সিনেমাটির শুরুতে নেপোলির রাজা জোয়াখিম মুরাটকে ফায়ারিং স্কোয়াডে দাঁড় করানো হয়েছে। পাশে রাখা চেয়ারে বসতে বলা হলো। তিনি বললেন আমি দাঁড়িয়েই মরবো। চোখ বাঁধতে বলা হলো। তিনি বললেন, চোখ খুলেই মরবো। উপস্থিত জেনারেল নির্দেশ দেয়া শুরু করলেন, ইন মাই কমান্ড। মুরাত বললেন, না ইন মাই কমান্ড, আমি নির্দেশ দেব। বললেন, সৈন্যরা তোমার মন স্বস্থ করো, শান্ত হও। প্রস্তুত হও। বন্দুক তাক করো। গুলি করো আমার হৃদয়ে। ফায়ার অ্যাট মাই হার্ট।
এই সিনেমার বিষয় জোয়াখিম মুরাত যিনি 1808 থেকে 1815 পর্যন্ত নেপলের রাজা ছিলেন। নেপোলিয়ান বোনাপার্টে ছোটবোনকে বিয়ে করার সুবাদে তিনি নেপলের রাজা হন। নেপলের রাজ হয়ে তিনি নিজেকে একজন জনহিতকর শাসক হিসাবে প্রতিষ্টা করেন। আর স্বপ্ন দেখেন স্বাধীন ইতালি গঠনের। যে ইতালির রাজধানী হবে নেপলস।
এই রাজনৈতিক অভীপ্সার পাশাপাশি মুরাতের মধ্যে থাকে এক ধরনের কাব্যিক আকাঙ্া।
প্যারালালি চলতে থাকে সেনাবাহিনীর এক বিষণ্ন অফিসার ইউজিনোর কাহিনী। যে যুদ্ধ করতে সেনাদের পোশাকে থাকতে চায় না। পালিয়ে ঘুরে বেড়ায় আবার ফিরে আসে। তার দাদা নিকোলাও বিষণ্নতা আক্রান্ত। তারা সেই বিষণ্নতার দ্্বারা আক্রান্ত যার পরিণতিতে জোয়াখিমের এক্সিকিউশন ঘটে ও স্বাধীন ইতালি প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন ধুলিস্মাৎ হয়ে যায়।
এর মধ্যে পালিয়ে থাকার সময় ইউজিন প্রেমে পড়ে গ্রামের এক মেয়ের, নাম গ্রাজিয়েলা। স্বপ্নময় এক কাব্যিক প্রেম। আহা।
গ্রাজিয়েলা চরিত্রে অভিনয় করেছেন সোনালী কুলকার্নি। ভারতীয় অভিনেত্রী। আর মিশরীয় অভিনেতা ওমর শরীফ অভিনয় করেছেন নিকোলা চরিত্রে।
পরিচালক ল্যামবার্তো ল্যামবার্তোনি।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



