লাইব্রেরীর সজ্জিত বই থেকে রবীন্দ্রসমগ্র নিয়ে অরিন স্পর্শের বিপরীতে বসলো ।স্পর্শ এতক্ষণ নিমগ্ন ছিলো শেষের কবিতায় ।সদ্য জাগ্রত অনুভূতির মৃদু কোলাহলে দলছুট হলো আপেক্ষিক নিমগ্নতা ।আড়চোখে তাকাতে কিছু রঙ মিশলো সে কোলাহলে ।এরপর মনের তুলিটা রাঙিয়ে গেল নিঃসঙ্গতার ধূসর দেয়াল ।দেয়ালের বুকে প্রণয়ের দেয়ালিকা সেঁটে মাঝে মধ্যেই দু চোখ যুগল এক সীমানায় মিলিত হচ্ছিলো ।
আর মন অরণ্যের শূন্যতা পূর্ণ হচ্ছিলো কিছু কল্পিত কথামালায় ।ভাবনার গভীরে যেতে যেতে সময়টা ফেরার পথযাত্...রী হতে ব্যস্ত হচ্ছিলো।
অতঃপর চোখের কথন ফুরালো ।ল্যাবের কীবোর্ডে আঙুল রেখে ইশারার ভাষায় কথা হচ্ছিলো ।হৃদয়ে প্রণয়ের আহবানে ইশারাকে ছুটি দিয়ে হৃদয়ের ধ্বনিতে কথা হলো ।আর কিছু লাজুক আবেশ রইলো সংগোপনে ।
কিছুকাল পর একসাথে ল্যাব এ আসা,কফি হাউসে যাওয়া আর কিছু আলাপন মনে গেঁথে রাখা ।
সমসাময়িক জীবনের এই চেনা প্রহরে কফির টেবিলে দুটি হাত একে অপরকে বলতে চায় না বলা কিছু কথা ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


