somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বর্তমান বাংলাদেশ এবং সংকট নিরসনে দিক নির্দেশনা // আবদুল্লাহ-আল-মাসুম

১২ ই জানুয়ারি, ২০১৫ রাত ৮:০৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বর্তমান বাংলাদেশ এবং সংকট নিরসনে দিক নির্দেশনা
// আবদুল্লাহ-আল-মাসুম

প্রথমে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে একটু বলতে চাই ।
আমাদের দৃষ্টিভঙ্গী এরকম যে- কেউ যদি আওয়ামী লীগের সমালোচনা করে- তাহলে ধরে নেয়া হয়- সে বিন এন পির সমর্থক । আর কেউ বি এন পির ভুল কর্মকান্ডকে আলোকপাত করলে - নিশ্চিত সে - লীগের সমর্থক ।

আর যদি দুই দলের ভুল ত্রুটিগলোকে তুলে ধরার চেষ্টা করে - তবে সে কেন নয় রাজাকার আর জামায়েত ইসলামী ?


এই যদি হয় আপনার গোয়ার্তুমি মার্কা দৃষ্টিভঙ্গী - তাহলে - বলবো না - এই লেখাটি আপনার পড়া ঠিক নয়, বলবো যে- এই লেখাটি সর্বাগ্রে আপনারই পাঠ করা উচিত ।


গত কিছু দিনের ঘটনা প্রবাহ ,সহিংস আন্দোলন, টক শো, সাংবাদিকদের কর্মকান্ড , সার্বিক পরিস্তিতি, দেশের অশান্তিতে আমি বিচলিত বোধ করেছি ।আমি , সমাজ নেতাদের কাছে
বাল্য পাঠ -এর আসরের ভুলগুলো প্রত্যাশা করি নি বলেই আমার দুঃখটা প্রখর ।


প্রশ্নগুলো ব্যক্তিগত স্বার্থ বিজড়িত হলে - চেপে যেতাম ।
প্রশ্নগুলো যেহেতু - রাষ্ট্র, রাষ্ট্রের আদর্শ, দেশের অর্থনীতি , অদূর গাঢ় অন্ধকার ভবিষ্যত,
সর্বোপরি নীরিহ , সাধারন মানুষের জান, মাল, আর শান্তির প্রশ্ন বিজড়িত - আমি অকুন্ঠ চিত্তে তা
বলতে চাই ।


আওয়ামী লীগের মনোবাসনা তারা ক্ষামতা আকড়ে থাকবে- মূল যুক্তি - যেহেতু তা সাংবিধানিক ।
বি এনপির মূল উদ্দেশ্য ক্ষমতায় যাওয়া - মূল যুক্তি- যেহেতু নির্বচন সঠিক ভাবে হয় নি , গণতান্ত্রিক নির্বাচনে অংশগ্রহণ নিশ্চিত হয় নি বড় বিরোধী দলের ।

৫ জানুয়ারি একজন তাই বিশাল বিজয় মিছিল করে ।
অন্যজন তাই পালন করতে চায় গনতন্ত্র হত্যা দিবস হিসেবে ।


এই তো !!


এবার আসি সংবিধান এ ।
সংবিধান কোনো ঐশ্বরিক গ্রন্থ নয় ।
সংবিধান, কোরআন নয়।
এটা পরিবর্তন হয় ।


জনগনের , গণতন্ত্রের রক্ষাকবচ হলো - সংবিধান ।
এখন যদি সংবিধান হয়ে ওঠে বিশেষ কোনো দলের যুগ যুগ শাসন কায়েম করবার বড় অস্ত্র - তাহলে , সেই সংবিধান , প্রশ্নবিদ্ধ হবে - এটাই স্বাভাবিক । যা এখন হয়েছে ।
আমি বলি না- এই সংহিস আন্দোলন , ক্ষমতায় যাবার জন্য , একজনের কড়াকড়ি, আরেকজনের বাড়াবাড়ি , আর কর্মীদের মারামরি , সাধারনের জীবন সংহার করে এই সংহিসতা কোনো কালে - কোনো সভ্য সমাজে গ্রহণযোগ্য হতে পারে ।

