somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

নব্বইয়ের দশকের ব্যান্ড মিউজিক: এক সোনালি অতীতের স্মৃতি

১৮ ই ডিসেম্বর, ২০২৪ ভোর ৬:২৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বাংলাদেশের ব্যান্ড মিউজিকের সোনালি অতীত

নব্বইয়ের দশক বাংলাদেশের জন্য ছিল এক অবিস্মরণীয় সময়। এই সময়টি বাংলাদেশের সংগীত জগতে ব্যান্ড মিউজিকের এক যুগান্তকারী পরিবর্তন এনেছিল। আইয়ুব বাচ্চু, জেমস, শাফিন আহমেদ, হাসানের মতো প্রতিভাবান শিল্পীরা তাদের সৃজনশীলতার মাধ্যমে বাংলাদেশের তরুণ সমাজকে মুগ্ধ করেছিলেন। তাদের গান ছিল তরুণদের আবেগ, আকাঙ্ক্ষা এবং স্বপ্নের প্রতিফলন।

কনসার্টের উন্মাদনা

নব্বইয়ের দশকে ব্যান্ড কনসার্ট ছিল তরুণদের জন্য এক অন্যরকম উৎসব। লাখো লাখো তরুণ-তরুণীরা এই কনসার্টে জড়ো হতেন। তাদের গানে মাতিয়ে উঠত, নাচত, গাইত। এই কনসার্টগুলো ছিল শুধুমাত্র একটি মিটিং নয়, এটি ছিল একটি সংস্কৃতি, একটি আন্দোলন।

কেন হারিয়ে গেল ব্যান্ড মিউজিক?

এক সময় যে ব্যান্ড মিউজিক বাংলাদেশের সংগীত জগতে রাজত্ব করত, সেটি আজ কেন এতোটা হারিয়ে গেছে? এর পেছনে অনেকগুলো কারণ থাকতে পারে:

নতুন ধারার আগমন: সময়ের সাথে সাথে সংগীতের ধারা বদলেছে। নতুন প্রজন্মের কাছে অন্য ধরনের সংগীত বেশি আকর্ষণীয় মনে হয়।
বাণিজ্যিকীকরণ: সংগীত শিল্প বাণিজ্যিকীকরণের দিকে এগিয়ে যাওয়ায় অনেক প্রতিভাবান শিল্পী নিজেদের মতো করে সঙ্গীত করতে পারছেন না।
অন্যান্য বিনোদনের প্রাধান্য: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, অনলাইন গেমিং ইত্যাদির আগমনে তরুণদের সময় কাটানোর অন্য অনেক উপায় হয়ে গেছে।
কনসার্টের আয়োজনের জটিলতা: কনসার্ট আয়োজনের ক্ষেত্রে অনেক জটিলতা এবং ব্যয়বহুল হওয়ায় অনেকেই আর কনসার্টের আয়োজন করতে চান না।

নব্বইয়ের দশকের ব্যান্ড মিউজিক বাংলাদেশের সংগীত জগতে একটি স্বর্ণযুগ ছিল। যদিও সেই সময় আর ফিরে আসবে না, তবুও আমরা সেই স্মৃতিগুলোকে চিরদিন মনে রাখব। আশা করি ভবিষ্যতে বাংলাদেশের ব্যান্ড মিউজিক আবারও নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে।
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০২৪ ভোর ৬:২৮
৪টি মন্তব্য ৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আহলে হাদিস একটি সুনিশ্চিত পথভ্রষ্ট ও জাহান্নামী দল

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ২৪ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৮:৫৮




সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতাম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে তাঁর পথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

কেন বিচার পাওয়ার আগেই মৃত্যু হলো সাইকো সম্রাটের ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৪ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:৩৪


সাভার থানা থেকে মাত্র একশো গজ দূরে, পাশে সরকারি কলেজ, দূরে সেনা ক্যাম্প, চারদিকে মানুষের ব্যস্ততা: এই পরিচিত পরিবেশের মাঝে একটা পরিত্যক্ত ভবন ছিল, যেখানে আলো পৌঁছাত না।... ...বাকিটুকু পড়ুন

মানব সভ্যতার নতুন অধ্যায়

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ২৫ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৩:০৭


আজ মানব জাতির নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো।
তারিখঃ ২৪ শে মার্চ, ২০২৬
সময়ঃ বিকাল ৪টা, (নর্থ আমেরিকা)
আমেরিকার কংগ্রেস স্বীকার করে নিল ভীন গ্রহের প্রাণীর অস্তিত্ব। স্বীকার করে নিল পৃথিবীর... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজ সেই বিভীষিকাময় ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস।

লিখেছেন রাবব১৯৭১, ২৫ শে মার্চ, ২০২৬ ভোর ৫:৫৫

আজ সেই বিভীষিকাময় ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস।
আজ সেই বিভীষিকাময় ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস। ১৯৭১ সালের এই কালরাতে Operation Searchlight নামের বর্বর অভিযানের মাধ্যমে পাক আর্মি নিরস্ত্র বাঙালির উপর ইতিহাসের জঘন্যতম... ...বাকিটুকু পড়ুন

ওয়ান-ইলেভেন: স্মৃতিহীন জাতির হঠাৎ জাগরণ!

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২৫ শে মার্চ, ২০২৬ সকাল ৮:৩০

কাভার- সরাসরি আপলোড না হওয়াতে!!


ওয়ান-ইলেভেন: স্মৃতিহীন জাতির হঠাৎ জাগরণ!

জেনারেল মাসুদের গ্রেপ্তার হতেই হঠাৎ দেখি-
সবাই একসাথে ওয়ান-ইলেভেন-কে ধুয়ে দিচ্ছে!

মনে হচ্ছে, এই জাতির কোনো অতীতই নেই।
বাঙালির স্মৃতিশক্তি আসলেই কচুপাতার পানির মতো-এক ঝাপটায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×