somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সতীত্ব হারা দেহের প্রতিটি ভাজে এখন শত শত পুরুষের গন্ধ

১৫ ই আগস্ট, ২০১৩ বিকাল ৫:৪৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


শেখ শান্ত: বেচারী তসলিমা নাসরিন যে সকল প্রগতিশীল কবি, লেখক ও বুদ্ধি জীবিদের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে নিজের নরম দেহকে যাদের ঠোটে তুলে দিয়েছিলেন তারা আজ অনেকেই তসলিমা নাসরিনের গায়ের গন্ধ নাকে নিয়ে কবরে শুয়ে আছেন । আর যারা বেচে আছেন তাদের অনেকের বয়সের ভারে নারী দেহের সাদ নেয়ার ক্ষমতা লিঙ্গ থেকে ঝরে গেছে বসন্তের পাতার মত . . .মাঝে থেকে তসলীমা নাসরিন তার মাঝ বয়সী যৌন পিপাশক্ত যৌবন নিয়ে পড়েছেন বিপাকে । সতীত্ব হারা দেহের প্রতিটি ভাজে এখন শত শত পুরুষের গন্ধ . . . তার গায়ের মৃদু রেখা আজ যে কত পুরুষের চেনা . . আদিম যুদ্ধে ক্লান্ত দেহের কোমল অংগ তার ঝুলে পরেছে

পেটের দায়ে রাতের মেয়েরা নিজের দেহকে পরপুরুষের হাতে তুলে দেয় অপবিত্র করতে, খদ্দের তার পয়সা উসুল করে কড়ায় গন্ডায়, একদল নারপশুদের যৌন ক্ষুধা মিটে তার দেহে. . . আর্তনাদ গুলো তার রাতের আধারে গলে যায় . . . কিন্তু তসলীমা কেন তার দেহ দিল ? এ বয়সের মেয়েরা সুই শুতা রান্না বারি কান্না কাটি নিয়ে থাকতে পছন্দ করে , ছেলে মেয়ে কে নিয়ে সপ্ন দেখতে পছন্দ করে, স্বামীর গলা ধরে আহলাদ করতে আর সংসারের ঝুট ঝামেলা নিয়ে ভাবতে পছন্দ করে . . . যা তার একটিও নেই , হবেওনা কোন দিন , যারা এতদিন তার পায়ের গোড়ালী থেকে ঠোট পর্যন্ত যৌবন টুকু চেটে পুটে খেয়েছে তারা তাকে সমাজের আরালে একান্তে বিছানায় পেতে চায়, সে প্রগতিশীলরা তাকেকি একটা সমাজ শিকৃত বৈধ সন্তান দিবে ? দিবেকি তারা, তার দেহে প্রবাহিত তাদের হাজারও অন্যায় বীর্জপাত হতে শুধু এক ফোটা বীর্জের পরিচয় ? না , দিবে না ! তসলিমা যা হারিয়েছে তা আর কখনও ফিরে পবে না । তাইতো কুমারী আর স্বতী নারীদের সে আহবান করে তার মত নগ্ন জীবন জাপনের, লেজ কাটা শিয়াল চায়না কারোর লেজ থাকুক,

তসলীমার জীবন ইতিহাস পরলে জানা যায় সে তার রক্তের আত্মীয় দ্বারা অত্যান্ত মর্মান্তিক ভাবে ধর্ষীতা হয়েছে , তাকে ধর্ষন করেছে তার আপন চাচা, যাকে দেখতে তার অবিকল বাবার মত দেখাত . . . সেখান থেকেই তার পুরুষ মানুষকে ঘৃনা করতে শেখা . . আর এর শুযোগ নিয়েছে বাম পন্থী কিছু বুদ্ধিজীবি, লুটে পুটে খেয়েছে তার যৌবন, খাবলে খুবলে সাদ নিয়েছে এক দুঃখী সরল ছোট্ট মেয়ের দেহটির . . . আর তাকে বুঝিয়েছে এই তো জীবন . . .

