somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

শান্তিসেনাদের কঠোর মেধা, নিরপেক্ষতা, ন্যায় বিচার, সততা, সর্বোচ্চ দৃঢ়তা ও আত্মত্যাগে জাতিসংঘ শান্তি মিশনে জনপ্রিয়তা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী

২৪ শে আগস্ট, ২০১৪ বিকাল ৩:৫৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সশস্ত্র বাহিনী পাঠানোর দিক থেকে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ বিশ্বে সর্বোচ্চ শান্তিসেনা প্রেরণকারী রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃত। ১৯৮৮ সাল থেকে ইরান-ইরাক যুদ্ধে জাতিসংঘ পর্যবেক্ষক হিসেবে প্রথম দায়িত্ব পালন শুরু করেছিল বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী। শান্তিসেনাদের কঠোর পরিশ্রম, মেধা, নিরপেক্ষতা, ন্যায় বিচার, সততা, সর্বোচ্চ দৃঢ়তা ও আত্মত্যাগের কারণে জাতিসংঘ শান্তি মিশন এলাকার জনগণের কাছে জনপ্রিয়তা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে বাংলাদেশের সেনাবাহিনী। এজন্য বাংলাদেশ জাতিসংঘ শান্তি পুরস্কারও অর্জন করেছে। বর্তমানে বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের খাত শান্তি রক্ষা মিশন। বর্তমানে ১৭টি শান্তিরক্ষা মিশনে জাতিসংঘের আওতায় একই নীল টুপির নিচে দায়িত্ব পালন করছে। সর্বপ্রথম বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১৫ সদস্যের একটি দল ১৯৮৮ সালে পর্যবেক্ষক হিসেবে ইরাকে কাজ করার দুর্লভ সুযোগ পান। ঠিক যখন যুদ্ধের অগ্নিপিণ্ড জ্বলছে সমগ্র ইরাকে তখনই জাতিসংঘের আহ্বানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী গ্রহণ করে সেই কঠিন চ্যালেঞ্জ। আসছে ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘে বাংলাদেশের সদস্যপ্রাপ্তির ৪০ বছর পূরণ হবে। বর্তমান সরকারের স্বদিচ্ছা, দক্ষতা, একাগ্রতা, নিষ্ঠা ও বিশ্ব শান্তি উন্নয়নের প্রতীক বহন করে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে “বাংলাদেশ লাউঞ্জ” স্থাপনের অনুমতি মিলেছে। “বাংলাদেশ লাউঞ্জ” এর কার্যক্রম শুরু হলে শান্তি রক্ষা মিশনে কর্তব্যরত সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের কার্যক্রমে গতি যেমন বাড়বে তেমনি বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশের পরিচিতি আরও উচ্চাসীন হবে।
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

তাহসিফের মৃত্যু: খাতা আর টাওয়ার খুললেই যেসব প্রশ্নের উত্তর মেলে

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০১ লা নভেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:২৩



তাহসিফের মৃত্যু: খাতা আর টাওয়ার খুললেই যেসব প্রশ্নের উত্তর মেলে-

বিমান বাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে এম তাহসিফ সাউরির মৃত্যু এখন রহস্যের আরেক নাম। ২৭ অক্টোবর সন্ধ্যায় জুনিয়র বন্ধু... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইয়াংসান থেকে জুলাইয়ের নতুন বন্দোবস্ত

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ০২ রা নভেম্বর, ২০২৬ রাত ১:৩৯



Youngsan সিউলের ভিতরে আমেরিকান একটি মিলিটারি বেইস। মিলিটারি বেইসের ভিতরে বার্গার কিং, KFC, Macdonald সব আছে। কোরিয়ান ভিতরে সামরিক ঘাঁটি হলে ও মিলিটারি বেইসের ভিতরে প্রধান কারেন্সি ইউএস ডলার।... ...বাকিটুকু পড়ুন

দারিদ্র্য কি মানুষকে মহান করে তোলে?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০২ রা নভেম্বর, ২০২৬ রাত ১:৪৬


হুমায়ূন আহমেদ। বাংলাদেশের শেষ জনপ্রিয় লেখক। তিনি ছিলেন একাধারে একজন গুণী লেখক ও নাট্যনির্মাতা। হুমায়ূন আহমেদ সমুদ্রবিলাস নামে একটি নাটক নির্মাণ করেছিলেন। সেখানে একজন শিক্ষক ছিলেন, নাম চ্যালেঞ্জার। তাঁর... ...বাকিটুকু পড়ুন

গাধা উন্নয়ন প্রকল্প এবং একটি ভালো কলেজের গল্প

লিখেছেন মুনতাসির, ০২ রা নভেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:২৫

নটর ডেম কলেজে আমাদের সময় একটা প্রকল্প ছিল। নাম ‘অ্যাস ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট’, সংক্ষেপে এডিপি। বাংলায় বললে ‘গাধা উন্নয়ন প্রকল্প’। নাম শুনে মনে হতে পারে, কোনো প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন কর্মসূচি। বাস্তবে এটি... ...বাকিটুকু পড়ুন

DNA — ঈশ্বর এবং প্রশ্ন ?

লিখেছেন দানবিক রাক্ষস, ০২ রা নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:১২



১. ক্ষুধা
পৃথিবীর জনসংখ্যা বাড়ছিল, বাড়ছিল মানুষের খাদ্যচাহিদা; কিন্তু সীমিত জমিতে প্রচলিত পদ্ধতিতে সেই চাহিদা পূরণ করা কঠিন হয়ে উঠছিল।
মানুষ নির্বাচিত প্রজনন ও বিজ্ঞানভিত্তিক গবেষণার মাধ্যমে এমন ব্রয়লার মুরগির জাত তৈরি... ...বাকিটুকু পড়ুন

×