পশ্চিম বঙ্গের সরকারী দলের উদ্যোগে লাখ লাখ মানুষকে প্রতারিত করে সেই টাকা দিয়ে এপার বাংলার মৌলবাদী সংগঠন জামায়াত তাদের হিংসাত্মক তাণ্ডবলীলা চালিয়ে সরকারকে উৎখাত করার কাজে লিপ্ত। বাংলাদেশে ধর্মভিত্তিক উগ্র সাম্প্রদায়িকতার বিষয়টি আজ আর নিহায়েত সমস্যা পর্যায়ে নেই, আজ তার উত্তরণ হয়েছে সঙ্কটে। এমনিতেই বিশ্বায়নের ডামাডোল মৌলবাদের উত্থানে গতি বৃদ্ধি করেছে। গৃহযুদ্ধ আজ একটি লাভজনক ব্যবসা। প্রচুর পরিমাণে যুদ্ধাস্ত্র বিক্রি হচ্ছে ইরাক, সিরিয়াসহ মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকার বিস্তীর্ণ অংশজুড়ে। ব্যবসা করছে ইঙ্গ-মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ। অর্থের যোগান আর হিসাব নিকাশের দায়িত্বে থাকছে বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ। জাতিসংঘ কেনা গোলাম, তাই নীরব। ধর্মীয় মৌলবাদীরা আজ শুধু পাকিস্তান, আরব দেশ ছাড়াও এই সাম্রাজ্যবাদীদের থেকেও সম্পূর্ণ মদদ পাচ্ছে। বাংলাদেশে অস্থিরতা তৈরি করতে কাজে লাগানো হয়েছে সারদার কোটি কোটি টাকা। আর তার সঙ্গে জড়িত তৃণমূল সাংসদ আহমেদ হাসান ইমরান, যিনি একসময় নিষিদ্ধ মৌলবাদী সংগঠন সিমির সম্পাদক ছিলেন। তার বিরুদ্ধে দাঙ্গার সংগঠক হিসেবেও অভিযোগ আছে। ২০১২-’১৩ সালে ইমরানের মাধ্যমে ভারত থেকে দফায় দফায় বিপুল পরিমাণ অর্থ পৌঁছেছে জামায়াতে ইসলামী ও তাদের নানা শাখা সংগঠনের হাতে। দেশবাসী আশা করে এই বিষয় টির সঠিক তদন্ত হবে। বেরিয়ে আসবে জামাতি কালো বিড়াল। নিজ দেশের জল হাওয়ায় পুষ্ট হয়ে কি ভাবে সেই দেশের ক্ষতি করছে। এ যেন যে ডালে বসে আছে সেই ডাল কেটে ফেলা। অনিষ্ট কাজ করে ইস্ট লাভ করা যায় না। তা হলে এ দেশে সর্বহারা পার্টি, বিপ্লবী কম্যুনিস্ট পার্টি ক্ষমতা দখল করতে পারত। বইয়ের পাতা থেকে নীতি, নৈতিকতা পালিয়ে যেত। মানবরুপি দানব জামাত-শিবির শকুনের পাখনা দিয়ে বাংলাদেশকে অন্ধকারে ঢেকে ফেলত। জামাতের কালো পাখনা খসে পড়েছে, জয় হয়েছে বাংলার জনতার।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




