somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

দেশী ফিসফাস: ন্যাকা প্রেমের গল্প

০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৬ রাত ৩:২০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

[মুখফোড়ের ব্লগে দেখলাম চাইনীজ ফিসফাস। একজন একটা গল্প লেখা শুরু করবে অন্য একজন সেটা আগিয়ে নেবে। ভীষন মজার লেগেছিল ব্যাপারটি। আমি তখন একটিভ ব্লগিং করতাম না বলে অংশগ্রহন করা হয়ে ওঠেনি। যাই হোক আমি দেশী ফিসফাসের একটা প্রস্তাব দিচ্ছি। শুরু থাকবে আর সেই সাথে থাকবে শেষটা কিহবে সেটার একটা ধারনা। মাঝখানের শুন্যস্থান পূরনের দায়িত্ব পাঠকের। আর কথা না বাড়িয়ে শুরু করা যাক।]

[গাঢ়]ন্যাকা প্রেমের গল্প[/গাঢ়]
বুয়েটের ঢুকে নোমানের ভীষন ভাব হয়েছে। ঢাকার একটা ছোট কলেজ সরকারী কলেজ থেকে পাশ করে বুয়েটের মত একটা জায়গায় ভর্তি হয়ে যেতে পেরে যারপর নাই গর্বিত সে। কলেজের শেষ দিকে এসে কিছু ডেঁপো ছেলেদের পাল্লায় পড়ে গিটার নিয়ে টুংটা করা শুরু করেছে আর চুল রেখেছে সন্ত্রাসীর মত। ড্যাম কেয়ার ভাব তার - যেকোন মেয়ে দু মিনিটে পটিয়ে ফেলতে পারবে সে এমনই তার বিশ্বাস।

ওদিকে ফ্লোরার হয়েছে সমস্যা। এমনিতে তার সবকিছুতে নাভর্াস হয়ে যাবার অভ্যাস তার উপর ভর্তি রেজাল্টের ভিত্তিতে হওয়ায় বুয়েটের সবচেয়ে কঠিন বিষয়ে ভর্তি হতে হয়েছে তাকে। প্রথম দিন ক্লাস করতে এসে ক্লাস রুটিন তার সঙ্গে থাকা সত্ত্বেও ঠিক বুঝে উঠতে পারছিলনা একলা একলা কিভাবে যাবে। ভীষন নাভর্াস ভঙ্গীতে এদিক ওদিক তাকাচ্ছিল সে। ঠিক সেই সময় হেলে দুলে ক্লাস রুটিন টুকতে আসা নোমানের দেখা পেল সে। লম্বা লম্বা চুলের কারনে ওরিয়েন্টেশেনে একবার দেখেও সহজে মনে রাখতে পেরেছে তাকে ফ্লোরা।

নোমান ক্লাসের দিকে রওনা দিতেই ফ্লোরা তাকে ডাকল। 'এই শোন, তুমি,লক্করকৌশলে ভর্তি হয়েছ না?' নোমান তো ভীষন ভাবের চোটে ঘাড় কাত করে মেয়েটাকে দেখল একবার। কেমন যেন অস্থির ছটফটে ভাব মেয়েটার মধ্যে। মনে মনে গলে গেলেও তা প্রকাশ করতে দিলনা। বলল, 'হ্যাঁ'। ফ্লোরা যেন আকাশের চাঁদ পেল হাতে, 'আমি আসলে পুরাতন ভবনটা কোনদিকে সেটা বুঝতে পারছি না। তোমার সাথে গেলে কিছু মনে করবে?' মনে মনে দি মাস্ক ছবির গ্রীন ডেভিলের মত চিহ্বা বেরিয়ে গেলেও হাবে ভাবে সেটা প্রকাশ করতে দিল না সে। বলল, 'চল, অসুবিধা কি?'

সেটাই শুরু। তারপর ছোটখাট কথা বার্তা, চোথা আদান প্রদান, লক্কর কৌশলের বিখ্যাত হাতে কলমে লোহা ঢালাই শিক্ষা ক্লাসের কল্যানে আরও একটু বেশী মেলামেশা শুরু হয় তাদের মাঝে। এর মাঝে নোমান জানতে পারে ফ্লোরা আগে থেকেই কমিটেড কারো সাথে। কিছুদিনের জন্য একটু থমকে গেলেও, দু:খটা সামলে নিয়ে আবার নিজের পথে চলতে থাকে নোমান।


[গাঢ়]শেষ পরিনতি[/গাঢ়]
এই দুই চরিত্রকে শেষ পর্যন্ত মিলাতে হবে কোনো না কোন ভাবে। সঙ্গে থাকতে পারে কিছু টুইস্ট।

তো ব্লগার গন লেগে যান ঝটপট।
সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৬ রাত ৩:৩৪
৪৭টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আমরা বাস করছি প্রচণ্ড রাজনৈতিক ভণ্ডামোর মধ্যে – হুমায়ুন আজাদ। কিছু কথা।

লিখেছেন অন্তর্জাল পরিব্রাজক, ১৪ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ৮:৩৮



ইংরেজিতে একটা শব্দ আছে সেটা হল plausible. যার একটা অর্থ হল “আপাতদৃষ্টিতে যুক্তিসঙ্গত”। হুমায়ুন আজাদের অনেক লেখার মধ্যে এ জিনিসটা পাওয়া যায়। এমনিতে হুমায়ুন আজাদ খুবই ভালো... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাঁশি

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ১৫ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:০৪



হিম শীতল মাঘ মাসের রাত। ঘন কুয়াশার কারণে পাঁচ হাত সামনেও কিছু দেখা যায় না আর খালপাড়ের বাঁশঝাড়টা তো অনেক দূরে, বাতাস নেই তারপরও বিচিত্র কারণে বাঁশপাতার শব্দ শোনা যাচ্ছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

হুলো বেড়াল

লিখেছেন রূপক বিধৌত সাধু, ১৫ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১:২৮


গ্রামের কাঁচা রাস্তা দিয়ে হাঁটছি। কোথাও মানুষের কোনো সাড়া-শব্দ নেই। মাঝেমধ্যে অবশ্য ঝিঁঝিঁ পোকা ডেকে যাচ্ছে। শব্দে কান ঝালাপালা। এত ঝিঁঝিঁ পোকা কোথা থেকে এলো?

দুটো জঙ্গল পেরিয়ে মূল সড়কে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকের এই দিনে ১৯৭৫-এর শোকাবহ আগস্ট/ রক্তাক্ত দিবস॥

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ১৫ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ২:১১



“আজ থেকে অনেকদিন পরে হয়ত কোন পিতা তার শিশুপুত্রকে বলবেন, জানো খোকা! আমাদের দেশে একজন মানুষ জন্ম নিয়েছিল যাঁর দৃঢ়তা ছিল, তেজ ছিল আর ছিল অসংখ্য দুর্বলতা। কিন্তু... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ডের পর কারা মিষ্টি বিতরণ করেছিল?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৫ ই আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ২:১৬


যদি কোনোদিন টাইম ট্রাভেল মেশিন আবিষ্কার হয়, পঁচাত্তরের ঘটনা নিজের চোখে দেখার চেষ্টা করতাম। সে সময় কিছু মানুষ মিষ্টি বিতরণ করেছিল বলে শোনা যায় । আমি তাদের কাছ থেকে মিষ্টি... ...বাকিটুকু পড়ুন

×