তার আর ফিরে যাওয়ার পথ নেই ! সে নগ্ন হয়ে নাচতে নেমেছে. . . তার গায়ের মৃদু রেখা আজ সকলের চেনা . . কি হবে আর ঘোমটা দিয়ে ? কিন্তু তার যে ঘোমটা দিতে ইচ্ছে হয় , স্বামীর কাছে অহলাদী সুরে বায়না ধরতে ইচ্ছে হয় . . . কিন্তু কোন পুরুষ কি চাইবে একটি রাতের মেয়েকে তার ঘরনী করতে ? যে তার শত পুরুষের গ্রাসে সতীত্ব হারিয়েছে . . .

যে প্রগতিশীলরা তার দেহকে নিয়ে খেলেছে দিনের পর দিন বিনিময় তাকে উপাধি দিয়েছে “মুক্তমনা” কই তাদের কোন মেয়েকে তো মুক্তমনা হতে দেয়নি ! তাদের সংসার আছে , আছে ঘর কন্যার সব কিছু . . . এ পথ কি তাহলে সর্বনাশের ? দেহ দিয়েছি, দেশ ছেড়েছি, কিন্তু কি পেয়েছি ?

এত দিন পর সে বুঝেছে .. সেই তথাকথিত প্রগতিশীলদের কাছে সে ছিল মাত্র এক খন্ড মাংস পিন্ড , প্রান হীন. . . নিথর . . বীর্জ সংক্ষলনের টয়লেট . . . ।
কপি পেস্ট টু http://news.zoombangla.com/?p=17598
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই আগস্ট, ২০১৩ বিকাল ৪:৫৪
২টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

Will you remember me in ten years!

লিখেছেন করুণাধারা, ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ৮:৫৫



উপরের ছবিটি ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে একজন ব্লগার তার এক পোস্টে দিয়েছিলেন। জানতে চেয়েছিলেন দশ বছর পর কেউ তাকে মনে রাখবে কিনা!! গতমাসে এই পোস্ট যখন আমার নজরে এলো, হিসাব... ...বাকিটুকু পড়ুন

মানুষ

লিখেছেন বিপ্লব০০৭, ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ৯:৫৭



মানুষ আসলে কী?

Sophies Verden কেতাবে নরওয়েজিয়ান ইয়স্তেন গার্ডার (Jostein Gaarder) এক বিশাল বয়ান পেশ করেছেন ছোট্ট মেয়ে সোফির জীবনের গল্প বলতে বলতে। নীতি-নৈতিকতা, জীবন-জগৎ, সৃষ্টি নিয়ে সোফির ধারণা ছিলো... ...বাকিটুকু পড়ুন

শোনো হে রাষ্ট্র শোনো

লিখেছেন রানার ব্লগ, ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:০২


নিশ্চল শহরে আজ ক্ষুধারা হাঁটে পায়ে পায়ে
ফুটপাথে শুয়ে রয় ক্ষুদার্ত মুখ।
চালের বস্তার সেলাই হয়নি ছেড়া,
রুটির দোকানে আগুন ওঠেনি জ্বলে।
ক্ষুদার্ত আধার জাপটে ধরে আষ্টেপৃষ্টে।

আমার চোখ লাল, ভেবো না নেশায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজব পোশাক

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১:৪৬


এক দেশে ছিল একজন রাজা। রাজার হাতিশালে হাতি, ঘোড়াশালে ঘোড়া। সিপাহী-সামন্ত লোকলস্করে রাজপুরী গমগম। রাজার ধন-দৌলতের শেষ নেই। রাজা ছিল সৌখিন আর খামখেয়ালি। খুব জাঁকজমক পোশাক-পরিচ্ছদ পরা তার শখ। নিত্যনতুন... ...বাকিটুকু পড়ুন

নির্বাচনী অঙ্গীকার চাই ফুটপাথ ফেরাও মানুষের কাছে

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৯:৪৬


ভোটের মিছিলে কথা হয় অনেক
পোস্টারে ভরা উন্নয়নের ঢাক
কিন্তু বলো তো ক্ষমতাপ্রার্থী দল
ফুটপাথ কার এ প্রশ্নের কি জবাব?

ঢাকা ছোটে না, ঢাকা পায়ে হেটে ঠেলে চলে
শিশু, নারী, বৃদ্ধ সবাই পড়ে কষ্টের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×