আমি বলি- সেজন্য ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন আছে , জাতিসংঘ আছে , দেশের গণমাধ্যম কোনঠাসা হলে - পৃথিবীর বড় বড় গণমাধ্যম আছে ।

আওয়ামী লীগ হোক বা বিএনপি হোক বা অন্য যে কোনো দল হোক- কাউকে আমরা নীরিহ মানুষের প্রাণের দামে - ক্ষমতায় যাবার মতো অনুমতি দেই নাই ।
দুঃখজনক যে- এটা হয়ে আসছে ।
আমাদেরেে রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে - সেই সভ্যতা এখনো আসলে গড়েই উঠে নি ।
আমরা অন্যকে দোষী সাব্যস্ত করে, অন্যের অন্যায় আর হিংস্র রূপ তুলে ধরে নিজেদের হিংস্রতাকে
বৈধতা বা গ্রহণযোগ্যতা দিতে চা্ই ।

যা ঘৃণিত, তা অন্য পক্ষ বা হাজার পক্ষ করে পার পেলো বলেই - তা গ্রহনীয় হয়ে গেলো না।
তা কিন্তু ঘৃনিতই থেকে গেলো ।

আওয়ামী লীগ ক্যাডার সংস্কৃতি শুরু করেছে বলে - বি এন পি - বিরোধী দল হিসেবে - বাধ্য হয়েছে - এই স্বীকারোক্তি অনেক অপরিণত নেতাকে দিতে শুনি । কিন্তু - আমি বলতে চাই - এই স্বীকারোক্তি প্রমাণ করে- যে কোনো নাশকতা , খুন খারাবি, ণীরিহ জীবন নাশ- রাজনীতিক দের জন্য বৈধ এবং বিলকুল অভিনন্দন যোগ্য - যা সম্পূর্ণ আইন , বিচার , সভ্যতা, গণতন্ত্র, বিবেক , মানবিকতা পরিপন্থী ।

সাধারন মানুষের ভালোবাসা নিয়ে - দলগুলো ক্ষমতায় যাবার রাজনীতি এখনো শুরু করে নি ।
পেছনে কাজ করছে - প্রতিশোধ স্পৃহা, প্রতিহিংসা আর মানুষকে জিম্মি করে - ক্ষমতায় আসীন হবার
লালসা ।

আমাদের আচরন অনেকটা এরকম যে- তুমি কুত্তা , তাই আমিও কুত্তা । সমস্যাটা কি ?
এটা কোনো মানুষের প্রশ্ন হতে পারে না ।
এটা মানুষের দেহে -কোনো জানোয়ার বসবাস করলে - তার বা তাদের প্রশ্ন হতে পারে ।


রাজনীতি মানে জানেন না অনেক বর্ষীয়ান নেতা ।
অনেকে বলেন মানুষের জন্য যে নীতি তা ই রাজনীতি ।
অনেকে বলেন - মানুষকে নিয়ে যে ণীতি - তা ই রাজনীতি ।

রাজনীতি হলো - আসলে - রাজার নীতি ।
রাজার নীতি যদি হয় - জনতার রক্তে হোলী খেলে ক্ষমতায় যাবার হীণ নীতি - তাহলে বলি ও বলবো - এটা কোনো মানুষের হৃদয় রাজের নীতি হতে পারে না । এটা রাক্ষসের নীতি ।

সে ই হবে আসল রাজা - যার মন কাঁদবে জনতার জন্য ।
জনতার রক্ত পানের জন্য নয় ।

খালেদা জিয়া - একটি বড় বিরোধী দলের নেতা । দুই দ্ইবার প্রধাণমন্ত্রী ছিলেন ।
তাকে ও তার দলকে এতো সহজে যারা সন্ত্রাসী বলছেন - একবার ভেবে দেখবেন কি -
এটা যদি সন্ত্রাস হয় - তাহলে অধিকারের লড়াই কোন টি ?

সাধারন মানুষের প্রাণহানি যদি অধিকারের লড়াই হয় - তাহলে সন্ত্রাস কি ?

