somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বিজ্ঞের চোখে একটি স্ক্যান্ডাল !!!

০৭ ই জুন, ২০১৬ বিকাল ৪:৪১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বন্ধুর ডাকাডাকিতে ঘুমটা ভাঙ্গল । এমনভাবে চিল্লাইতেছে যেনো রাশিয়া জয় করে নতুন জার্মানবাহিনী আনন্দ করতেছে । জিগাইলাম ডাকিস ক্যান । ও বলল আমাদের ক্যাম্পাসের এক মেয়ের স্ক্যান্ডাল বের হইছে আর এই জিনিস না দেইখা তুই ঘুমাচ্ছিস । দেখলাম ভিডিওটা । একটা ভিডিও ৪.৫৭ মিনিটের বাকীটা ৩.৪৯ মিনিটের । প্রথমটাতে মেয়েটার গোসল করার চিত্র পরেরটাতে ওই কাম । তবে ভিডিওটা এতো সূক্ষভাবে করা হয়েছে যে, এতে ছেলেটার শরীরের বিশেষ অঙ্গটা ছাড়া আর কিছুই দেখা যাচ্ছে না ! বুঝলাম অভিঙ্গ প্রেমিক ।
এরপর কলেজে গেলাম সত্যতা জানার জন্য, কেননা মেয়েটাকে আমি চিনি না, মেয়েটাকে দেখার খুব পিনিক জাগলো ।
শুনলাম, সে আজ ক্যাম্পাসে আসে নাই, তার বন্ধুদের সাথে কথা বললাম । ওরা জানালো, মেয়েটি এখানকার স্থানীয় । প্রতিদিন মেয়েটি বোরকা পরে ক্যাম্পাসে আসলেও, খুবই ফ্রেন্ডলি সবার সাথে মেশে । ওর বাবা একজন হাজী । ওদের জিঙ্গেস করলাম, কেউ ভিডিওটি দেখেছে কি না । একজন মজা করে বলল, ভাই জিঞ্জেস করেন যে কেউ দেখতে বাকী আছে কি না ! তারপর বললাম তোমাদের বান্ধবী এমন একটি কাজ করেছে কারো খারাপ লাগছে না । একজন বলল, ভাই দুজনের সম্মতিতে এই ভিডিও হয়েছে, তাদের যদি খারাপ না লাগে তবে আমাদের কেন লাগবে । কথায় জোরালো যুক্তি আছে ! মেয়েটাকে দেখতে না পেয়ে হতাশ মনে রুমে চলে আসলাম ।
.
একটা বিষয় মাথার মধ্যে থেকে সরাতে পারছি না, মেয়েরা আসলেই কি অনেক বেশি আবেগি, নাকি অনেক বেশি বোকা ! মাঝে মাঝে বোকা ভেবে ভুলও করি । মেয়েটাকে নিশ্চয় ছেলেটা বিয়ের প্রলোভন দেখাইছে, নইলে বিষয়টা এতদূর গড়াত না । আচ্ছা, ধরেন আপনি দোকানে গেলেন, তারপর দোকানদারকে বুয়েটের আইডি কার্ড দেখিয়ে বললেন, মামা আমি বুয়েটে পড়ি, আমারে একটা ২লিটার সেভেন আপ দেন । বুয়েট থেকে বের হলেই বিশাল একটা চাকরি করুম, আমি চাকরি পাইলেই আপনার টাকা দিয়া দিব । আপুরা, বলেন তো, দোকানদার আপনারে জিনিশ দিবে ?
বুঝেই ফেলেছেন, মাথা খারাপ দোকানদারও দিবে না । তাহলে একটা ছেলে আপনাকে বুঝাইল, সে আপনাকে খুব ভালবাসে, আজ না হয় কাল আপনাকে ঠিকই বিয়া করবে, ওমনি গলে গেলেন ??? একটুও ভাবার প্রয়োজন মনে করলেন না, আপনার শরীর পাওয়ার পর, সে আর আপনার থাকবে কি না !
বিশ্বাস করেই প্রেম করেছেন, ভালবেসেছেন, ঠিক আছে । একটা মানুষকে ভালো লাগতেই পারে, তাই বলেই তাকে সব দিয়ে দিতে হবে ??
আমার এই কথাগুলো হয়তো কোন কাজেই আসবে না, শুধু শুধু আমার মূল্যহীন এমবি আর সময় নষ্ট । তবুও ওই ভিডিওটাই আমার লিখার শক্তি । এটা পড়ে যদি ২/১ জনও তার নিজের অবস্থান বুঝতে পারে তবেই আমি সার্থক ।
আমি একজন ছেলে হয়ে বলছি, যে ছেলে আপনার সাথে বিয়ের আগে শারীরিক সম্পর্ক করবে সে এখন আপনাকে যতই ভালবাসুক, সে কখনই আপনাকে বিয়ে করবে না, করবে না, করবে না । যে আপনাকে সত্যি সত্যি ভালবাসবে সে কখনো আপনার সাথে শারীরিক সম্পর্ক করতে চাইবে না, তবুও যদি আপনার প্রেমিকের খুব বেশি পিনিক উঠে, তাহলে তাকে ৩ টি প্রশ্ন করবেন !
(১) আমাকে বিয়ে করবে ?
উত্তর আসবে "অবশ্যই করবো"
এরপর (২) প্রশ্ন, 'কবে করবে' ?
উত্তর হলো "কয়েকবছর পর বা কিছুদিন পর বা আমি প্রতিষ্ঠিত হবার পর"
এরপর (৩) কয়েকবছর পর যখন করবেই, এখন করতে ক্ষতি কি ! বিয়েটা করেই যা খুশি করো !!
তারপর দেখেন 'কেমন মজা লাগে'
.
সবসময় মনে রাখা উচিত যে, সব ছ্যাকাখোর গল্পের পিছনেই একটা রোমান্টিক গল্প থাকে । আপনি এখন বাংলা সিনেমার মাঝে অবস্থান করছেন, পরিণতি আপনার অজানা, অপেক্ষায় থাকেন, প্রেম-ভালবাসা জীবনের ঐচ্ছিক অংশ, তবে একটু সাবধানে থাকলেই বা ক্ষতি কি !!
.
বি.দ্র: সবাই একই রকম না, এটাও একটা কমন ডায়লগ তবুও আলাদা কিছু আছে বলেই মানুষ এখনো টিকে আছে,, নইলে ডাইনোসরাসের মতো কবেই মানুষও পৃথিবী থেকে বিলীন হয়ে যেত !!!
শুভকামনা রইল আপনার প্রতি, আর আপনার ভালবাসার প্রতি রইল বিনম্র শ্রদ্ধা !!!

সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই জুন, ২০১৬ বিকাল ৪:৪১
৩টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মাদ্রাসা শিক্ষা একটা কর্মবিমুখ শিক্ষা

লিখেছেন ধূসর সন্ধ্যা, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৮:১৫

এদেশের মাদ্রাসা শিক্ষারে আপনি একটা স্ক্যাম হিসেবে ধরতে পারেন। মাদ্রাসার বোর্ডের নিয়ন্ত্রণে যে মাদ্রাসাগুলো আছে সেগুলো বাদ দিয়ে অন্য সব মাদ্রাসাই এই স্ক্যামের ভেতরে। এটা একটা ভিক্ষার সাইকেল, দারিদ্র্য'র দুষ্টু... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঝর্ণা জল

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১১:২১


আমি ব্যস্তবতা দেখি
পানকৌড়ির সাঁতার-
কল্পনায় শুধু স্বপ্ন আঁকি,
মধ্যবিকাল ঢেউ তোলা সাগর
হতাশা ডিঙিয়ে যায়- নিরিবিলি
রাত দুপুরের বাসর।

উড়ে ধোয়া, নিঃশ্বাসে সাদা বক,
খেলা করে যে, প্রণয়ের চক-
নীল মেঘ ভীর জমায়, বর্ষা কাঁদাময়,
ভোরের ক্লান্তি দেখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

নিশীথের মুঠোয় - কেয়া ।

লিখেছেন দানবিক রাক্ষস, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:১৪



আমি সূর্যোদয়ের অপেক্ষায়,
হিমশীতল সকালের ভেতর নত চোখে চেয়ে আছি।
হিমার্ত জানালায় জমে ওঠে নিঃশ্বাসের মেঘ—
আঙুল বুলিয়ে মুছে দিই;,
যদিও জানি, আজ সেখানে তোমার পদচিহ্ন নেই।

শরতের বৃক্ষেরা পত্রমোচনের ভাষা জানে;
আমি কেবল তোমার... ...বাকিটুকু পড়ুন

জিম করা কি হারাম?

লিখেছেন চারাগাছ, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:০৬




জিম করা কি হারাম?

হ্যাঁ, জিম করা হারাম!

যদি জিমে গিয়ে নিজের পেশিবহুল বাহুডোরে কোনো ললনাকে জড়িয়ে ধরেন!

কিন্তু তারপরেও কথা থাকে।

এখানে জড়িয়ে ধরাটা হারাম। জিম করাটা নয়!

অর্থাৎ, জিমে গিয়ে শরীর... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রচন্ড রোদে

লিখেছেন সাইফুলসাইফসাই, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:০০

প্রচন্ড রোদে
সাইফুল ইসলাম সাঈফ

রূপসী এদিক ওদিক কী খুঁজো
মনের মতো কাঙ্ক্ষিত পুরুষ
এভাবে সোনালি কতোদিন বিনষ্ট করবে
আমায় একটু ভেবে দেখো।
শূন্য হৃদয় নিয়ে কেঁদে মরি
কেউ নেই পাশে, গেছে সবাই ছাড়ি।
দরিদ্র বলে জুড়েনি তাই... ...বাকিটুকু পড়ুন

×