somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

রাষ্ট্র - অভিভাবকদের প্রশ্নের জবাব দেন।

১৮ ই জুলাই, ২০২৪ রাত ১১:১৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

মোঘল ইন্ডিয়া ছিল বিশ্বের সবচেয়ে ধনী দেশ। পৃথিবীর মোট জিডিপির এক চতুর্থাংশ ছিল তখনকার ভারতে। বর্তমান আমেরিকা যা, তখনকার ইন্ডিয়া ছিল ঠিক তাই। আমাদের গোলা ভরা ধান ছিল, পুকুর ভরা মাছ। আমাদের দেশে বিভিন্ন দেশের লোকজন অন্নের সন্ধানে আসতেন। বিভিন্ন আরব সুফী, সাধুরাও এদেশে তখনই এসেছিলেন। আমাদের চেয়ে ধনী পৃথিবীতে তখন আর কোন দেশ ছিল না।

রুটি ছিটালে যেমন ইঁদুর আসে। সম্পদের লোভে বণিকের ছদ্মবেশে ব্রিটিশরা ইন্ডিয়ায় এলো। ব্যবসা করার অনুমতি চাইলো, কিন্তু লোভটা ছিল রাজগদির দিকে। সামান্য এক কোম্পানি থেকে ওরা আস্ত দেশ দখল করে ফেলল। এ এক আজব সময়! একটা কোম্পানি একটা দেশ চালাচ্ছে, কোম্পানির নিজস্ব সেনাবাহিনী, নিজস্ব শাসন ব্যবস্থা।
কোম্পানি মাত্রই মুনাফা দেখে। ওরাও সেটাই দেখতো। কোটি কোটি টাকা পাচার হতে শুরু করে ব্রিটিশ ইন্ডিয়া থেকে।
একশো বছর পরে ইংরেজ সরকার কোম্পানি থেকে ক্ষমতা বুঝে নেয়। কিন্তু সম্পদের লুট ঠিকই চলতে থাকে।
যে দেশে একসময়ে খাবার খেতে বিদেশ থেকে মানুষ আসতো, সেই দেশ খাদ্য সংকটে ভুগলো। লাখে লাখে মানুষ অনাহারে মারা গেল।
আমাদেরকে বুঝানো হলো ব্রিটিশরা বিদেশী শক্তি, ওদের তাড়ালে আমাদের সুখ স্বাচ্ছন্দ ফেরত আসবে।

স্বদেশী আন্দোলন জোরদার হয়। মানুষ নিজের জীবনের পরোয়া না করে ব্রিটিশ খেদাও আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়ে। হাসিমুখে প্রাণ দিতে থাকে তরুণেরা। বুড়োরা সত্যাগ্রহ বেছে নেয়। ব্রিটিশরা যখন বুঝতে পারে আর ক্ষমতা ধরে রাখা সম্ভব না, ওরা পালিয়ে যায়।

জন্ম হয় ভারত ও পাকিস্তানের।

আমরা তখন পাকিস্তানের অংশ, পূর্ব পাকিস্তান।
শিক্ষিত জাত হিসেবে বাঙালির কদর সেই ব্রিটিশ আমল থেকেই ছিল। স্বাধীনতা যুদ্ধে সামনে থেকে নেতৃত্বে ছিল এই বাঙালিরাই। অথচ স্বাধীন হওয়ার পরে রাজধানী, ক্ষমতা সবই ছিল ঐ মাথামোটা পশ্চিম পাকিস্তানিদের হাতে। ওরাও আমাদের প্রতি তেমনই আচরণ করলো যা ব্রিটিশরা করতো। আমাদের সম্পদ বিদেশে বিক্রি করে আমাদের না দিয়ে তা ব্যয় হতো পশ্চিম পাকিস্তানে। শুধু বাঙালি হওয়ার অপরাধে নিজের দেশেই আমরা ছিলাম সেকেন্ডক্লাস সিটিজেন।

আবার আমাদের বুঝানো হলো, "পাকিস্তানিরা বিদেশী শক্তি। ওরা আমাদের লুটে নিয়ে যাচ্ছে। ওদের খেদাও!"

