পিলখানার বিডিয়ার সদর দফতরে নিহত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করছি।
কিন্তু বাংলাদেশবিরোধী ষড়যন্ত্রকারীরা সে কাজটি সুচারুভাবেই সম্পন্ন করতে পেরেছে। এর সাথে বিডিআর'র একশ্রেণীর রাষ্ট্রদ্রোহী জড়িত যে ছিল না তা নয়। কিন্তু ধীরে ধীরে স্পষ্ট হয়ে উঠছে যে, এই হত্যাকন্ড সম্পন্ন করার জন্য তাদের সাথে যোগ দিয়েছিল বাইরের ভাড়াটে খুনিরাও। একজন সেনাকর্মকর্তা জানিয়েছেন, গোলাগুলি শুরু হওয়ার পরপরই অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে বিডিআর'র দরবার হলের পাশে এসে দাঁড়িয়েছিল একটি ছাই রঙের পিকআপ ভ্যান। পোশাক পরিহিত সেই লোকেরাও অংশ নিয়েছিল এই কলিং মিশনে। মুখে লাল কাপড় বেঁধে তারা নির্দেশ দিচ্ছিল কাকে কাকে খুন করতে হবে। তদন্ত যদি সুষ্ঠ হয়, তদন্তের লক্ষ্য যদি জাতির সুরক্ষা হয়, তাহলে নিশ্চয় এক সময় রহস্য উন্মোচিত হবে। আমরা প্রকৃত সত্য জানতে পারব। পূর্বেই বলেছি যে, এই হত্যাকান্ডে বাংলাদেশের কারো লাভ হয়নি। তাহলে এই ষড়যন্ত্রমূলক হত্যাকান্ডে লাভ হলো কার.? তাদেরই লাভ হলো যারা আমাদের বাংলাদেশকে দেখতে চায় একটি অকার্যকর, দুর্বল, ভঙ্গুর ও ব্যর্থ রাষ্ট্র হিসেবে। ২০০৭ সালের ১২ ই জানুয়ারি বাংলাদেশে যে অসাংবিধানিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল তার পেছনেও ছিল বাংলাদেশবিরোধী এক বিশাল চক্রান্ত, যা জ্ঞানীমহলের নিকট স্পষ্ট। তখন অনেক বুদ্ধিজীবিদের মন্তব্য আমরা লক্ষ্য করেছি যে, সেনাসমর্থিত ওই সরকার যেন এমন কোন কাজ না করে যাতে জনগণ সেনাবহিনীকে তাদের প্রতিপক্ষ হিসেবে মনে করতে শুরুনা করে। কিন্তু সব ক্ষেত্রে সেই সরকার সুষ্ঠভাবে অগ্রসর হতে পারেনি। কোনো কোনো ক্ষেত্রে ষড়যন্ত্রকারীরা সেনাবাহিনীকে জনগণের প্রতিপক্ষ হিসেবে দাড় করিয়ে দিতে সক্ষম হয়েছে। বিডিআর বিদ্রোহীরা সেই সুযোগটুকু প্রথম দিকের কয়েক ঘন্টা ভালোভাবেই কাজে লাগিয়েছিল। তারা সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে এমন সব বক্তব্য দিতে শুরু করেছিল যে, মিডিয়া একতরফাভাবে সেগুলো প্রচারও করে যাচ্ছে। তখন অবশ্য অপর পক্ষের ভাষ্য নেয়ার মতো কোনো সুযোগ ছিল না। ফলে হত্যাকারীরা কিছুটা সময় কিচুই অন্ধকারে রাখতে পেরেছিল। তখন মিডিয়ার লোকেরা বুঝে উঠতে পারেননি যে, ধন্দের আড়ালে ষড়যন্ত্রকারীরা দেশের কী বিরাট সর্বনাশ করে যাচ্ছে। এদিকে আবার নিপুন খেলার অংশ হিসেবে ভিন্ন আয়োজনও করা হয়েছিল। এক দিকে সমরবিদ্রোহের রাজনৈতিক সমাধানের চেষ্টা, দিকে পরিকল্পিতভাবে বিডিআর'র সমর্থনে মিছিলের আয়োজন। সব কিছুই ছিল এই পরিকল্পনার অংশ। বিডিআর’র সমর্থনে আয়োজিত মিছিলের ছদ্মাবরণে ঘাতকরা মিশে যাচ্ছিল সেই মিছিলের মধ্যে। এভাবেই পালিয়েছে প্রকৃত অপরাধীরা মিছিলের ওপর ভর করে।
বর্তমান ক্ষমতাসীন সরকারের নিকট আড়াই লক্ষ কুয়েত প্রবাসী বাংলাদেশীদের প্রাণের দাবী হলো; সুষ্ঠ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ষড়যন্ত্রকারীদের মুখোশ উন্মোচন করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা। যাতে অদূর ভবিষ্যতে এমন অনাকাঙ্খিত ঘটনা না ঘটে। সাথে সাথে বিডিআর সদস্যদের হাতে শহীদ সেনা অফিসারদের রুহের মাগফিরাত কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করছি।
বিদায় বন্ধু
ইফতার করে আজ সন্ধ্যের দিকে একটু হাটতে আর চা খেতে বের হয়েছিলাম। বিগত কয়েকদিনের মতোই গিয়ে দেখি চায়ের রেস্টুরেন্ট আজও বন্ধ। উপায় না দেখে ছোট একটা দোকান থেকে মেশিনে তৈরী... ...বাকিটুকু পড়ুন
ডার্ক ওয়েব সংবাদ : অনুসন্ধানী রিপোর্ট
ডার্ক ওয়েব সংবাদ : অনুসন্ধানী রিপোর্ট এর সত্যতা কতটুকু ?
সাধারণ মানুষ জানতে চায় !

