আমরা সবাই লোচা।
হ্যাঁ বন্ধুরা, সবাই। কেউ কম, কেউ বেশি। কিন্তু লোচা আমরা সবাই। কেউ চাই এই পরিচয় আড়াল করে রাখতে, কেউ আবার উদাম করে রাখি। কিন্তু লোচাপনার আগুন জ্বলবেই, হোক ধিকিধিকি বা দাউদাউ।
লোচাপনা নিয়ে লজ্জার কিছু নেই। মিছেই আমরা একে নানা সঙ্কোচে ঢেকেঢুকে রাখি। লোচাপনা নিয়ে হীনমন্যতায় ভুগি। কেউ বা লোচাপনা নিয়ে গর্বও করি। কিন্তু আমাদের বুঝতে হবে, এ হচ্ছে এক সাধারণ বৈশিষ্ট্য। এ নিয়ে লজ্জার যেমন কিছু নেই, তেমন গর্বের ইন্ধনও এতে অনুপস্থিত।
সুন্দরী মেয়েদের তেল মাখিয়ে দেয়াকে অনেকেই লোচাপনা বলে ভাবেন। আসলেও তাই। সুন্দরী মেয়েদের তেলাতে কার না ভালো লাগে। তবে আমাদের সমাজে সুন্দরী মেয়ের সংখ্যা বিপজ্জনকভাবে কমে এসেছে, তাই চলনসই মোটাসোটা নাদুসনুদুস মেয়ে দেখলেই দলে দলে লোক ছুটে আসে তেল মাখাতে। তাদের প্রতিটি কথায় আহাউহু করা এই তেলের অংশ। বিশেষ করে তাদের অখাদ্য কবিতার চরণে চরণে অনুপস্থিত অনির্বচনীয়তা আবিষ্কারের এক মোচ্ছব ইদানীং ব্লগসমাজে বড়ই দৃষ্টিগ্রাহ্য।
তবে এ ধরনের লোচাপনা কাজে দেয় বৈকি। সময় একটু বেশি লাগে। তারচেয়ে আরেকটু দৃঢ়তার সাথে, বলিষ্ঠতার সাথে প্রকাশ করুন আপনার মনের কুমৎলবটিকে। কে জানে, উদ্দিষ্ট নাদুসনুদুস হয়তো সাড়া দিতেই উদগ্রীব?
আজ আর নয় বন্ধুরা। আবার পরে কোন এক সময় আলাপ হবে লোচাপনা নিয়ে। সবাই ভালো থেকো, সুস্থ থেকো, আর লোচাপনাও করো একটু আধটু।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