আমরা ওদের ঝেটিয়ে বিদায় করলাম। রক্তক্ষরণ হলো বটে, তবু আশায় বুক বাঁধলাম, এখন আমরা নিজেরাই নিজেদের দেশ চালাবো! আমরা স্বাধীন!
আমাদের চোখে স্বপ্ন ছিল। একদম শূন্য থেকে শুরু হবে জাতি গঠন। শিক্ষা, প্রগতি, সাহিত্য সবদিক দিয়ে আমরা বিশ্বের তামাম দেশের চোখ কপালে তুলে দিব। আমরা হবো "বাংলাদেশ" - বিশ্ব অবাক তাকিয়ে দেখবে আমরা কি করে দেখাতে পারি!
যে মা সন্তান হারালো, যে নারী স্বামী, বা যে পুরুষটি যুদ্ধ শেষে বাড়ি ফিরে দেখে ওর কিছুই অবশিষ্ট নেই - সেও বুকের ভিতর থেকে উল্লাস করে বলল, "জয় বাংলা!"
স্বাধীনতা রক্ত চায়, আমরা রক্ত দিয়েছি। এবার সব শোধের পালা।

কিন্তু শুরুতেই আমরা ধাক্কা খেলাম।
শুরুতেই সবাই বেইমানি শুরু করলো। শেখ মুজিবুর রহমান নিজেই বললেন "লোকে পায় সোনার খনি, আমি পেয়েছি চোরের খনি।"
কাকে বিশ্বাস করবেন তখন? মুক্তিযোদ্ধা থেকে শুরু করে সবাই, যেই আসছে, সেই লুটে খাচ্ছে। যে সাধু সাজছে, সে সুযোগের অভাবে চুরি করতে পারছে না বলেই সাধুগিরি ফলাচ্ছে। এগুলি আমার বানানো কথা না, তখনকার দিনের ফ্যাক্ট।
এদিকে ক্ষমতায়তো ব্রিটিশও নেই, পাকিস্তানীও নেই - এখন কার উপর লুটের দায় চাপানো যাবে? এখনতো সব নিজের লোকেরাই লুটছে!
স্বাধীন বাংলাদেশের সম্পদ সেই ৭১ এর পর থেকেই লুট হচ্ছে। নিজের দেশি ভাই ব্রাদাররাই লুটছেন। লোকজন নির্লজ্জের মতন চোখ টিপে দাঁত কেলিয়ে বলছেন "সরকারি চাকরিতে যাই, তারপরে সব পুষিয়ে দেব।"

হোসেইন মোহাম্মদ এরশাদের বিরুদ্ধে কয়েক কোটি টাকা দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল। সাবেক প্রেসিডেন্ট হিসাব দিতে না পেরে বলেছিলেন "এক প্লেট ভাত খেলে যেমন দুয়েকটা ভাত এদিকে ওদিকে ছিটিয়ে যায়, তেমনই কয়েকশো কোটি টাকার প্রজেক্টে কিছু টাকা এদিকে সেদিকে পড়তেই পারে।"
টাকার পরিমান ছিল মাত্র কয়েক কোটি। ওর চেয়ে বেশি টাকা লুটেছে বিসিএসের প্রশ্ন বিক্রি করা একটা ড্রাইভার। বাকি রাঘব বোয়ালরা তাহলে কি তান্ডব চালিয়েছে বুঝে নেন।
এরশাদ বোকা, মুখে স্বীকার করে ফেলেছে। ওকে জেল খাটতে হয়েছে। ভোটের রাজনীতির কারনে আওয়ামীলীগই ওকে পাশে রাখে বাকিটা জীবন ক্ষমতা ধরে রেখেছে। কিসের স্বৈরাচারী আন্দোলন আর কিসের কি? যারা এরশাদ পতনের আন্দোলনে রক্ত দিয়েছিল, ওদের আবেগের, ত্যাগের বিন্দুমাত্র পরোয়া না করে এই এরশাদের সাথেই হাত মিলিয়ে ক্ষমতায় ছিল আওয়ামীলীগ। আর ৭১ এ যারা বাংলাদেশেরই বিরোধিতা করেছিল, সেই জামায়াতে ইসলামীর সাথে হাতে হাত রেখে বিএনপি হেঁটেছে।
আর আমরা? আমরা দুর্নীতির খবরে এতটাই পাথর হয়ে গেছি যে এসব সামনে এলে এসব নিয়ে ট্রল করি। আমাদের বোধে আসেনা, এই যে অসুস্থ হলে আমাদের বিদেশে ছুটতে হয়, দুর্নীতি না হলে আমাদের চিকিৎসা ব্যবস্থা হতো থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুরের মতন।
উচ্চশিক্ষার জন্য এই যে আমরা বিশ্বের বিভিন্ন ইউনিভার্সিটিতে যাই, দুর্নীতি আর ছাত্র রাজনীতি না থাকলে বিদেশীরাই আমাদের দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে আসতো। আমাদের স্থান হতো বিশ্বের সেরা একশো বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায়।
যে বাণিজ্যের টানে ব্রিটিশরা আমাদের দেশে এসেছিল, আমরাই বিদেশিদের বাড়িতে ডেকে এনে চাকরি দিতাম। কষ্ট করে প্রবাসী হতে হতো না।
আজকে সিঙ্গাপুর বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল শহর। সেখানে রিয়েল এস্টেট থেকে শুরু করে যেকোন কিছুই আকাশচুম্বী। আমেরিকানরা গিয়েও মাথায় হাত দিয়ে বলে, "একটা সাধারণ বার্গারের দাম পঞ্চাশ ইউএস ডলার! ওখানে লোকজন বাঁচে কিভাবে?" কারন ওদের আয়ও তেমন। আমাদের ঢাকা, চিটাগং, সিলেট ইত্যাদি শহরগুলোও তেমনই হবার কথা ছিল। লোকজনকে মিথ্যা অভিযোগের সুরে বলতাম "এসব শহরে এখন আর থাকা যাবে না, এত এক্সপেন্সিভ হয়ে গেছে!" কিন্তু মনে মনে ঠিকই একটা গর্বের হাসি হাসতাম।
অথচ আমাদের দ্রব্যমূল্যের উর্দ্ধগতি দেখে লাভিশ্বাস উঠে। কারন আয়তো বাড়ে না।