বাংলাদেশ কি বিক্রি হচ্ছে ডা*র্ক ওয়েবে ?
Redlineinvestigation নামে ডা*র্ক ওয়েবের কেবল ফাইলে চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট ফাঁস... ...বাকিটুকু পড়ুন
ইরান বনাম ইজরাইল আমেরিকা যুদ্ধ; কার কি লাভ?

২০০৬ থেকে আহমাদিনেজাদ ইজরাইলকে বিশ্বের মানচিত্র থেকে মুছে ফেলার হুমকি দিয়ে আসছে, আমেরিকা ২০০২ থেকে ইরানে হামলার প্ল্যান করছে, নেতানিয়াহু ৪০ বছর ধরে স্বপ্ন দেখছেন ইরানে হামলা করার। তো... ...বাকিটুকু পড়ুন
মিথ্যাবাদী কাউবয় "ট্রাম্প" এবং ইরান যুদ্ধের খবর

দিনের শুরুটা হলো ট্রাম্পের মিথ্যা দিয়ে। তিনি লিখলেন: "ইরানে সামরিক হামলা পাঁচ দিনের জন্য বন্ধ রাখা হচ্ছে, যা আলোচনার সাফল্যের ওপর নির্ভর করবে।" পরে জানা গেলো, ট্রাম্প যথারীতি মিথ্যা... ...বাকিটুকু পড়ুন
আমার হারিয়ে যাবার গল্প
তোমাকে আমি কোথায় রাখি বলো,
চোখের ভিতর রাখলে
ঘুম ভেঙে যায় বারবার,
বালিশের নিচে রাখলে
স্বপ্নে এসে কাঁদো।
তুমি কি জানো
আমার এই শরীরটা এখন
পুরোনো বাড়ির মতো,
দরজায় হাত দিলেই কেঁপে ওঠে,
জানালায় হাওয়া লাগলেই
তোমার নাম ধরে ডাকে।
আমি... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।