মুখে নিরোধ পড়ে বসে আছি। এইডস সামলানো হচ্ছে অথবা বেআইনী রাজনীতি জন্মাতে পারে।
তবে নিরোধ কতটুকু নিরাপত্তা দেয় তা নিয়ে গবেষকদের মধ্যে মতদ্বৈততা আছে।
কেউ বলে 97% কেউ বলে 90%। স্থায়ী বন্দোবসত্দ করতে হবে।
বাক প্রতিবন্ধীদের কষ্ট পাবার কিছু নেই, এখন আমরা সবাই একই গোত্রভূক্ত।
তারচেয়ে কয়েকটা সেদ্ধ আলু খাই।
আলুচাষীদের দূভের্াগ বেড়েছে বি্এডিসি খারাপ বীজ দেয়ায়। মুন্সীগঞ্জের আলু নির্ভর অর্থনীতিতে এবার ধস নেমেছে। বিএডিসির স্টাফরা ভাল বীজ ব্লাকমার্কেটে বিক্রি করে দিয়েছে।
রংপুরের মংগাপীড়িতদের মরু হয়ে থাকা ভূমিতে আলু চাষ সম্ভব বলে রিপোর্ট দেখালেন সাইখ সিরাজ। আশংকা হচ্ছে সেখানেও যদি বিএডিসি খারাপ বীজ দেয় তবে ফসল আসবে বিনিয়োগকে মাইনাস করে।
এসব নিয়ে কৃষি উপদেষ্টা সি এস করিমও সোচ্চার। নিজে মাঠে গিয়েছেন। কৃষক সরাসরি অভিযোগ করেছে।
কিন্তু জনগন যতটুকু তাদের অভিযোগ জানালেন, তা কবে নাগাদ সংশোধিত হবে, জানা নেই।
দ্রবমূল্য বৃদ্ধির জন্য যাদেরকে সিন্ডিকেট ধারণা করা হয়, তারা গতকাল ঢাকার মৌলভীবাজারস্থ ব্যবসায়ী সমিতির অফিসে সভা করেছেন।
তারা সৎ ও সম্মানী ব্যবসায়ী, অবৈধ পন্য না ধরতে পেরে শুধুমাত্র মানসম্মান হানি করেছে আইনশৃংখলা বাহিনী। সেজন্য কিছুদিন তারা ব্যবসা না করে বসে বসে খাবেন, নিদেনপক্ষে মানইজ্জত তো রক্ষা হবে।
আর যেসমসত্দ আটার বসত্দা, গুরোদুধে ভেজাল পাওয়া গেছে সেগুলো বাজারে আসমান থেকে আসে বলে প্রকারনত্দরে জানিয়ে দিলেন সেমসত্দ ব্যবসায়ীরা।
এর জন্য ব্যবসায়ীরা দায়ী নয়, দায়ী ক্রেতারা, তারা এসে দোকানে ভেজাল মিশিয়ে দিয়ে তারপরে সেই পন্য ক্রয় করতে আসে!
বাঙালী কেমন জানতে হলে অবাঙালী হতে হবে।
চিনত্দা চেতনায় কিছুদিনের জন্য অবাঙালী সংস্কৃতি, আচরণ, রীতিনীতি অভ্যসত্দ করতে হবে, আজীবনের জন্যতো আর সম্ভব নয়, তবে কিছুদিনের জন্য হলেও বাঙালীকে দেখতে হবে অবাঙালীর দৃষ্টিতে।
অথবা যারা বাংলাদেশের বাঙালীদের ঘৃনার চোখে দেখে, তাদের দৃষ্টিতে দেখতে হবে। তাদের মত করে বাঙালীদের ঘৃনা করতে হবে। মোট কথা কাউকে জানতে হলে তার বিপরীত বিন্দুতে দাড়িয়ে তাকে দেখতে হবে, সে দেখা যতটুকু নিজেকে চিনতে সহায়তা করবে, তেমন অন্য কিছুতে সম্ভব নয়।
আজকে বাকরুদ্ধ হয়ে আমি আমাকে ঘৃনা করছি। বাঙালীকে ঘৃনা করছি। আমি বাংলাদেশকে ঘৃনা করছি, কৃষ্টি, সভ্যতা, আদর্শ, চরিত্র - সবকিছু। আমার এখন দেখার সময় বাঙালী জাতিসত্তাকে অন্যরা কিভাবে দেখে, কেন দ্যাখে? সুজলা সুফলা সষ্য শ্যামলা, আহ মরি মরি বলে যে দেশের জন্য জীবন উৎসর্গ করি সে দেশের মানুষদের রক্তে খারাপ আলুবীজ দেয়ার পারঙ্গমতা কিভাবে আসলো,
নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদিতে ভেজাল মিশিয়ে কিভাবে নিজেদেরই সর্বনাশ করছে,
ফরমালিন দিয়ে মাছ বিক্রি করে কিভাবে ধেই ধেই করে বাড়িয়ে দিচ্ছে ক্যানসার রোগটির প্রসার!
এখন সত্যিই সময় হয়েছে বাঙালীত্ব বিসর্জনের!
আমি বাঙালীত্ব বিসর্জন দিয়ে দেখতে চাই সমস্যাটা কোন জায়গায়!
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই মার্চ, ২০০৭ রাত ১১:৩২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