কত স্বপ্ন যে ছিল! এসবের কিছুই হয়নি। সব চোর নিজের সম্পদ বৃদ্ধিতে পরিশ্রম করেছে।

আগে দেশের সম্পদ লুট করে দেশের ব্যাংকেই থাকতো। চোরেরা দেশেই জমি বাড়ি ইত্যাদি কিনতো।
এখন চোরেরা বিদেশেও ব্রাঞ্চ খুলেছে। কোটি কোটি টাকা বিদেশে পাচার হচ্ছে। দেশি ব্যাংকগুলো লিকুইডিটি সংকটে ভুগছে। দেশে ডলার কেনা যায়না, রিজার্ভে ডলার কমে গেছে। ৮৫ টাকা ডলারের দাম এক লাফে কয়েক মাসের ব্যবধানে ১১৭তে গিয়ে ঠেকেছে। কি অবিশ্বাস্য ঘটনা! লুটের খবর প্রচার হওয়ার সাথে সাথে চোরেরা বিদেশে পালিয়ে যাচ্ছে। সরকার ওদের ধরবে কি? সরকারতো ওদেরই আপনা লোক।

এদিকে সাধারণ পাবলিকের অবস্থা যা ছিল তাই রয়ে গেছে।

আমরা কষ্ট করে টাকা উপার্জন করি। ট্যাক্স দেই। ট্যাক্সের টাকা আমাদেরই কল্যানে ব্যয় হওয়ার কথা। কিন্তু ট্যাক্সের কর্মকর্তা সেই টাকায় মাল্টিপল সংসার করে, ওর পোলা লাখ টাকার পশু কোরবান দেয়, কোটি টাকার গাড়ি চরে। কন্যা বিদেশে বিলাসবহুল জীবন কাটায়। সেগুলো কিন্তু আমাদেরই টাকা। আমার আপনার টাকা লুটে নিয়ে এই আয়েশি জীবন কাটাচ্ছে ওরা।
যেকোন কাজ করাতে হলে আমাদের ঘুষ দিতে হয়। অথচ ট্যাক্সের টাকায় অলরেডি সে বেতন পাচ্ছে। আমার পকেট থেকে দ্বিগুন টাকা বেরুচ্ছে। কিছুই করার নাই।
কিছু বলতে যাবেন, আপনাকে ট্যাগ দিয়ে দিবে "স্বাধীনতা যুদ্ধের পরাজিত শক্তি।"
অথচ স্বাধীনতা যুদ্ধের পক্ষের শক্তি যে দেশ লুটে ফেলছে, তাতে কোন বিকার নেই।

