রুমে ঢুকতেই স্যাতস্যাতে মনে হলো, দেয়াল, দরজা, আসবাব। লাইট কিছুটা ফ্যাকাসে। মলিন মুখের মেয়েটিকে জিজ্ঞেস করলাম, কেমন আছো?
সে বললো, আমি ভাল আছি, আমার ফরটিন জেনারেশন ভাল আছে।
আমি ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে গেলাম। জিজ্ঞেস করলাম, এখন কি করছো?
তার জবাব, ৩ বছর ধরে তোমার জন্য অপেক্ষা করছি!
আমি হতচকিত। কি বলছো এসব?
সে বলে, তিনবছর যাবৎ কোন কথা বলিনা তো!
তোমার মাথা ঠিক আছে?
মাথা, হা, পা, দেহ, সংসার, বাংলাদেশ, জীবন, জীব সব ঠিক আছে। পৃথিবী আশ্চর্য্য রকম ভালো আছে।
তুমি কেন ডেকেছো? কি হয়েছে?
আমার আজীবনের শাস্তি হয়েছে। এখন দলিত, মথিত ও সংক্রমিত হবো। তোমার কোন অসুবিধা নাই।
এটা কোন কথা নয়। চলো আমার সাথে, দেখি সিনেপ্লেক্সে কি হচ্ছে?
রেগে ওঠে মলিনসুন্দরী। তোমার মাথা ফাটিয়ে আমি ঘিলু চুষে খাব। একমাত্র তোমার বিষয়ে এখনও নিশ্চিত হতে পারিনি। আমার জানতে হবে, হোয়াট দ্যা হেল ইজ ইন ইউর ব্রেন!
আমি এসএমএস পাঠিয়ে জেনে নিলাম, হাউজ অফ দ্যা হন্টেড হিল চলছে। তাকে বললাম, চলো, তোমাকে ভুতুড়ে বাড়ী নিয়ে যাই।
ঠিক তখনই দরজার ওপারে নতুন দরজা লেগে গেল। লাইট আরো ফ্যাকাশে হয়ে গেল।
ঘরময় শব্দ হলো হুইল ঘোরার। ঘড়ির টং টং ধ্বনি আছড়ে পড়লো দেয়ালে গায়ে।
কয়েকটা টিকটিকি দৌড়ে যায় ছাদের দিকে।
কিচিরমিচির করে ইঁদুর।
দেখতে দেখতে হন্টেড হিলের বাড়ী হয়ে উঠল। দাতের আচড়ে আমার গলা কেটে দেয়। ক্যাচক্যাচে শব্দে ইজি চেয়ার নড়ে উঠে।
আমার গলা বেয়ে রক্ত নামে।
আমার বুকে সুখ নামে।
কিছু সময় মানুষের অশরীরী হতে হয়, আমি শরীর সংযোগে এবার তাই হই।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




