somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

বাউন্ডুলে মাইনুল
আমি খুবই সাধারণ একজন। nতবে মাঝে মাঝেই ইচ্ছে হয়, অসাধারণ কিছু করার।

"একটি গোপন সাক্ষাৎকার "

০৯ ই জুন, ২০১৬ সকাল ১০:৪০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""
কোপা আমেরিকা ঘিরে,
রাজধানী ঢাকাসহ দেশের
বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে।
তুলে ধরছি কিছু জনমত,
তবে কেউ কেউ আবার
হতেও পারেন দ্বিমত।
চলুন শুনে আসি কে কি বলছে........
.
বিশিষ্ট চিন্তাবিদ সদ্য এ+ প্রাপ্ত
ঝন্টু মিয়া বলেছেন,
"আমি ফুটবল খেলা বুঝিনা,
হুদাই ফাল পারি (লাফালাফি করি)
এর ইংরেজি অনুবাদ হল-
I am a BRAZIL fan.
.
আরেক দার্শনিক আউলা খাঁন
উদাস ভঙ্গিতে বলেছেন,
"আর্জেন্টিনার সাদা আর আকাশী পতাকা
দেখলে, মনটাকে আকাশের মত বিশাল আর
ধবধবে শাদা মনে হয়।
আর ব্রাজিলের পতাকা দেখলেই কেন যেন,
ওরস্যালাইন, বেবীজিংক আর বাচ্চাদের
ডাইরিয়ার কথা মনে পড়ে যায়।"
তবে এসময় তার চোখেমুখে আকুল এবং
বেদনাদায়ক একটা ভাব ফুটে উঠে
অনেকটা আমাশয় রোগীদের মত।
.
এদিকে রমিজ মিয়া নামে
হালধারার এক হালচাষী,
যিনি দুনিয়ার খবরও রাখেন পাশাপাশি।
তিনি মন্তব্য করেছেন,
"ব্রাজিলের খেলোয়াড়রা মাঠে যেমন করে
লাইথ্থালাথ্থি করে,
আমার হালের বলদ ও মাঝেমাঝে
গোয়াল ঘর থেকে চমকে উঠে। "
এসময় তার চোখেমুখে প্রচন্ড ভয় দেখা যাচ্ছিলো।
.
তবে ভিন্নমত পোষন করেছেন
পাড়ার বড়ভাই কালা কুদ্দুস।
তিনি বলেছেন,
"ব্রাজিলের খেলা মানেই টানটান উত্তেজনা,
ওদের এ্যাটাকিং খেলা এবং এ্যাকশনগুলো
খুবই নান্দনিক এবং রোমাঞ্চকর।
চোখ সরানোর কোন উপায় নেই,
চোখ সরালেই দেখা যাবে প্রতিপক্ষ দলের কোন
খেলোয়াড় হয়তো ল্যাং খেয়ে পড়ে গেছে।
তিনি আরও জানান...
ইতোমধ্যে তিনি ব্রাজিলের কয়েকজন খেলোয়াড়ের নাম
তার কালাবাহিনীর
সদস্য তালিকায় যোগ করেছেন।
যারা এ্যাটাকিংয়ে সবার সেরা।
.
রাজধানীর চানখাঁরপুলের আরেক
খুচরা মাস্তান #কান_খাঁ বলেছেন,
"আমি কয়দিন আগে একটু হাতাহাতি
আর মারামারি করছিলাম,
তাতেই আমার ৩৬ দিনের জেল হইছে,
আর #নেইমার যে এতো মারে,
আজ পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে কোন শালা
মামলা করে নাই, জেল ও হয় নাই। "
.
তবে সবচেয়ে ভয়ংকর এবং আত্মঘাতী
মন্তব্যটি এসেছে সাম্প্রতিক কালের আলোচিত ব্যাক্তিত্ব
জুনায়েদের মুখ থেকে।
অত্যন্ত ক্ষোভের সাথা জুনায়েদ বলেন......
"ব্রাজিলের খেলোয়াড়রাই নয়,
ব্রাজিলের যত সমর্থক আছে,
সবকয়টা #গুটিবাজ ।
.
(বিঃদ্রঃ- ব্রাজিলের সমর্থকদের বলছি,
পাছে লোকে কিছু বলে, এসব একদম
মাথায় নিবেন না।
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই জুন, ২০১৬ সকাল ১০:৪৩
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

শেখ হাসিনা ও তাঁর মন্ত্রীবর্গের দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত নয় কি?

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২৩ শে জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৪

"হে কাবা! তুমি কতই না উত্তম, তোমার সুঘ্রাণ কতই না চমৎকার! তোমার মর্যাদা কতই না মহান! তবে সেই সত্তার শপথ, যাঁর হাতে মুহাম্মদের প্রাণ! নিশ্চয়ই আল্লাহর কাছে একজন মুমিনের জান,... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্পর্শে_ _ _ _ _

লিখেছেন মায়াস্পর্শ, ২৩ শে জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০০

-কি পাও আমার মাঝে ?
-দুটি চোখ।
যেখানে আমার সর্বসুখ নিহিত,
ছমছমে সন্ধ্যা, ভয় জাগানিয়া অন্ধকার রাত,
এসব বৃথা হয়ে যায়,
তোমার একটি ছোঁয়ায়।
তোমার চোখের একটি পলক, আমার হাজার বছর,
আর কি... ...বাকিটুকু পড়ুন

মরীচকাি ও নক্ষত্র

লিখেছেন মহিউদ্দিন হায়দার, ২৩ শে জুন, ২০২৬ রাত ৮:১০


মেয়েটি অত্যন্ত শান্ত ভঙ্গিতে টিস্যু পেপার দিয়ে ঠোঁটের কোণ মুছে নিল। তারপর সরাসরি আমার চোখের দিকে তাকিয়ে অবলীলায় বলল, "নীল, আমি প্রেগন্যান্ট!"
আমি তখন চায়ের কাপে সবেমাত্র একটা অসতর্ক চুমুক দিয়েছি।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বেসুরো গলায় গান গাওয়ার অপরাধে

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ২৩ শে জুন, ২০২৬ রাত ৯:০৯


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বাংলা বিভাগের অধ্যাপক চৌধুরী মো. তাশরিক-ই-হাবিবকে একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে

যে কোন সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় পপুলিস্ট দিক ও ন্যায়বিচারের দিক উভয়ই খেয়াল রাখতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

নীল গ্রহের শেষ প্রেম // কেয়া এবং আমি।

লিখেছেন দানবিক রাক্ষস, ২৪ শে জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:১৯



আমি ভেসে আছি মহাশূন্যে।
আমার শরীরে রূপালী স্পেসস্যুট।
চারপাশে অসীম অন্ধকার।
আর আমার সামনে দূরে জ্বলছে এক নীলাভ-সবুজ গ্রহ—
Earth-666।
এই গ্রহেই আমার জন্ম।
এই গ্রহেই আমি প্রথম প্রেমে পড়েছিলাম।
আর এই গ্রহই আমার কাছ থেকে সবকিছু... ...বাকিটুকু পড়ুন

×