৫২এর ভাষা আন্দোলনে কয়টা স্টুডেন্ট মারা গিয়েছিল? সালাম, রফিক, বরকত, জব্বার, শফিউর। কারফিউ ভেঙ্গে রাজপথে নামার পরেও মাত্র পাঁচজন। ধরলাম আরও কয়েকজনের মিসিং গেছে। সেফটির জন্য ধরে নিলাম ১০। আমাদের বাচ্চারা কি কারফিউ ভেঙেছিল?
৬৯এর গণঅভ্যুত্থানে কয়জন নিহত হয়েছেন? সেটা এশিয়ার লৌহ মানব হিসেবে কুখ্যাত আইয়ুব খানের আমল - মিলিটারি শাসন। সেখানেও আমরা মনে করতে পারি কেবল আসাদ, মতিউর রহমান, ড. শামসুজ্জোহা ও সার্জেন্ট জহুরুল হকের নাম। বাকি আরও অনেকেই নিহত হয়েছিলেন হয়তো, সেফটির জন্য কত ধরে নিবেন? ২০?
আজকে শুধু প্রথম আলোর হিসাবেই নিহত ছাত্রের সংখ্যা ১৯ - ফেসবুকে বিভিন্ন সোর্স বলছে আসলে মৃতের সংখ্যা পঞ্চাশের বেশি। ওরা কেউ কারফিউ ভাঙেনি, ওরা কেউ মিলিটারি শাসকের বিরুদ্ধে গিয়ে রাস্তায় নামেনি। ওরা ওদের গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ে পথে নেমেছিল।
"স্বাধীন বাংলাদেশে" "গণতান্ত্রিক" সরকারের সময়ে এতগুলো বাচ্চাকে মেরে ফেলা হলো - ফাজলামির কথা?
এখনকি আর ব্রিটিশ/পাকিস্তানী/বিদেশী মোয়া গেলানো যাবে?
"তুই বাংলাদেশী, চাকরি দিবি না ভাল কথা, তুই আমার বাচ্চাকে মারলি ক্যান?"
রাষ্ট্র - অভিভাবকদের প্রশ্নের জবাব দেন।
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই জুলাই, ২০২৪ রাত ১১:১৩
৪টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

সমুদ্রের থেকে সুন্দর আর কিছু নেই পৃথিবীতে

লিখেছেন সামিয়া, ১০ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২৭



ঢেউয়ের পরে ঢেউয়ে ঢেউয়ে ক্লান্ত কথা,
লোনাজলে রোদ্দুর রঙে মন রাঙে,
ডোবার আগে সূর্য যেমন একটু থামে,
এত পাওয়ার পর ও কেন হৃদয় ভাঙে।

বালির বুকে পায়ের ছাপে অস্থায়ী ঘুম,
পাথরের গায়ে লেগে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশের আন্ডারওয়ার্ল্ডের ডন সমগ্রঃ পর্ব ২

লিখেছেন গিয়াস উদ্দিন লিটন, ১০ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৩৪



আকবর শেঠ।



'বৈঠকি খুনের জনক' আকবর শেঠ এর জন্ম ১৯৫০ এর দশকে। আকবরের প্রথমদিককার জীবন সম্পর্কে তেমন কিছু জানা যায়না। আকবর শেঠ প্রথম লাইমলাইটে... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেখ মুজিব হল → ওসমান হাদি হল: নতুন বাংলাদেশের শুরু ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১১ ই জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:২৩


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শেখ মুজিবুর রহমান হল ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব নিয়ে দেশের শিক্ষাঙ্গনে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে। একদিকে ডাকসু নেতারা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট নাম... ...বাকিটুকু পড়ুন

সাত কোটি বাঙালির হে মুগ্ধ জননী রেখেছো বাঙালি করে মানুষ করনি‼️রবিন্দ্র নাথ সঠিক ছিলেন বঙ্গবন্ধু ভুল ছিলেন। বাঙালি আজও অমানুষ!

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ১১ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৮:১৩


১০ই জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু স্বাধীন বাংলাদেশের জনগন সহ সমগ্র বিশ্বের প্রতি যে নির্দেশনা। তা এই ভাষণে প্রতিটি ছত্রে ছত্রে রচিত করেছিলেন। ৭ই মার্চের চাইতেও গুরুত্বপূর্ণ ছিলো ভাষণের নির্দেশনাগুলো! কি অবলীলায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

জন্মের শুভেচ্ছা হে রিদ্ধী প্রিয়া

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১১ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:০১



জন্মের শুভেচ্ছা নিও হাজার ফুলের
শৌরভে হে রিদ্ধী প্রিয়া, তোমার সময়
কাটুক আনন্দে চির।স্মৃতির সঞ্চয়
তোমার নিখাঁদ থাক সারাটা জীবন।
শোভাতে বিমুগ্ধ আমি তোমার চুলের
যখন ওগুলো দোলে চিত্তাকর্ষ হয়
তখন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×