বাংলাদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব ও গণতান্ত্রিক চেতনাবিরোধী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব মোটেও নিরাপদ নয়। তাই গণতান্ত্রিক মূল্যবোধবিরোধী শেখ হাসিনাকে গণতন্ত্রের সুতিকাগার ব্রিটেনে বাংলাদেশের ও গণতন্ত্রকামী মানুষ স্বাগত জানাতে পারে না।
এয়ারপোর্ট হতে হোটেলে এসে পিছনের দরজা দিয়া প্রবেশের সময় সেখানে অবস্থানরত বাংলাদেশের শত শত মানুষ হাসিনার গাড়ি বহরে ডিম, জুতা নিক্কেপ করে। হোটেল স্যুটের সামনে নানা দাবি সম্বলিত ব্যানার, প্ল্যাকার্ড নিয়ে ও মাথায় কালো কাপড় বেঁধে বাংলাদেশের মানুষ শেখ হাসিনার লন্ডন সফরের প্রতিবাদ জানায়। লন্ডনে সফররত ৫ জানুয়ারীর অবৈধ নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করা অবৈধ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার স্বীয় বাকশালী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে দাওয়াত দিয়েছিলেন গণতন্ত্রের সুতিকাগার ব্রিটিশ পার্লামেন্ট এ নির্বাচিত দুই বাংলাদেশী বংশদ্ভুত এমপি রোশনারা আলী এবং রুপা হক কে ৷ কিন্তু দুই স্বনামধন্য এমপি হাসিনার অনুষ্ঠানের নিমন্ত্রণ পত্র প্রত্যাখান করেন এবং অনুষ্ঠান বর্জন করেন৷ তাই তাঁদের মত স্বনামধন্য দুইজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি পক্ষে একজন অনির্বাচিত, বিতর্কিত ও ফ্যাসিস্ট প্রতিনিধির অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার প্রশ্নই উঠে নাহ৷বাংলাদেশের গণতন্ত্রকামী মানুষ -এর পক্ষ হতে এই বিচক্ষণ, সঠিক ও সাহসী সিন্ধান্তে বাংলাদেশী বংশদ্ভুত এমপি রোশনারা আলী এবং রুপা হককে জানাই ধন্যবাদ৷
নিউইয়র্ক ইউনিভার্সিটির সিনিয়র সাইন্টিস ডা. জাহিদ দেওয়ান শামীম।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

