ব্লগে প্রায়শ:ই দেখা যায় ধর্ম কিংবা সমাজের অনুশাসনের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে। স্বাধীনতার নামে পার্টি, অবাধ মেলামেশা, মদ্যপান আর অন্যান্য সব আনন্দ ফুর্তির পক্ষে সাফাই গাইতে।
তাদের নিকট এই নির্যাচিত শিশু শ্রমিকরা কি ধরনের সহানুভূতি আশা করতে পারে। আমরা কি পারিনা আনন্দ ফুর্তিতে গা ভাসিয়ে না দিয়ে এদের পাশে দাড়াতে?
৬০০ শিশু শ্রমিক নিয়ে এ গবেষণা প্রতিবেদন তৈরি করা হয়। গবেষণায় আর্থিক সহায়তা দেয় বাংলাদেশ পরিবার পরিকল্পনা সমিতি ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন।
৭৯ ভাগ শিশু শ্রমিক প্রাথমিক শিক্ষা শেষ হওয়ার আগেই ঝরে পড়ে। বিভিন্ন অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে কর্মরত এসব শিশু শ্রমিক দৈনিক ১০ ঘণ্টার ওপরে কাজ করে মাসে আয় করে মাত্র ১ হাজার ৪০০ টাকা থেকে পাঁচ হাজার টাকা।
অথচ আমরা বেতন আশাকরি ৫০ হাজার টাকার উপরে। প্রেম করা আর ফাস্ট ফুড খাওয়া আমাদের মটো হয়।
৮০ ভাগ শিশুর কর্মক্ষেত্রে কোনো ওভারটাইমের সুযোগ নেই। ২২ ভাগ শিশু শ্রমিক বর্তমানে ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিয়োজিত আছে। একই সঙ্গে ৩৫ ভাগ শিশু শ্রমিকের জন্য তাদের কর্মক্ষেত্রে কোনো ধরনের খাবার কিংবা সুপেয় পানির ব্যবস্থা থাকে না।
গবেষণা প্রতিবেদনে শিশু শ্রমিকদের বয়স ন্যূনতম ১২ বছর, শিশুদের ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিয়োজিতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা এবং শিশুশ্রমের মূল কারণ দারিদ্র্য দূরসহ বিভিন্ন সুপারিশ করা হয়।
শীর্ষ নিউজ/এসআর
- See more at: Click This Link
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই এপ্রিল, ২০১৬ সন্ধ্যা ৭:৩৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



