নিজের মধ্যে ঘুমিয়ে না থেকে আমি ক্রমশ বিকশিত হতে থাকলাম। মৌলবাদীদের বিজ্ঞানমনস্কতার মত। বিগব্যাঙ থিউরী চোদ্দশ বছর আগে কোরআনে বলা হয়েছে যেমন আয়াত আছে, আল্লাহ বলছেন, আমি জমিন ও আসমান সৃষ্টি করেছি, তিনি আরও বলেছেন, অতপর আমি জমিন ও আসমানকে পৃথক করলাম, যারা তা দেখতে পায় না তাদের জন্য রয়েছে কঠোর শাস্তি। আয়াতগুলো মোটামুটি এমন। ব্লগে তেমন করে আমি নিজস্ব একান্ত ভাবনার সাথে ব্লগীয় আচরণ রপ্ত করে নিজের সাথে ভান করা শুরু করলাম, দেখো, আদতে আমি বিযুক্ত, ব্লগের সাথে নিজের জীবনকে আলাদা করে ফেলেছি! ব্লগে ঢুকে লেখার পরে বিষয় ও অবিষয়ভূক্ত তর্ক ও ইন্ট্যারএ্যাকশন আমার সবচেয়ে প্রিয় একটা পছন্দ। কাউকে ভীষণ ভাল লেগে যায়। আর নারী হলেতো বলার অপেক্ষা রাখে না। বিপরীত লিঙ্গের প্রতি আকর্ষনে আস্তমেয়ে থেকে শুরু করে সকল অপজিট লিংগের সাথে একটা টান অনুভব করি। সুশীলজনেররা বলে, এমন কমেন্ট করো, যেন কোন নারী তোমাকে খুব ইনক্লাইন্ড মনে না করে, আবার অসম্পর্কিতও না থাকে। সুতরাং আমিও কমেন্ট করি, কমেন্টের ভাজে ভাজে থাকে সুক্ষ প্রহসন, এর পরের বিনিময়ে অধিষ্ঠানের মতলব!
ব্লগের নারী চরিত্রের মধ্যে একজন তুমুল টানতো। ঐ সময়টার জন্য আমি ভুলে যেতাম আমার বর্তমান, আমার ভবিষ্যত, আমার অবস্থান ও অন্যান্য অনেক কিছু। এগারো পার্সেন্ট প্রেমেও পড়ে গিয়েছিলাম। অবশ্য এখবর কেবল জানে দশ পার্সেন্ট প্রেমে পড়েছিলাম যার সেই রমনী ব্লগার। তারপরে এরিয়া অফ ইন্টারেস্ট বিচ্ছিন্ন করে আমি অন্য একজনের দিকে নজর দিলাম। এটা হচ্ছে অনুভূতি নির্মানের একটা এক্সপেরিমেন্ট, অংক কষে কষে মানুষকে বুঝতে চেষ্টা করা। আমার দেখামতে মানুষের বহিস্ত খোলসের বড় কিছু অবস্টাকল, অদেখা বিনিময়ে ডিমিনিস হতে থাকে। মোর ইন্টারএ্যাকশন লিডস টু মোর কনসেন্ট্রেশন এবং এ জন্য আমার থিউরী নো ইন্ট্যারএ্যাকশন, নো কনসেন্ট্রেশন! না ঠিক বললাম না। মাঝে মাঝে এটা আমার মধ্যে আবার কাজ করে না। এখন কোথাও বিড়াল দেখলে বুকটা এগারো বার লাফিয়ে ওঠে।
নারীবিষয়ক এছাড়া আমার ব্লগে তেমন কোন ঝঞ্ঝাট নেই।
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই মে, ২০০৭ সকাল ১০:৩৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