এই অস্বাভাবিক অবস্থার জন্য - বর্তমান ক্ষমতাসীন দলের , অতিরিক্ত চাপ প্রয়োগ আর স্বাভাবিক
সভা সমাবেশ এ বাধা দান -একটি বড় ও মূল কারন হয়ে দাড়িয়েছে ।
খালেদা যদি খূব ক্ষুদ্র , অচেনা একটি দলের নেতা বা একজন সাধারন মানুষ ও হতেন- আমি
এই কোনঠাসা করাকে সঠিক বলে মেনে নিতাম না ।

সরকারী তোতা পাখীদের ভাষ্য অনুযায়ী - খালেদা সমাবেশ করলে- খালেদার ওপর জঙ্গী হামলা হতে পারতো বলে - তাকে বাঁচানোর জন্য সরকার নিরাপত্তা প্রদান করার চেষ্টা করেছে । ( স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী ও এ ব্যপারে এই রূপে বক্তব্য প্রদান করেছেন ।)

আওয়ামীলীগ মিছিল করলে- সমাবেশ করলে - সমাবেশস্থলে যেনো কোনো অঘটন না হয় , সে জন্য সমাবেশ স্থলকে নিরাপদ করা হয়- আর বিরোধী দলকে অফিসে আটকে রেখে , নিরাপত্তা দেয়া হয় ।
অবরুদ্ধ করে , নিরাপত্তা নামে চালানো হয় ।


প্রতিটি ক্রিয়ারই একটি সমান বিপরীত প্রতিক্রিয়া আছে ।
বি এনপিও অনেক সমর্থক - এই অবস্থাকে চরম সংকট মনে করে - অশান্তির আর বিশৃঙখলার
কারন হলে বা ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করবার সঠিক সময় নির্বাচন করে- এই সময়কে কেউ যদি বেছে নিয়ে দেশের ক্ষতি সাধন করে - অশান্তি সৃষ্টি করে - তাহলে বিষয়টি কি দাড়ালো ?

সমাবেশ হলে- বি এন পি যতটুকু লাভবান হতো - তার থেকে অনেক বেশী লাভবান হলো -
এই অ ব্যবস্থা অপরিণত পদক্ষেপ গ্রহণের ফলে ।

বি এন পি ২/৩ কোটি ভোটার - যারা সব সময় দোদুল্যমান ভোটার - একবার একে - একবার ওকে ভোট দেয় - সেই ভোটারদের সিমপ্যাথি পেয়ে গেলো ।
অপর পক্ষে - তাদের সমর্থকরা মাঠ গরম করবার সুযোগ পেলো , পাশাপাশি বিশ্বের দরবারে - বর্তমান সরকারের ভাবমূর্তি খারাপ হলো -যে কারনে তারাকো জাতিসংঘে - রিপোর্ট পেশ করবার মাধ্যমে বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর বাধ্যতামূলক ছূটি সহ, সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপ বা জাতিসংঘ থেকৈ বাংলাদেশের সদস্য পদ কেটে দেবার মতো সুপারিশ করবার সুযোগ পেলেন ।

আমি একটা কথা বলতে পারি- আওয়ামী লীগ আর বি এনপির এই কড়া সমালোচনার পরিপ্রেক্ষিতে আমাকে অনেকে ভাববেন - আমি বোধ হয় - তাদের শত্রু ।
আমি তাদের শত্রু নই , বরং উল্টোটাও হতে পারে ।
প্রমান করছি ।

আমি দেশ ও দেেশের মানুষের স্বার্থে কথা বলতে গিয়ে - সেটা যদি কারো বিপক্ষে যায় - তা আমার দেখার বিষয় নয় ।

বরং এই লেখা থেকে যদি - বি এন পি এবং আওয়ামী লীগের শুভ বুদ্ধির উদয় হয় - তবে দেশ তথা দেশের সাধারন মানুষ হাফ ছেড়ে বাঁচে ।

