somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সেঞ্চুরীর দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে...

৩০ শে জুলাই, ২০০৬ দুপুর ১:০৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ভাবছিলাম কি লিখব শতকে। অনেকেই অনেক কিছু লেখে, কাব্য, জীবনি, রম্য রচনা। কিন্তু আমার তো কিছু লেখার নেই। নিতান্তই সাদামাটা কিছু কলাম ছাড়া তেমন কিছুই অর্জন নেই।

একবার ভাবলাম দুরছাই, শতকের বক্তৃতা দিতে হবেই এমনই বা কি দায় পড়েছে। নিয়ম ভেঙ্গে আমি নাহয় শতক ছাড়িয়ে যাই।

একটু পিছনে ফিরে দেখা যাক কি কি লিখেছি। একশটার মধ্যে বাইশটা লেখা লিখেছি বিভিন্ন ভ্রমন কাহিনী নিয়ে। সাংবাদিকতায় সংবাদের দূরত্ব বলে একটা প্যারামিটার আছে, সংবাদ বা ঘটনা যত দূরের তার গুরুত্ব তত কমে যায়। সেই সুত্রের প্রমান স্বরূপ আমার এই লেখাগুলোর গুরুত্বও কম ছিল। শুধু মাত্র লাস ভেগাস সবার পূর্ব পরিচিত ছিল বলে বেশ লেখক টেনেছিল।

ভ্রমন ছাড়া আমেরিকার সমাজ এবং চলতি বিষয় নিয়ে লিখেছি ষোল/সতেরটার মত। ওপরের একই সুত্র মতে এগুলোও পাঠক টানেনি।

একসময় মনে করতাম আমি ভীষন সাধু-সন্ত টাইপের মানুষ। কিন্তু পরে আবিষ্কার করলাম আসলে আমি ভীষন রকম 'মানুষ'। তার প্রমান পাওয়া যায় আমার কিছু ছেলেমানুষী মার্কা পোস্টে। অবশ্য আমার কাছে সেমস্ত পোস্টের পক্ষে কিছু যুক্তি অবশ্যই ছিল।

নিরানব্বইটা পোস্টের হিট দেখতে পাচ্ছি 18725, গড়ে প্রতি পোস্টে 189 টা হিট। নতুন ফিচার প্রকাশ করলাম যে পোস্টে সেটাতে 208 টা মন্তব্য আসে সেইসাথে গড় হিট 130 থেকে বেড়ে যায়। ওটাই সম্ভবত অনেকের কাছে আমাকে পরিচত করে তোলে।

সামহোয়ারইন থেকে আমার সবচেয়ে বড় অর্জন নিজের বেশ কিছু লেখা। নিজেকে নিংড়ে নিয়ে কখনই হয়ত প্রকাশ করা হত না এগুলো। আগে তথ্য প্রযুক্তি নিয়ে লিখতাম, তাই লেখার জন্য হাত চুলকাত। কিন্তু ভাল কোন প্লাটফর্ম পাচ্ছিলাম না। এই ব্লগ সেই প্লাটফর্ম যুগিয়ে দেয়। বেশ কিছু ভালো মানুষের সাথেও পরিচয় এখানে এসে।

সামহোয়াইন আমার সবচেয়ে বড় যে ক্ষতি করেছে তা হলো আমার মাস্টার্সের রেজালটে বেশ বড় একটা খুঁত করে দিয়েছে। আর রিসার্চে কাজে আমার মন একেবারেই বসে না এখন। অবশ্য নিজের দোষের জন্য অন্যকে দোষ দিয়ে কি লাভ?

জানিনা সামনে কি লিখব। আদৌ আর সময় দিতে পারব কিনা সে নিয়েও সংশয় আছে। কাজের চাপ বাড়ছে। সঙ্গে ক্যারিয়ারের মোড় পরিবর্তনের অনিশ্চয়তা। নিজের তেষ্টা মেটানোর জন্য হলেও চালিয়ে যাবার আশা রাখি।

যারা আমাকে সঙ্গ দিয়েছেন এই 100 টি পোস্টে বিভিন্ন সময় মন্তব্য করে বা না করে, শুভেচ্ছা জানিয়ে বা গালি দিয়ে - সবাইকে ধন্যবাদ। একসাথে পথ চলার নামই তো জীবন...
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে জুলাই, ২০০৬ দুপুর ১:০৯
২৬টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

সীমিত মগজ, লিলিপুটিয়ান, ডোডো পাখি (সৌজন্যে - চাঁদগাজী)...

লিখেছেন বিচার মানি তালগাছ আমার, ০৮ ই মে, ২০২৬ সকাল ১১:২৯



১. যেনা করব আমরা, ৫০১-এ যাব আমরা, পার্কে যাব আমরা। তুমি তো আলেম। তুমি কেন যাবে? তুমি তো ইসলামের সবক দাও সবাইকে। তুমি মাহফিলে কোরআন, হাদীস বয়ান কর। তুমি... ...বাকিটুকু পড়ুন

মহাজন জিন্দা হ্যায়!!!

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৭



মনে পড়ে, ঠিক এক বছর আগে গত বছর এই সময়ের দিকে ফেসবুক বা সোশ্যাল মিডিয়া ভেসে যাচ্ছিল 'মহাজন স্যারকে আরও ৫ বছর বাংলাদেশের সরকার প্রধান হিসেবে দেখতে চাই' টাইপের... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধর্ম অটুট, মৌলভিরা নন: সমালোচনা মানেই অশ্রদ্ধা নয়

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৬



নবী ইউসুফ (আ.)-এর সময় মিসরীয়রা 'আমুন' দেবতার পূজা করত। মিসরের শাসক আপোফিসকে তার পিতা তৎকালীন পুরোহিতদের কুচক্রী স্বভাব সম্পর্কে সতর্ক করেছিলেন। এই পুরোহিতরা ধর্মের দোহাই দিয়ে রাজ্যসভা থেকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৈশব- কৈশোর বেলার গল্প

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪৭



আমাদের শৈশব ছিলো অতিশয় প্রাণপ্রাচুর্যময় যদিও শৃঙ্খলাপূর্ণ।
একালের মতো বিলম্বিত শয্যা ত্যাগ রীতিমতো গর্হিত অপরাধ! শয্যা ত্যাগ করেই বিশেষত অবকাশের দিন গুলোতে নিয়মিত গন্তব্য ছিলো কারো কারো খেলার... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতাঃ পাখির জগত

লিখেছেন ইসিয়াক, ০৯ ই মে, ২০২৬ সকাল ৭:০০



টোনাপাখি লেজ নাচিয়ে গাইছে মধুর গান।
গান শুনে টুনিপাখি আহ্লাদে আটখান।

টোনা যখন উড়ে ঘুরে অন্য ডালে বসে।
টুনি এসে ঠিক তখনই বসে তারই পাশে।

বুলবুলিদের পাড়ায় আজ দারুণ শোরগোল।
নানা শব্দের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×