আমার ছেলে আয়ান, বয়স ৫, পড়ে নার্সারি তে। এই গল্পটা আমাকে কিছুক্ষন আগে বলল, তার নিজের বানানো।
“এক মাঝির গরু ছিল। মাঝি গরুকে খুব আদর করে, ঘাস খাওয়ায়। একদিন রাতে মাঝি ঘুমায়ে ছিল, ডাকাত এসে গরুর পা বেঁধে জবাই করে দিছে। রক্ত মাটিতে লেগে গেছে, তখন জীবাণুরা অনেক বড় হয়ে গরুর দড়ি ছাড়া সব খেয়ে ফেলছে। সকালে মাঝি উঠে দেখে গরু নাই।”
আমি (বিস্মিত, গল্প কোথায় যেয়ে থামবে চিন্তিত হয়ে): তারপর??!
“কিন্ত মাঝি ছাড়া বাংলাদেশের কেউ জানতনা যে মাঝির আরেকটা গরু আছে, ওইটা আরো সুন্দর আর বড়। ওই গরু মাঝির ঘরেই থাকে, বাইরে না। আর মাঝি যা করে গরুও তাই করে, একসাথে খায়, ঘুমায়” (আমি মনে মনে: মানে কি! গরু নাকি….)
আমি: তারপর?
“এরপর মাঝি ওই গরুকে বাইরে রাখসে। ডাকাত রা শুনছে আরেকটা গরু আছে। ওইটাও মারতে আসছে, তখন যেই না ডাকাত গরুর গলায় ছুরি দিবে, মাঝি লুকায়ে ছিল লাফ দিয়ে এসে ঘুশি মেরে ডাকাত রে মেরে ফেলছে! গল্প শেষ”
আমি: ঠিক আছে বাবা! ঘুমাও, কালকে স্কুল!
আয়ান: এই গল্পটা এখন ফেসবুকে দাও।
আমি: কেন??
আয়ান: এইখানে যতগুলা লাইক হবে, আমাকে ততগুলা জেলি চকলেট কিনে দিবা।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