সাধারন মানুষ , তাদের কাছে , সোনা , গহনা , খাদ্য সামগ্রী চায় না ।
জান মালের নিরাপত্তা চায় আর শান্তি চায় ।
তারা জানে =কোনো পার্টি এসে তাকে বাড়ী গাড়ী করে দেবে না ।
যে ৩০ বছল আগে নৌকা বাইতো - সে এখনো তা ই বায় ।
যে ৩০ বছর আগে ধান চাষ করেতো , ফলন কমে গেলেও - তা ই সে করে ।
ভাগ্যের চাকা , প্রত্যেকে নিজেরটা নিজেই ঘোরাবার প্রচেষ্টায় আছে । কেউ ঠেলা মেরে দেয় না ।


বর্তমান সরকার সমাবেশ ঠেকাবার জন্য - গাড়ী ঘোরা বন্ধ করে দিলো- যা নজিরবিহীন । কয়েকদিন পর ই ছিলেঅ ইজতেমা । এখন আমার প্রশ্ন হচ্ছে - ইজতেমার মুসল্লি হিসেবে যদি
বিএনপির কর্মীরা ঢাকায় ঢুকে পড়তো - সরকার তাদের আটকাতে গেলে হতো - ইসলামের বিরুদ্ধাচরন । যদি - ঢূকে পড়তো - কী করে ঠেকাতো ?
তাহলে- সেই দিন যানবাহন বন্ধ রেখে - খালেদা জিয়া কে অফিস বন্দী রেখে কী প্রমান করতে চাইলো সরকার ?

এই টুকু ই যে- সরকারের গায়ে কত শক্তি ?
বলি- অতিরিক্ত শক্তি দেখালে মানুষের ভক্তি বাড়ে না কমে ?

আওয়ামী লীগ, বিএনপি - যত সাংঘর্ষিক অবস্থানে দাড়াবে- ততই আসলে - মানুষের হৃদয়ে বীতশ্রদ্ধ হবে । আমি যতই পাবলিককে মুখস্থ করাই না কেন - উদ্ভুদ্ধ পরিস্থিতির দায় - কম/বেশী দুই দলের ই নিতে হবে । এটা কাম্য নয় ।

এই পুরো চিত্রটির সবচে' ক্ষতিকর দিকটি হচ্ছে - এদের মুখেঅমুখি সাংঘর্ষিক অবস্থানের
সুযোগ যদি অপরাপর , যুদ্ধবিরোধী সহ- অন্যন্য সুযোগ সন্ধানীরা নেয় - পুরো ঘটনা থেকে সবচে বেশী ক্ষতিগ্রস্থ হবে এই দুটো দল । তার থেকে বেশী ক্ষতির স্বীকার জনগন ।
দু;দলের কারো কাছেই শেষ পর্যন্ত নিয়ন্ত্রনা না ও থাকতে পারে - আর এটাই আরেকটা দূর্ভাবনা - যা অমূলক বলে উড়িয়ে দেয়া যাচ্চে না ।

আমি অকপটে স্বীকার করি- আওয়ামী লীগের সময়ে - বাংলাদেশ এগিয়ে গেছে । শুধুমাত্র ইনফ্ষট্রাকচার নয়, শিক্ষ, যোগাযোগ, প্রযুক্তি, মাথাপিছু আয়, বৈশ্বিক যোগাযোগ আর সামুদ্রিক বিজয় - কোথায় আসলে নয় ?

কিন্তু একটি পরিবারের দুই ভাইয়ের এক ভাই অন্য ভাইকে জোর জবরদস্তিত , পেশীর অহংকার দেখিয়ে , সাফল্যের বড়াই দিয়ে যদি অবরুদ্ধ করতে চায় আর তাতে পরিবারের মানুষ যদি বিভক্ত হয়ে একটা কেওয়াজ লাগে - সমাজ তাদের ভালো বলে না । তখন - সমস্ত অর্জন , চোখের আড়াল হয়ে , বদনামটাই প্রধান হয়ে যায় ।

ভালো কাজ আর সংসারের স্বচ্ছলতা দিয়ে তখন সেই বাজে পরিস্থিতিকে উতরে যাওয়া যায় না ।
দমন নীতিতে স্থায়ী সমাধান কখনো আসে না - যা আসে সহিষ্ণুতা , পর মত শ্রদ্ধার সংস্কুতি
বিকাশে ...


