জিয়াকে??? যে নিজেই তাকে দির্ঘদিন অবরুদ্ধ করে রেখেছিল। শুধু তাই নয় বিভিন্ন রাজনৈতিক মিথ্যা মামলা দিয়ে তাকে হয়রানি করা হচ্ছে।
তিনি এসেছিলেন বেগম জিয়ার ছোট ছেলের মৃত্যুতে শোক জানাতে সান্তনা দিতে অথচ তার সরকারই সেই বেগম জিয়ার বড় ছেলের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মামলা দিয়ে বিচারের নামে ফাসি দেয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে!!!
হায়রে রাজনীতি!!! হায়রে বাংলাদেশ!!! যেখানে সবকিছুই সম্ভব!!!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



