somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পবিত্র কুরআন শরিফ

২৪ শে জুলাই, ২০১৬ সকাল ৮:২১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

কুরআন পাণ্ডুলিপি ব্রুকলিন মিউজিয়াম।

ইসলামী ইতিহাস অনুসারে দীর্ঘ তেইশ বছর ধরে খণ্ড খণ্ড অংশে নবী মুহাম্মাদ (সাঃ) এর নিকট অবতীর্ণ হয় পবিত্র কুরআন শরিফ। কুরআনে সর্বমোট ১১৪টি সূরা আছে। আয়াত বা পঙক্তি সংখ্যা ৬২৩৬ টি। কুরআন মূলত আরবি ভাষায় অবর্তীর্ণ হয়। মুসলিম চিন্তাধারা অনুসারে কুরআন ধারাবাহিকভাবে অবর্তীর্ণ ধর্মীয় গ্রন্থগুলোর মধ্যে সর্বশেষ গ্রন্থ । কুরআনে অনেক ঐতিহাসিক ঘটনার উল্লেখ রয়েছে যার সাথে বাইবেলসহ অন্যান্য ধর্মীয়গ্রন্থের বেশ মিল রয়েছে অবশ্য অমিলও কম নয়। ইসলামী ভাষা অনুযায়ী কুরআন অপরিবর্তনীয় ।

ব্রিটিশ মিউজিয়ামে ১১ শতকের উত্তর আফ্রিকার কুরআন.
কুরআন শরিফ হল আল্লাহর বানী বা বক্তব্য যা নবী ও রাসূল মুহাম্মদ (সাঃ) এর উপর আরবি ভাষায় অবতীর্ণ হয়। কুরআন বিশ্ব মানব সম্প্রাদয়ের জন্য একটি মু'জিযা বা অলৌকিক গ্রন্থ যা মানব জাতির পথনির্দেশক। কুরআনে মানব জীবনের সকল সমস্যার সমাধান রয়েছে এবং এটি একটি পূর্ণাঙ্গ জীবন বিধান।

ইরানের মাশহাদে কুরআন যা আলী কৃর্তক লিখিত

কুরআনের নাযিল হওয়া প্রথম চার আয়াত ৯৬তম সূরা আলাক
কুরআনে বিভিন্ন দৈর্ঘ্যের মোট ১১৪টি সূরা রয়েছে। সকল সূরা মিলিয়ে মোট আয়াতের সংখ্যা প্রায় ৬২৩৬ প্রত্যেকটি সূরার একটি নাম রয়েছে। নামকরণ বিভিন্ন উপায়ে করা হয়েছে তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সূরার অভ্যন্তরে ব্যবহৃত কোনো শব্দকেই নাম হিসেবে বেছে নেয়া হয়েছে। তাছাড়া এমন নামও পাওয়া যায় যা সূরার অভ্যন্তরে ব্যবহৃত হয়নি যেমনঃ সূরা ফাতিহা ফাতিহা শব্দটি সূরার কোনো স্থানে নেই। সূরাগুলোর একটি সুনির্দিষ্ট সজ্জা রয়েছে। সজ্জাকরণ তাদের অবতরণের ধারাবাহিকতা অনুসারে করা হয়নি। বরং দেখা যায় অনেকটা বড় থেকে ছোট সূরা অনুযায়ী সাজানো অবশ্য এটিও পুরোপুরি সঠিক নয় প্রকৃত সজ্জার কারণ কারও জানা নেই। অনেক ক্ষেত্রে বড় সূরাও ছোট সূরার পরে এসেছে। তবে একটি সূরা বা তার বিভিন্ন অংশ বিভিন্ন ঘটনার প্রেক্ষিতে ধারাবাহিকতার সাথেই অবতীর্ণ হয়েছিলো বলে ধারনা করা হয়।
মানজিল
মানজিল হচ্ছে কুরআনের প্রথম সূরা ফাতিহা ব্যাতীত অন্য সূরাগুলো নিয়ে করা একটি শ্রেণী। হিজ্‌ব মুফাস্‌সিল একটি গুরুত্বপূর্ণ তাৎপর্য বহন করা। এতে ৭ টি মানজিলের মাধ্যমে সবগুলো সূরাকে একসাথে করা হয়েছে। মানজিলগুলো হচ্ছেঃ