একক ভা্বে বিএনপি , আওয়ামীলীগের এতো মাথা ব্যথার কারন হবার মতো কোনো ম্যথমেটিকস আমার হাতে নেই । কেননা- বি এন পি শেষ যেবার ক্ষমতায় গিয়েঝে - তা ছিলো না একক সংখ্যা গরিষ্ঠতা, তা ছিলো - জামায়েতের সঙ্গে যোগফলের বিজয় । জামায়েত যেখানে -ধ্বংস প্রায়- সেখানে বিএনপিকে একই সাথে কাগুজে বাঘ মনে করে - অপরদিকে - অবরুদ্ধ রাখবার কোনো যোক্তিক
গ্রাউন্ড আছে বলে আমি বা সাধারন মানুষরা মনে করেন না।

বি এনপি ধ্বংস করতে পারলে - লাভ বেশী কার ?
লাভ বেশী তার- যারা সবচে বেশী বেনিফিটেড হবে-
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে যাদের সিরিয়াল নাম্বার ওপরের দিকে এগিয়ে আসবে ।
বলি কি !!!
যারা আজ আওয়ামীলীগ কে ব্যবহার করে , বিএনপিকে র্ধ্ংস করবার কুতসিত ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে -তারা যে আগামীকাল আওয়ামীলীগ এর গলঅ টিপে ধরবে না - তা কে বলবে >?
শত্রুরা, কিন্তু , তত শক্তিশালী হয় না , যতটা বন্ধু বেশী শত্রুরা হয়ে থাকে ।
তারা শুধূ , আওয়ামীলীগের নয়, দেশ ও রাষ্ট্র ও জনতার শত্রু ।
গণতন্ত্রের শত্রু ।
এরা , পারে না , এমন কোনো কাজ নাই ।

আজ রাষ্ট্র বিভক্ত হয়ে আছে ।
সাংবাদিক , আদালত, পরিবার , কোথায় নেই বিভক্তি ?
ভাইয়ের বুকে ভঅই ছুড়ি চালাবে - এ জন্য কি আমরা দেশটাকে স্বাধীন করেছি ?
আওয়ামীলীগের নেতৃত্বে , বঙ্গবন্ধুর উদ্দীপনায় , মানুষের প্রয়োজনে বাংলার মাটি স্বাধীন হয়েছে ।
সেই গৌরবজ্জ্বোল ইতিহাস এই মাটিতেই , বিরোধী মতাবলম্বীদের অবরুদ্ধ করে- সেই স্বাধীনতা'র অর্থ
পায়ে পিষে দিয়ে - এ্ই গৌরবজ্জ্বল দলটিকে কারা মানুষের চোখে ডিকটেটর বানাচ্ছে ?
তাদের ফায়দা কি ?

লিবিয়া , সিরিয়া, বাহরাইনসহ আরো অনেক মুসলিম রাষ্টের পর বাংলাদেশ তাদের তালিকায় আছে -এরকম একটি শংকা অনেক আগে থেকেই মনকে অশনি সংকেত দিচ্ছিলো । বর্হিবিশ্বের শক্তি প্রয়োগের ক্ষেত্র তৈরীতে , আওয়মীলীগ, বিএনপি যদি নিজের অজান্তে গিনিপিগ হয়ে থাকে-
তাদের অ দূর দর্শীতা তাহলে হবে ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ ।

সাংবাদিকদের কাজ কি - ঘটনা তুলে ধরা না কি - দলাদলিতে জড়িয়ে পড়া ?
সরকার হাজার হাজার কোটি টাকা বাজেট দেয়- সাংবাদিকদের সরকারের রাজকোষ থেকে মাত্র ৫০০০ সাংবাদিকদের জন্য প্রতি মাসে ৪০ হাজার বা ৫০ হাজার টাকা করে প্রনোদনা দেয় না কেন ?
প্রয়োজন তাদের তীব্র থাকলে - অপ্রয়োজনেও ব্যবহার করা যাবে - শূধূমাত্র এই হীন উদ্দেশ্যে ?

