দেশ চলে জনগনের টাকায় রেমিটেন্সের উপর ভর করে। অথচ এই জনগন এবং রেমিটেন্স উপার্জনকারীদের কোন খবর কেউ রাখে না। বরং জনগন "পাবলিক" ও প্রবাসীরা "রাজাকার" গাল খায়। এয়ারপোর্টে রেমিটেন্স উপার্জনকারীদের ভি.আই.পি মর্যাদা দেয়া উচিত। মাথার ঘাম পায়ে ফেলে অমানবিক জীবন ধারন করে এরা মুল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা সরবরাহ করে দেশের অর্থনৈতিক কর্মকান্ড চালু রাখছে। অথচ এয়ারপোর্টে এদেরকে শুকুনের মতো খাবলে ধরা হয়, হেনস্থা করা হয় এমনকি এদের জীবনও কেড়ে নেয়া হয়। 2005-6 অর্থবছরের জুলাই থেকে জানুয়ারী পর্যন্ত প্রথম সাত মাসে প্রবাসীরা 256 কোটি 98 লাখ 80 হাজার ডলারের সমপরিমানের বৈদেশিক মুদ্রা (রেমিটেন্স) দেশে পঠিয়েছেন যা আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে 22.75 শতাংশ বেশী। চলতি বছরের প্রথম সাত মাসে প্রবাসীদের পাঠানো এই রেমিটেন্সের পরিমান 2001-02 বছরে পাঠানো বৈদেশিক মুদ্রার চেয়ে বেশী। ওই বছর রেমিটেন্স এসেছিল 250 কোটি 11 লাখ 30 হাজার ডলার। (সুত্র- প্রথম আলো, 13.02.06) বাংলাদেশের অর্থনীতিতে প্রবাসী শ্রমিকরা হল প্রধান বৈদেশিক মুদ্রা জোগানদাতা। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এরা অদক্ষ। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ও ইংরেজি জ্ঞানের অভাবে তারা প্রাপ্য মজুরী ও পারিশ্রমিক থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। সামান্য কারিগরি শিক্ষা ও ইংরেজি জ্ঞান তাদের অবস্থানের আমুল পরিবর্তন ঘটাতে পারে। রেমিটেন্সও বেড়ে যাবে কয়েকগুন। প্রয়োজন শুধু দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে সরকারী ও বেসরকারী পর্যায়ে নিজ নিজ অবস্থানে থেকে আন্তরিক প্রচেষ্ঠা।
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ রাত ২:১৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


