জীবন ও সমাজের সর্বত্রই কম-বেশি বৈষম্য রয়েছে। এই বৈষম্য প্রকৃতিগতভাবে আমাদের সমাজ জীবনে কিংবা ব্যক্তি জীবনে আসেনি। সমাজ মানুষের দ্বারা তৈরি। তাই সমাজের সৃষ্টি বৈষম্যও মানুষের। আমরা উদাহরণস্বরূপ বলতে পারি নারী-পুরুষের বৈষম্যের কথা। একই কারখানায় নারী-পুরুষ উভয় শ্রমিক কাজ করে, দেখা যায় নারীদেরকে পুরুষের অর্ধেক বেতন দেয়া হয়। অথচ নারী-পুরুষ উভয়ে সমান শ্রম ও সময় দিচ্ছে কিন্তু বেতনের সময় সমান বেতন তাদেরকে দেয়া হয় না। একমাত্র নারী ভেবেই। নারীরা সৃষ্টিগতভাবেই দুর্বল। দুর্বলতার কারণেই সমাজের নেতৃস্থানীয় এক শ্রেণীর মানুষ এই বৈষম্য সৃষ্টি করে ফায়দা লাভ করছে। সমাজ থেকে এই ধরনের বৈষম্য দূর করা অতিব জরুরী।
বৈষম্য সর্বত্রই রয়েছে। সংসার জীবন, সমাজ জীবন, রাজনৈতিক জীবনসহ সর্বস্তরে পরিলক্ষিত হয় বৈষম্যের চিত্র। বৈষম্য প্রকৃতভাবে সৃষ্টি নয়। মানুষের সৃষ্টি। তাই সর্বক্ষেত্রেই এই বৈষম্য দূর করা উচিত।
বৈষম্য সব দেশেই আছে। তবে আমাদের দেশে এর প্রভাবটা একটু বেশি। সংসার থেকে সংসদ পর্যন্ত। সংসদে দেখা যায় বিরোধী দলের সদস্যদের সরকার দলের সদস্যদের চেয়ে কম সময় দেয়া হয়। অনেক সময় তাদের যৌক্তিক কথারও মূল্যায়ন করা হয় না। উন্নয়নের ক্ষেত্রেও রয়েছে বৈষম্য। বিরোধী দলের সদস্যদের এলাকায় উন্নয়নের ক্ষেত্রে কম বরাদ্দ দেয়া হয়। নানা দিক থেকেই তারা বঞ্চিত হয়। আর এই বৈষম্য প্রকৃতির সৃষ্টি নয়। মানুষেরই সৃষ্টি, প্রতিহিংসারই সৃষ্টি।
বৈষম্য আমাদের দেশে অনেক ক্ষেত্রেই কমে আসছে। তবে শিক্ষা ক্ষেত্রে এখনো বৈষম্য রয়েছে। মাদ্রাসা থেকে যে সব ছাত্ররা এসএসসি এবং এইচএসসি পাস করে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে আসে তারা যতই মেধাবী হোক এবং ভর্তি পরীক্ষায় যতই ভাল করুক। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে পারে না। মেধাবী হওয়া সত্ত্বেও বৈষম্যের শিকার হওয়া কাম্য নয়। উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে মেধার মূল্যায়ন করে এই বৈষম্য দূর করা দরকার।
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই নভেম্বর, ২০১১ সকাল ১০:৫০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।