গনতন্দ্রের ৪ টি ভিত্তি ।
পলিটিক্স
বু্যরোক্যাসি
আর্মি
গণমাধ্যম

গণমাধ্যমের দায়িত্ব হচ্ছে - বাকি ৩ টাকে ঘণিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করে গঠনমূলক সমালোচনা ।
চামচামি বা চ্যালা চেমুন্ডাগিরি নয় । কিংবা - টু পাইস পাবার জন্য কাইকে ছাড় দেয়া নয় ।
গণমাধ্যমের ব্যপক ক্ষেত্র তৈরী করেছে - সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম , ফেইসবুক, ইউটিউব ,
সহ অন্যান্য বড় মিডিয়াগুলো ।
আমি বিশ্বাস করি - সামজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো আসলে- টিভি চ্যানেল , পত্রিকা,
এবং অন্যান্য মাধ্যমের থেকেও আরো বেশী বিস্তৃত, অপ্রতিরোধ্য, গতিময় - যে কারনে-
মূহুর্তে লক্ষ লক্ষ শেয়ার আর লাইক এর বদৌলতে- তথ্য বিপ্লব ঘটে যেতে পারে নিমিষেই ।



বাংলাদেশ সোনায় সোহাগা একটি রাষ্ট্রে পরিণত হতে যাচ্ছিলো- এখানে বিদেশী শক্তির কতটা ইন্ধন , কতটা ভেতরের মীরজাফরেরা কাজ করছে - সেগুলি বের করবার এখনই যোগ্য সময় ।
খালদা জিয়ার জীবন বাঁচানোর নাটক করে, সাইক্লোজিক্যাল ট্র্যাপ এ ফেলে - যারা সরকার তখা সরকার প্রধানকে একটা উদ্ভুদ্ব পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দিলো - দূর দৃষ্টি থাকলে- তাদেরকে এক্ষুনি দমন করা দরকার। তাছাড়া- যখন তাদের মুখেঅশ উন্মোচিত হবে- তখন বড্ড দেরী হয়ে যাবে ।

মোফাজ্জণল হোসেণ চৌধুরী মায়া - অত্যন্ত সম্মানিত , দীর্ঘ ইতিহাস বিজড়িত একজন রাজনৈতিক
জননন্দি নেতা । লোকে বলছে-তার মতো নেতা যখন - জাতির এরকম কঠিন সময়ে ইতরামিতে সংযুক্ত হয়ে যায়-যে- খালেদা জিয়া বাড়ী সারানোর জন্য বালূ, সিমেন্ট ডেকে এনেছেন - তখন - সেটা লীগের জন্য এক বিরাট অপরিসীম ক্ষীতর কারন হয়ে দাড়ায় । তার এহেন বক্তেব্যের পরে জাতির সঙ্গে এরকম ইতরামি জাতীয় কথা না বলার বিষয়ে ক্ষমা প্রার্থনা করা একান্ত জররিী ছিলো ।
আমার মনে হয় - তিনি ইতর নন । বয়েসজনিত কারনে অনেক ধরনের সমস্যা দেখা দেয়।
৬০ এর পর তাই নেতা নেত্রীদের বিশঅল পার্কে বাধ্যতামূলক অবসর দিয়ে ছেড়ে দিলে ভালো হয় ।
সেখানে তারা রবীন্দ্র সঙ্গীত শূনবে । তাজা শাকসব্জি খাবে, খেলা ধূলা করবে আর নিজেহর স্বাস্থ্যের যত্ন নিবে ।

সারা জীবন যারা মাঠে ময়দানে- মিছিল সমাবেশে কষ্ট, ত্যাগ, তিতিক্ষা করেছে - রাষ্ট্র কি তাদের
জীবনের শেষ কটা দিনও একটু স্বস্থিতে পার করবার জন্য উতসাহিত করবে না >?


কিছু কিছু টিভি চ্যানেল পত্রিকা কংগ্রেস আর অমিত শাহ নিয়ে পড়ে আছে ।
রোগীর বন্ধূ কে ?
এই টা জরুরী না কি মৃত্যুপথযাত্রী রোগীর জন্য প্রথম দরকার ব্যথা নাশক ইনজেকশন ? ডাক্তারের মূল দায়িত্ব কোনটি ?