মানজিল ১ = ৩ টি সূরা, যথা, ২—৪
মানজিল ২ = ৫ টি সূরা, যথা, ৫—৯
মানজিল ৩ = ৭ টি সূরা, যথা, ১০—১৬
মানজিল ৪ = ৯ টি সূরা, যথা, ১৭—২৫
মানজিল ৫ = ১১ টি সূরা, যথা, ২৬—৩৬
মানজিল ৬ = ১৩ টি সূরা, যথা, ৩৭—৪৯
মানজিল ৭ = ৬৫ টি সূরা, যথা, ৫০—১১৪


কুরআনে মোট ৩০ টি পারা বা অধ্যায় রয়েছে। এই পারাগুলোর মাধ্যমে ১১৪ টি সূরা ভাগ করে দেয়া হয়েছে। সূরাগুলো বিভিন্ন আকারের হলেও কুরআনের পারাগুলো প্রায় সমান আকারের। কুরআন মুখস্থকরণের ক্ষেত্রে সাধারণতম পারা অনুযায়ী শিক্ষা করানো হয়। যেসকল স্থানে সমগ্র কুরআন পাঠের আয়োজন করা হয় সেখানেও এই পারা অনুযায়ী করা হয়।
কুরআনে বিভিন্ন বিষয়ক আয়াত
আদেশমুলক আয়াত= ১০০০
নিষেধমুলক আয়াত= ১০০০
ভীতিমুলক আয়াত= ১০০০
প্রতিজ্ঞামুলক আয়াত= ১০০০
দৃষ্টান্তমুলক আয়াত=১০০০
ইতিহাসমুলক আয়াত= ১০০০
প্রশংসামুলক আয়াত= ২৫০
পুর্ণতামুলক আয়াত=১০০
উদ্দেশ্যমুলক আয়াত=২৫০
অন্যান্য= ৬৬
মোট আয়াত সংখ্যা= ৬৬৬৬

কুরআনের বিভিন্ন সুরা এবং আয়াতের খেতাব

সুরা রহমান = কুরানের মুকুট
সুরা বাক্বারা = কুর'আনের সিংহাসন
সুরা ইয়াসিন = কুর'আনের মন
সুরা ফাতেহা = কুর'আনের জননী


