আজ বিকেলেই ঢাকার তিনটা প্রাইভেট ভার্সিটি তাদের ঈদের ছুটি ঘোষনা করেছে। অনেকে ভাবতেছে এবার বুঝি আন্দোলন কিছুটা হলে জিমিয়ে পড়বে!
কিন্তু না আন্দোলন আগের থেকে কয়েক গুন উৎসাহের মাধ্যমে এগিয়ে যাবে এবং দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত চলবে। আর ভার্সিটি বন্ধ বা খোলা এটা নিয়ে আন্দোলনরত ছাত্রদের বিন্দুমাত্র ভাবার সময় নাই। ছাত্ররা যখন রাস্তায় থাকে তখন সব ভার্সিটিই অঘোষিত ভাবে বন্ধ থাকে। ছাত্ররাই যখন রাস্তায় তখন ক্লাস করবে কারা? কেউ ক্লাস করে না।
তিনটা ভার্সিটি বন্ধ ঘোষনায় সেই সব ভার্সিটির ছাত্ররা এখন আরও স্বাধীন এবং নিশ্চিন্তে আন্দোলন করতে পারবে,এটাতে হতাশ হওয়ার কোন কারন আছে বলে মনে হয় না।
প্রত্যেকটা প্রইভেট ভার্সিটির মালিক,চেয়ারম্যান,ট্রাষ্টিবোর্ডের মেম্বাররা একএকজন সরকারেরই লোক। কারন সরকারের কোন মন্ত্রী-মিনিষ্টারের সাথে ভালো সম্পর্ক না থাকলে আমাদের দেশে বড় কোন প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন পাওয়া যায় না। আর সেখানে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়!! মালিক পক্ষ যে দিকেই যায় তাদের লাভ। সরকারের ভ্যাট মেনে নিলে তারা ছাত্রদের টিউশান ফি বাড়িয়ে তা পরিশোধ করবে আর না দিলে ত জামেলা থেকে বাঁচল। তাদের নীরব দর্শক বা লোক দেখানো কিছু করা ছাড়া কিছুই দেখছি না। দু দিকেই তাদের মাথা নাড়াতে হয়। একবার সরকারের পক্ষে আরেকবার ছাত্রদের পক্ষে।
তাদের অবস্থা আমার দেশের একটা বিশেষ রাজনৈতিক দলের নেতাদের বক্তব্যের মত
"" দেশে হিন্দুরা থাকলে ভোট আমাদের,দেশ ছেড়ে চলেগেলে জমি আমাদের"" মানে লাভ দু দিকেই আছে। তাই ভার্সিটি কি করল না করল তা ভেবে লাভ নাই। আমরা চাই শিক্ষার সাথে ভ্যাট কথাটা থাকবেই না। ভ্যাট মুক্ত শিক্ষা ব্যাবস্থা চাই।
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ১:২৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



