পাঁচ: ( কথন হবে সেই বন্ধুত্ব?)
অনেক দিন পর আমার হাই স্কুলের এক বান্ধবীর সংগে ফোনে অনেক্ষণ ধরে অনেক কথা হলো। অনেক অনেক গণ্প। পুরানো দিনের বহু স্মৃতি ভাগাভাগি করলাম ফোনে। কারণ আমরা সবাই এখন এত ব্যস্ত হয়ে গেছি। কবে আবার দেখা হয়। তাই মোটামুটি সব আলাপ ফোনে সেরে নিলাম।
এক সময় আমার বান্ধবী টি কেঁদে ফেললো। ”মজ্ঞু এখন আর এরকম বন্ধুত্ব নেই। একজন টিফিন বাটিতে আলু ভাজা আর ভাত নিয়ে গেলে টিফিনে সবাই মিলে এক জায়গায় বসে তা ভাগ করে খাওয়া। এখন তো আমাদের ছেলেমেয়েদের আমরাই শেখাই ওর সাথে মিশ না, কেউ খাবার দিলে খেও না।স্কুল শুরু হলেই নিয়ে যেয়ে স্কুলে ঢুকিয়ে দেই আর ছুটি হলেই সংগে করে নিয়ে আসি। কথন হবে সেই বন্ধুত্ব?”
আমার এই বান্ধবীটি ভালো এ্যথলেটিক্স ছিল। ও থাকলে আর কেউ প্রথম হবার কথা ভাবতে পারতো না। একদিন স্কুল ছাপিয়ে জেলা পর্যায়ে তার নাম ফুটে উঠলো।
ওর মেজ মেয়েটি পড়ে আমরা যে স্কুলে পড়েছি, সেখানেই। আমি অতি আগ্রহ নিয়ে জিজ্ঞসা করলাম, ’তোর মেয়ে কি খেলাধুলায় তোর মতো হয়েছে?” ও উত্তর দিল, ”খেলে ভালো কিন্তু আমি খেলতে দেই না। কারণ পড়ে যেয়ে ব্যথা পায় কিনা, কেউ যদি ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয় তো আবার হাত পা খোড়া হয়ে পড়ে থাকবে।”(চলবে)

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