কুরআনে ১১৪টি সূরা রয়েছে। সেগুলো হলোঃ


১। আল ফাতিহা (সূচনা)
২। আল বাকারা (বকনা-বাছুর)
৩। আল ইমরান (ইমরানের পরিবার)
৪। আন নিসা (নারী)
৫। আল মায়িদাহ (খাদ্য পরিবেশিত টেবিল)
৬। আল আনআম (গৃহপালিত পশু)
৭। আল আরাফ (উচু স্থানসমূহ),
৮। আল আনফাল (যুদ্ধে-লব্ধ ধনসম্পদ),
৯। আত-তাওবাহ্‌ (অনুশোচনা),
১০। ইউনুস (নবী ইউনুস),
১১। হুদ (নবী হুদ),
১২। ইউসুফ (নবী ইউসুফ),
১৩। আর রা'দ (বজ্রপাত),
১৪। ইব্রাহীম (নবী ইব্রাহিম),
১৫। সূরা আল হিজর (পাথুরে পাহাড়),
১৬। আন নাহল (মৌমাছি),
১৭। বনী-ইসরাঈল (ইহুদী জাতি),
১৮। আল কাহফ (গুহা),
১৯। মারইয়াম (মারইয়াম (ঈসা নবীর মা))
২০।ত্বোয়া-হা (ত্বোয়া-হা),
২১। আল আম্বিয়া (নবীগণ),
২২। আল হাজ্জ্ব (হজ্জ),
২৩। আল মু'মিনূন (মুমিনগণ),
২৪। আন নূর (আলো),
২৫। আল ফুরকান (সত্য মিথ্যার পার্থক্য নির্ধারণকারী গ্রম্থ),
২৬। আশ শুআরা (কবিগণ),
২৭। আন নম্‌ল (পিপীলিকা),
২৮। আল কাসাস (কাহিনী),
২৯। আল আনকাবূত (মাকড়শা),
৩০। আর রুম (রোমান জাতি),
৩১। লোক্‌মান (একজন জ্ঞানী ব্যাক্তি),
৩২। আস সেজদাহ্ (সিজদা),
৩৩। আল আহ্‌যাব (জোট),
৩৪। সাবা (রানী সাবা/শেবা),
৩৫। ফাতির (আদি স্রষ্টা),
৩৬। ইয়াসীন (ইয়াসীন),
৩৭। আস ছাফ্‌ফাত (সারিবদ্ধভাবে দাঁড়ানো),
৩৮। ছোয়াদ (আরবি বর্ণ),
৩৯। আয্‌-যুমার (দলবদ্ধ জনতা),
৪০। আল মু'মিন (বিশ্বাসী)
৪১। হা-মীম সেজদাহ্ (সুস্পষ্ট বিবরণ),
৪২। আশ্‌-শূরা (পরামর্শ),
৪৩। আয্‌-যুখরুফ (সোনাদানা),
৪৪। আদ-দোখান (ধোঁয়া),
৪৫। আল জাসিয়াহ (নতজানু),
৪৬। আল আহ্‌ক্বাফ (বালুর পাহাড়),
৪৭। মুহাম্মদ (নবী মুহাম্মদ (স) ),
৪৮। আল ফাত্‌হ (বিজয়, মক্কা বিজয়),
৪৯। আল হুজুরাত (বাসগৃহসমুহ),
৫০। ক্বাফ (ক্বাফ),
৫১। আয-যারিয়াত (বিক্ষেপকারী বাতাস),
৫২।আত্ব তূর (পাহাড়),
৫৩। আন-নাজম (তারা),
৫৪। আল ক্বামার (চন্দ্র)
৫৫। আর রাহমান (পরম করুণাময়)
৫৬। আল ওয়াক্বিয়াহ্‌ (নিশ্চিত ঘটনা)
৫৭।আল-হাদীদ (লোহা)
৫৮। আল-মুজাদালাহ (অনুযোগকারিণী),
৫৯।আল-হাশর (সমাবেশ),
৬০। আল-মুমতাহিনাহ (নারী, যাকে পরীক্ষা করা হবে),
৬১।আস-সাফ (সারবন্দী সৈন্যদল),
৬২।আল-জুমুআ (সম্মেলন/শুক্রবার),
৬৩।আল-মুনাফিকুন (কপট বিশ্বাসীগণ),
৬৪।আত-তাগাবুন (মোহ অপসারণ),
৬৫। আত-তালাক (তালাক),
৬৬।আত-তাহরীম (নিষিদ্ধকরণ),
৬৭।আল-মুলক (সার্বভৌম কতৃত্ব),
৬৮। আল-কলম (কলম),
৬৯। আল-হাক্কাহ (নিশ্চিত সত্য),
৭০। আল-মাআরিজ (উন্নয়নের সোপান),
৭১। নূহ (নবী নূহ)
৭২। আল জ্বিন (জ্বিন সম্প্রদায়)
৭৩। আল মুজাম্মিল (বস্ত্রাচ্ছাদনকারী)
৭৪।আল মুদ্দাস্সির (পোশাক পরিহিত),
৭৫।আল-কিয়ামাহ (পুনরু্ত্তান),
৭৬।আদ-দাহর (সময়),
৭৭। আল-মুরসালাত (প্রেরিত পুরুষগণ),
৭৮।আন নাবা (মহাসংবাদ),
৭৯। আন নাযিয়াত (প্রচেষ্টাকারী),
৮০। আবাসা (তিনি ভ্রুকুটি করলেন),
৮১। আত-তাকভীর (অন্ধকারাচ্ছন্ন),
৮২। আল-ইনফিতার (বিদীর্ণ করা),
৮৩। আত মুত্বাফ্‌ফিফীন (প্রতারণা করা),
৮৪। আল ইন‌শিকাক (খন্ড-বিখন্ড করণ),
৮৫। আল-বুরুজ (নক্ষত্রপুন্জ),
৮৬। আত-তারিক্ব (রাতের আগন্তুক),
৮৭। আল আ’লা (সর্বোন্নত),
৮৮। আল গাশিয়াহ্‌ (বিহ্বলকর ঘটনা),
৮৯। আল ফাজ্‌র (ভোরবেলা),
৯০। আল বালাদ (নগর),
৯১। আশ শামস (সূর্য),
৯২। আল লাইল (রাত্রি),
৯৩। আদ দুহা (পূর্বান্হের সুর্যকিরণ),
৯৪। আল ইনশিরাহ (বক্ষ প্রশস্তকরণ),
৯৫। আত ত্বীন (ডুমুর),
৯৬। আল আলাক (রক্তপিন্ড),
৯৭। আল ক্বাদর (মহিমান্বিত),
৯৮। আল বাইয়্যিনাহ (সুস্পষ্ট প্রমাণ),
৯৯। আল যিল্‌যাল (ভূমিকম্প),
১০০। আল আদিয়াত (অভিযানকারী),
১০১। আল ক্বারিয়াহ (মহাসংকট),
১০২। আত তাকাসুর (প্রাচুর্যের প্রতিযোগিতা),
১০৩। আল আছর (সময়),
১০৪। আল হুমাযাহ (পরনিন্দাকারী),
১০৫। আল ফীল (হাতি),
১০৬। কুরাইশ (কুরাইশ গোত্র),
১০৭। আল মাউন (সাহায্য-সহায়তা),
১০৮। আল কাওসার (প্রাচুর্য),
১০৯। আল কাফিরুন (অবিশ্বাসী গোষ্ঠী),
১১০। আন নাসর (স্বর্গীয় সাহায্য),
১১১। আল লাহাব (জ্বলন্ত অঙ্গার),
১১২। আল ইখলাস (একত্ব)
১১৩।আল ফালাক (নিশিভোর)
১১৪। আন নাস (মানবজাতি)



