আমাদের সমাজে আজ যে বিষয়টি খুব দেখা যাচ্ছে তাহল ছেলেমেয়েদের গার্লফ্রেন্ড /বয়ফ্রেন্ড ছাড়া নিজেদের অচল ভাবার প্রবনতা। তাদের কাছে মনে হয় পড়াশোনা ও জীবনের অন্যান্য আনুষঙ্গিক বিষয় থেকে প্রেম করাটা জরুরি। অনেকের কাছে প্রেম করাটা জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। পড়ালেখা, চাকরির খবর নেই প্রেম নিয়ে ব্যস্ত থাকতে দেখা যায় অনেককেই। কিছু কিছু মানুষের তো একটা দিনও কাটাতে ভালো লাগেনা গার্লফ্রেন্ড /বয়ফ্রেন্ড ছাড়া। এতো চাহিদা কেন তাদের এই বয়ফ্রেন্ড / গার্লফ্রেন্ডের বলতে পারেন? আমি বলি, আমাদের এই সমাজটাতে আজ পাপীর সংখ্যা বেড়ে গেছে। তাদের বয়ফ্রেন্ড /গার্লফ্রেন্ডের সাথে অশ্লীল কথা না বললে ভালো লাগে না, অনেক সময় এমন সব কথাও বলে যা বিয়ের পর স্বামী স্ত্রীর মাঝেও হয়না। তাদের কাছে গার্লফ্রেন্ড /বয়ফ্রেন্ড থাকা অনেক সময় শিক্ষার সার্টিফিকেটের চেয়েও দামী ফলে বন্ধু বান্ধবের সাথে সার্টিফিকেটের আগে বয়ফ্রেন্ড /গার্লফ্রেন্ডের পরিচয় করিয়ে দেওয়াটাকে তারা বিশেষ সম্মানের কাজ বলে মনে করে থাকে। আর অনেকের কথা কিইবা বলব সার্টিফিকেট জীবনে দেখাতে পারবে কিনা আল্লাহই জানে। এদের মাঝে আবার কিছু প্রস্টিটিউট আছে যারা বয়ফ্রেন্ড /গার্লফ্রেন্ডের সাথে দৈহিক সম্পর্ক করতে ব্যতিব্যস্ত। তাদের কাছে দৈহিক সম্পর্ক গড়া হলো প্রধান ভালোবাসা। আর সবচেয়ে বড় আজব লাগে তখনই যখন এই প্রস্টিটিউটগুলো নিজেদের সতী বলে এবং তাদের বিবাহ বহির্ভূত দৈহিক সম্পর্ককে বৈধ বলে মনে করে। তাদেরকে বুঝাতে যেয়ে নিজেই উল্টো খারাপ হয়ে যেতে হয়। সবচেয়ে দুঃখজনক বিষয় হলো এই প্রস্টিটিউটগুলো যখন সতী সেজে অন্য বিশুদ্ধ মানুষকে বিয়ে করে তখন। আল্লাহ আমাদের এসব প্রস্টিটিউটের হাত থেকে রক্ষা করুন (আমীন)।
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই আগস্ট, ২০১৪ সকাল ৯:২৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



