কয়েকদিন আগে ট্রেনে চেপে বাড়িতে গিয়েছিলাম।
সাথে ক্যাম্পাসের বড় ভাই।
তাদের একজন গত সোনালী ব্যাংক এর অফিসার পদের
প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় পাশ করলেও রিটেন এ পাশ করতে পারেন নাই।
ভাল, পাশ করেন নাই, না করতেই পারেন, এতে কোন সমস্যা নেই।
কিন্তু আমাকে বললেন,
সোনালী ব্যাংক! ওখানে তো সব টাকা দিয়ে প্রশ্নপত্র কিনে নিয়েছে, নাহয় খাতায় না লিখেই পাশ করেছে!
আমার রিটেন পরীক্ষা খুব ভাল
হয়েছিল, কিন্তু তারপরও আমার রেজাল্ট আসলো না,
বোঝো কি অবস্থা!
-তাই নাকি? ভাল!
কুড়িগ্রাম শহরে আমার দুই ফ্রেন্ডের সাথে অটোরিকশায় বাড়ির দিকে যাচ্ছি।
রাস্তার পাশে দেশবন্ধু গ্রুপের
একটা সাইনবোর্ড দেখলাম।
আমি এর মালিককে চিনি জানালে আমার এক
বন্ধু বলল,
-ঐ দেশবন্ধু গ্রুপের মালিক!! জানিস, ওনার আগের ঘটনা?
-কি?
-ওনি তো আগে দারোয়ান ছিলেন, পরে মালিকের বউয়ের
সাথে পরকিয়া করে তাকে বিয়ে করে সব সম্পত্তির মালিক হয়েছেন।
-তাই!! ভাল।
ডিপার্টমেন্টের এক বড় ভাই এর সাথে রাতে এক দোকানে বসে ভাত খাচ্ছি। তাকে বললাম, বেগম রোকেয়া ভার্সিটিতে পড়ুয়া আমার
পরিচিত এক ভাই এসেছিল, আপনার কথা বলছিল, আপনার নাকি স্কুল ফ্রেন্ড?
-ও, হুমম, আমার স্কুল ফ্রেন্ড। ও অবশ্য ঐ মানের ছাত্র না, ঐসময় জলিল সাহেব ভিসি ছিল, আসলে টাকা দিয়ে সে ওখানে চান্স পেয়েছে।
-তাই? ভাল!
প্রায়ই এরকম শুনতে হয়!
কাউকে কোন কিছু জিজ্ঞেস
করলে এরকম নেগেটিভ উত্তর পাই। হয়ত কারও নাম জিজ্ঞেস করলাম, তখন আসল কথা না বলে তাকে ছোট করে নিজেকে বড় করতে চাওয়ার প্রবণতা অনেকের মাঝেই লক্ষ্য
করি। নিজেকে সাধু বানাই! হয়ত আমার মাঝেও এটা রয়েছে!
অন্যকে কথায় ছোট করে, গীবত করে গৌরবের কিছু নেই বরং নিজের দোষ থাকলে তা অকপটে স্বীকার করাই গৌরবের.........

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