মহান আল্লাহু আমাদের সকলকে কুরআন পড়া ও কুরআনের ভাষা বোঝারমত তৌফিক,শক্তি ও জ্ঞান দান করুক ।


সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে জুলাই, ২০১৬ সকাল ৮:২২
৩টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

উচ্চবংশীয় ছাগল!

লিখেছেন রাজীব নুর, ২১ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:০৯



এককালে কেবল ঘড়িতেই বাজতো টিক টিক- টিক টিক;
বারবেলায় এসে দেখছি টিক টিক বলে কিছু নেই আর ঠিক ঠিক!
বরং 'টিকটক'- এ আকণ্ঠ বুদ হয়ে আছে আবালবৃদ্ধবনিতা!
মানুষের লম্ফঝম্প... ...বাকিটুকু পড়ুন

ডাইভারসিটি ভিসা লটারি আবার চালুর নির্দেশ আদালতের

লিখেছেন শিমুল মামুন, ২১ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:০৬



যুক্তরাষ্ট্রের ২০২৭ অর্থবছরের ডাইভারসিটি ইমিগ্র্যান্ট ভিসা (ডিভি লটারি) লটারির নিবন্ধন আবার চালু করতে ট্রাম্প প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছেন একটি ফেডারেল আদালত। আগামী ১ নভেম্বরের মধ্যে আবেদন গ্রহণ শুরু করতে এবং... ...বাকিটুকু পড়ুন

“‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’: ঘোষণার পর রাষ্ট্র কতটা বদলায়?”

লিখেছেন raselabe, ২১ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:১৪

রাজনৈতিক নেতৃত্বের একটি পরিকল্পনা তখনই কার্যকর রাষ্ট্রীয় কর্মসূচিতে রূপ নেয়, যখন তা ব্যক্তিগত ঘোষণা থেকে বেরিয়ে সুস্পষ্ট নীতি, নির্দিষ্ট দায়িত্ব, বাস্তবায়নযোগ্য কর্মপরিকল্পনা এবং পরিমাপযোগ্য জনকল্যাণের লক্ষ্যে পরিণত হয়।

এখানে নেতৃত্বের প্রথম... ...বাকিটুকু পড়ুন

কোন কিছুর অস্তীত্ব বিহীন মহাশূন্যে অস্তিত্বের প্রক্রিয়া কি ছিল?

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ২১ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৭



কোন কিছুর অস্তীত্ব বিহীন মহাশূন্যে অস্তিত্বের প্রক্রিয়া হলো উদ্ভব। কারণ সৃষ্টি বা তৈরী কারক না থাকা। তাতে কী উদ্ভব হবে এটা অনিদৃষ্ট। কারণ এটা নিদৃষ্ট করার কেউ... ...বাকিটুকু পড়ুন

মক্কা থেকে বদর: মুসলিম ভ্রাতৃত্বের ভূরাজনীতি

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:৪৫


মুসলিম বিশ্বে ঐক্যের নতুন অধ্যায় শুরু হয়েছে। অন্তত চুক্তিগুলোর নাম শুনলে তেমনটাই মনে হয়। মক্কা ও বদর। মুসলিম ইতিহাসের দুটি পরিচিত নাম। নাম শুনে মনে হতে পারে, বহুদিনের বিভেদ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×