somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কিছু কথা বলি কিছু মনে করবেন না

০৭ ই অক্টোবর, ২০১৩ ভোর ৪:১৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

জন্ম থকে আজ পর্যন্ত একটা গল্প শুনে আসছি আমি আপনাদের সবাই কে গল্পতা বলি একটু মন যোগ দিয়ে শুনবেন
এক ছাত্র এক জন শিক্ষকের কাছে বিদ্যা শিক্ষা নিতে গেলো । শিক্ষককে দেখে তার কেমন যেন মনে হল তাই সে তাকে একটা প্রশ্ন করল প্রশ্নটা হল " ঈশ্বর কোথায় " গুরু অতি চালাকের পরিচয় দিয়ে উত্তর দিলেন তুমি বল ঈশ্বর কোথায় নেই। এখন আমার প্রশ্ন আপনার কাছে ঈশ্বর যদি সব জায়গায় থাকেন ? তাহলে তিনি নিশ্চয় নর্দমায় আসেন । হুম আমি ঠিক বলছি কারন আপনি বলছেন ঈশ্বর সব জায়গায় আছেন । আপনি হয়ত আমাকে বলবেন ঈশ্বর পবিত্র ? তিনি নর্দমায় থাকতে পারেন না । আমার একটা প্রশ্ন আপনি পবিত্র হন গোসল করে ঈশ্বর কি করে পবিত্র হন ? নাকি আপনি বলবেন ঈশ্বর কোন দিন অপবিত্র হন না ।কারন ঈশ্বরের আমাদের মত মল মূত্র ত্যাগ করেন না। আমি মেনে নিলাম ঈশ্বর মল মূত্র ত্যাগ করেন না ঈশ্বর অপবিত্র হন না। এখন আমার প্রশ্ন ঈশ্বর কই থাকেন যে মল মূত্র ত্যাগ করা লাগে না অপবিত্র হন ?একটা জিনিস খেয়াল করেন ঈশ্বরের মাথায় কত বুদ্ধি তার প্রশংসা নাহ করে আমি পারলাম না। প্রথমে তিনি বললেন তিনি সব জায়গায় আসেন । এখন আমার মত কিছু মানুষের মাথায় এই সব প্রশ্ন আসতে পারে তাই তিনি সেই প্রশ্নের জবাব দিলেন তিনি পবিত্র । কি বুদ্ধি আসলেই তিনি ঈশ্বর বুদ্ধিমান । ধামাচাপা দেয়ার বুদ্ধি তার আছে । এই বার আর একটা প্রশ্ন করি তিনি সব জায়গায় আছে তার মানে কি ? এই বার ঈশ্বর বললেন আমি পানি আকাশ পাতাল সাগর বায়ুতে আছি । এই বার আমি বলতে পারি ঈশ্বর অপবিত্র বা নোংরা । কারন মানুষ এমন খুব কম জায়গা বাকি রাখছে নোংরা করতে । ঈশ্বর নোংরা আমি বলতে পারি । অনেক বলেন ঈশ্বর সাত আসমানে থাকেন । সাত আসমান সম্পর্কে আমার ধারণা নাই। ঈশ্বর খান কি ? ভাত দুধ ডিম মাছ মাংস নাকি চাইনিছ খাবার খান ? আপনার উত্তর তার আহারের প্রয়োজন হয় না।আপনার কথা আমি মেনে নিলাম ঈশ্বরের আহারের কোন প্রয়োজন হয় না । তাহলে সারা দুনিয়াতে এত মানুষ না খেতে পেয়ে মরে কেন ? তাদের কি কোন খাবার নাই নাকি এইসব খাবার তিনি তার পেট ভরাতে ব্যাবহার করেন । তিনি যদি কিছু না খান তাহলে এত মানুষ কেন না খেয়ে প্রতি বছর মারা যায় ? ঈশ্বরের কখন গুমান ? নাকি আবার বলবেন ঈশ্বর গুমান না। ঈশ্বর যদি না গুমায় তাহলে তার শরীর খারাপ করে না নাকি এই টাও বলবেন তার কোন অসুখ বিসুখ নাই । কি বলব ভাই বোনদের এক জন গুমান না তার অসুখ হয় না। এই প্রশ্নের উত্তর একটু অন্যভাবে দেই । এক ছিল রাজা তার অনেক গুলা মন্ত্রী ছিল । মন্ত্রী গুলার কাজ ছিল বাতাস টিক ভাবে চলছে কিনা ,মেঘ টিক আছে কিনা বৃষ্টি টিক মত হচ্ছে কিনা এই সব দেখা । এক জায়গায় এত রোদ মাঠের সব ফসল পুরে গেলো তখন সব লোক জন রাজার মন্ত্রী কে বলল মন্ত্রী বলল এই ভাবে বললে কি হয় একটা চিঠি লিখে নিয়ে আসো । তারা কেউ পড়াশুনা জানে না তখন তারা গেলো মাস্টার সাহেবের কাছে মাস্টার সাহেব বলল দেখো আমি এখন চিঠি লিখে দিলাম কাজ হবে কিনা আমি জানি না তার চেয়ে তোমরা সবাই আমাকে টাকা পয়সা দাও আমি তোমাদের চিঠি লেখা শিখিয়ে দিবো তাহলে তোমরা সবাই চিঠি লিখে নিজের নিজের কথা বলতে পারবে । সবাই তাই করল আর মাস্টার মশাই নিজের আখের গুছাতে লাগলো ।ও আমি তো ভুলে গিয়ে ছিলাম রাজা তো গুমাছিলেন তিনি এই সব কিছু জানেন না । কিছু দিন পর তাদের চিঠি আসতে লাগলো এখন মন্ত্রী রা কি করবে তখন মাস্টার তাদের বলল কিছু দিন বৃষ্টি দিবা কিছু দিন রোদ দিবা কিছু দিন ঠাণ্ডা দিবা আর বাকি টা আমি টিক করে নেব । তাহলে কি দাঁড়ালো ঈশ্বর গুমাছেন আপনি যতই আপনার দুঃখের চিঠি লিখে পাঠান কোন লাভ হবে না । আবার আর একটা কথার মাধ্যমে প্রমান করা যায় যে ঈশ্বর গুমাছেন । ডাকার মত ডাকলে তিনি শুনবেন ।তার মানে কি তিনি গুমাছেন । আপানার দুঃখ কষ্ট আর যত দুই চোখের পানি ফেলে তাকে ডাকেন কোন লাভ হবে না।
সব শেষ কথা ভাই ও বোনেরা দয়া করে রাগ করবেন নাহ একটু চিন্তা করবেন হইত আমি ভুল হতে পারি ।
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মাদ্রাসা শিক্ষাকে না বলুন। মাদ্রাসা শিক্ষা বন্ধ করুন।

