সৃষ্টিকর্তা কোন বৈষম্য সৃষ্টি করেননি। তিনি অনর্থক কোন কিছু সৃষ্টিও করেন নাই। তিনি ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠার তাগিদ দিয়েছেন। তার বিধান অনুসরণ না করার কারণেই সমাজ ও দেশে অন্যায়-অবিচারের পথ তৈরি হয়েছে। নারীর প্রতি অসম্মান ও অবজ্ঞা প্রদর্শন তারই ফল। একে আমরা বৈষম্য বলতে চাই না। কেন না মানুষের হাতের পাঁচটি আঙ্গুল সমান নয় বলে তাকে বৈষম্য বলা যায় না। তবে খাবার গ্রহণে প্রতিটি আঙ্গুলেরই রয়েছে সমান ভূমিকা। অর্থাৎ অধিকার ও সম্মানের দিক থেকে সকলেই সমান, আকৃতি বা প্রকৃতিতে নয়। মানুষ হিসাবে নারী-পুরুষের মর্যাদা সমান। কিন্তু প্রকৃতিগত কারণে কাজের ক্ষেত্র আলাদা। সমস্যা হচ্ছে, অধমের কারণে নারীরা মানুষের মর্যাদা থেকে বঞ্চিত হয়ে এখন তারা যে প্রক্রিয়া ও চিন্তা-ভাবনায় অধিকার আদায়ের সংগ্রামে লিপ্ত হয়েছেন, তা বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে। তারা আর নারী না থেকে পুরুষের ন্যায় স্বভাব অর্জন ও বলবান হওয়ার কসরত করছেন। এজন্য পশ্চিমা ভাবপুষ্ট ফেমেনিজম বা নারীবাদ নয়, প্রাচ্যের ধর্মবাদেই আছে প্রকৃত সমাধান। কিন্তু যারা ধর্ম মানেন না তারা অনেক ক্ষেত্রে ধর্ম পালনকে বলছেন গোড়ামি। এর সমাধান না হলেও ধর্ীয় সংস্কৃতি সঠিকভাবে বুঝতে না পারলে বৈষম্যের গতিমতি বোঝা মুশকিল। মোদ্দাকথা সৃষ্টিকর্তার মহান সৃষ্টিতে কোন ভুল নেই। তার হুকুম না মানলে সমস্যা হবেই।
প্রকৃতিগতভাবে কোন বৈষম্য সৃষ্টি আমাদের পরিলক্ষিত হয় না। কোন ধর্মেও বৈষম্য নেই বা বৈষম্য সৃষ্টির পক্ষপাতি নয়। তবুও আজ আমাদের সমাজ নানারকম বৈষম্যের বেষ্টনিতে আবদ্ধ করে ফেলেছে দুর্বল মানুষদের। সব বৈষম্যই আমাদের নিজেদের সৃষ্টি আর আজকাল আমরা বৈষম্য বলে যেটাকে বুঝি বা ভাবি সাধারণত এটাকে বৈষম্য বলা যায় না। এগুলো হচ্ছে হঠকারিতা বা মানুষকে ঠকানো ছাড়া অন্য কিছু নয়।
সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা জুলাই, ২০১১ বিকাল ৩:৪৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।






