মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,
আশা করি, ভাল আছেন। ভিষন ২০২০ এর পথে আপনার দীপ্ত পায়ে এগিয়ে চলার প্রশংসার না করলে নিজেকে অকৃতঙ্গ বলে মনে হবে। পদ্মা সেতু, কালনা ব্রীজ দক্ষিন অঞ্চল এর মানুষের ভাগ্য উন্নয়নের আগ্রীম সুবাতাস। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আমার পরিবার এর সুবাদে এবং জন্মস্থান নড়াইল হবার কারনে, রাজনীতি শব্দের সাথে পরিচয় হবার পূর্বে আওয়ামলীগ শব্দের সাথে পরিচয় । মনের ভিতরও একটা বিশ্বাস এদেশের উন্নয়ন শুধু মাত্র জাতিরপিতার আর্দশে আসা সম্ভব, শিক্ষিত নেত্রীত্বে। না, বাকি সবার মত আপনার গুন গান করতে আমি আজ লিখছি না। যেটা না বললেই নয় ততটুকুই বলা। আপনাকে একটা গল্প বলি তারপর একটা সুখবর দিবো। এক মধ্যবিত্ত পরিবার এর সন্তানের হার্টে (হৃদপিন্ড) ছিদ্র ধরা পড়ছে, তার পরিবার সর্বস্ব দিয়ে ছেলের চিকিৎসা করাবার অর্থ যোগাড় করল। কিন্তু সেই মুহুর্তে যদি কোন মন্ত্রি বলে যে এই অর্থের উপর ৭.৫% ভ্যাট দিতে হবে তবে ওই পরিবার এর অবস্থা কেমন হয়, সেটা আপনি আমার থেকে ভাল জানেন। আমি কি বোঝাতে চেয়েছি আসা করি আপনি বুঝতে পেরেছেন।
মধ্যবিত্ত পরিবার এর যে সব সন্তান বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় পড়ে তাদের পরিবার এর অবস্থা একি রকম। হয়তবা অনেকে বলবে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় মধ্যবিত্ত পরিবার এর সন্তান পড়ে না। যদি তাদের কথা মেনে নেন তবে সুখবর টা হল আপনার সপ্ন পূরণ হয়েছে। কারন যে দেশের ৬৩% উচ্চ শিক্ষা গ্রহণরত শিক্ষার্থী উচ্চবিত্ত পরিবারের সে দেশ কোন দিনও নিম্ন মধ্যবিত্তের দেশ হতে পারে না।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বাস্তবতাটা অনেক কঠিন। আমি বিশ্বাস করি, আজ যদি জাতিরপিতা বেচে থাকতেন, বা তাঁর আর্দশ কোন দিনও শিক্ষা ক্ষেত্রে ভ্যাট সমর্থন করে না, করতে পারে না। তাই এবিষয়ে আপনার হস্তক্ষেপ একান্ত কাম্য। ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় উচ্চশিক্ষিত জনশক্তির বিকল্প নেই। তাই আপনার কাছে বিনীত নিবেদন মধ্যবিত্ত পরিবার এর এসব সন্তান এর শিক্ষার পথ আর দুর্গম করবেন না!! অতি দ্রুত আপনার সরকার এবিষয়ে জনবান্ধব সিদ্ধান্ত নেবে বলে আশা করি।
বিনীত
আপনার এক হতভাগ্য সন্তান।
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:৩৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