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:৪২

শুধু ভারত বিদ্বেষই না।

মাদ্রাসাগুলোতে কোনও ব্যতিক্রম ছাড়াই মোল্লারা ইসলামের দোহাই দিয়ে,

/নিজের দেশ তথা নিজের জন্মভূমি বাংলাদেশের প্রতি বিদ্বেষ করা শেখায়।

/মোল্লারা তাদের মাথায় এই ধারণা খুব অল্প বয়সেই ঢুকিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

যারা ব্রয়লার মুরগী খায় তারা সমকামী

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:৫৩


ওয়াজ শোনেন অথচ মুফতি কাজী ইব্রাহিম হুজুরকে চেনেন না, এমন মানুষ বাংলাদেশে খুব কমই আছেন। হুজুরের আরেকটি বড় পরিচয় হলো, তিনি করোনার ওষুধ স্বপ্নে পেয়েছেন বলে দাবি করেছিলেন। হুজুর... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেইপ শিফটার ৩ - মাছ কন্যা

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:১৯


২০১১ এর দিকে নর্থ –ইয়র্কে থাকাকালীন রুমার বাসার আশেপাশে তেমন কোন বাঙালি দোকান ছিল না ।সেই টরোন্টর নামকরা চাইনিজ সুপারমার্কেট –টা বেশ দূরে। পায়ে হেঁটে যাওয়ার পথ নয়।... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপনার নাফসকে আচ্ছা করে টাইট দিন

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৫৭

মানুষের ভিতরে এমন একটি অংশ আছে, যা মানুষকে খারাপ কাজ করতে উদ্বুদ্ধ করে, খারাপ কাজের বুদ্ধি দেয়। ইসলামী পরিভাষায়, আমরা মানুষের এই অংশকে নফস বলি। আপনি খারাপ কাজ থেকে দূরে... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে পথ ধরে রথো রাফি হেঁটে যেতেন: চলে গেলেন ব্লগার রাফি

লিখেছেন শরৎ চৌধুরী, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৯:০৩

কবি, ব্লগার ও অনুবাদক রথো রাফির স্মরণ
রথো রাফি ব্লগ
রথো রাফি আর নেই—সত্যটি মেনে নেওয়া ভীষণ কঠিন। একজন মানুষের চিরপ্রস্থানের পর আমরা কেবল তার শারীরিক অনুপস্থিতিই টের পাই না, বরং গভীরভাবে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×