কাউকে রক্ষা করা আমার উদ্দেশ্য নয়।
আমার উদ্ধেশ্য সাধারন মানুষের জীবনের নিরাপত্তা ।
আমাদের দেশেল এখন প্রথম দরকার - স্থিতি আর শান্তি ।
দমন , পীড়নে পৃথিবীর কোন দেশে শান্তি এসেছে - শূধু তাই জানতে চাই ।


গণমাধ্যম হলো ছূড়ির ন্যয় ।
এ দিয়ে মানুষ হত্যা করা যায় আবার এ দিয়ে অপারেশন করে জীবন রক্ষঅ করা যায় ।
ড দিয়ে ডাক্তার ।
ড দিয়ে ডাকাত ।
ছুড়ি ডাক্তারের হাতে গেলে অনেক জীবন রক্ষা পায় ।




আর যদি পুরো বিষয়টা এরকম হয় যে- সমস্ত ঘটনা , দুই নারীর ব্যক্তিগত রাগারাগির জের-
তাহলে- বলবো - শেখ হাসিনা , খালেদা জিয়া কারো না কারো মা ।
তোমরা ভুলে যেও না - আমরাও কারো সন্তান । আমাদের ও কেউ মা ।
আর
আমরা ঘরে ঘরে কিন্তু , বাংলা মায়ের সন্তান !!!


আমরা কেউ আওয়ামীলীগ, বি এনপি হয়ে জন্ম গ্রহণ করি নি ।
জন্ম গ্রহণ করেছি মানুষ হয়ে।
আসল পরিচয়টা ভুলে গেলে চলবে না ।

আমার হাতে একটি ছোট্ট টর্চ আছে ।
তোমরা যারা পথ হারিয়ে ফেলেছো - জানো না - কোন পথে যেতে হবে-
আমি একটা রাস্তা দেখিয়ে দিচ্ছি ।
সমাধানের একমাত্র পথ - আমাদের সকলের বর্তমান মানসিকতার আমূল পরিবর্তন ।
লোভ আর প্রতিহিংসা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে ।
শত্রু, মিত্র চিনবার ক্ষমতা থাকতে হবে ।

সব ঠিক হয়ে যাবে ।




























০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ছবি ব্লগ -৭ বিনীত, অবনত বৃক্ষ

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১:০৯

পথে যেতে চোখে পড়লো নুয়ে পড়া বৃক্ষের শাখাগুলো। মনে হলো স্রষ্টার কাছে সে যেন নিবেদিত প্রার্থনায় অবনত। সব অহংকার, সব আত্মগরিমা, কৃতিত্বের ভার সে ধীরে ধীরে ঝরে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমি আর তুমিঃ ফানা থেকে বাকাঃ জীবনের উপলব্দি সবই তোমার

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৩:১১


ইশ্‌কে আমি ও তুমি’র ব্যবধান ক্ষীণ হওয়া, ফানা-তে অহংকারের বিলয়, এবং বাকা-তে প্রকৃত বোধ নিয়ে কর্মময় জগতে ফিরে সেবা, বিনয়, করুণা ও কৃতজ্ঞতার জীবন বেছে নেয়ার উপলব্দিতে লেখা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা কোন ইসলাম পালন করছি! কাদের ফলো করছি!

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১০:৫১

খোদা ও নবীজীকে অবমাননা করলে অর্থাৎ ধর্মীয় অবমাননা করলে মৃত্যুদণ্ড দিতে হবে, এমন আয়াত কোরআনে পেলাম না!
অনেক খুঁজলাম.........আমি পাই নাই। আপনি পেয়েছেন কি?



পবিত্র কোরআনে উল্লেখ আছে যে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শন, প্রতিমন্ত্রীর পদত্যাগ এবং ঢাকা দক্ষিণের নতুন সমীকরণ: রাজনৈতিক খেলায় ইশরাক কোথায়?

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫২

রাজনীতির মাঠে অতি-উৎসাহ কখনো কখনো যে আত্মঘাতী হয়ে দাঁড়াতে পারে, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড তারই এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। গত শনিবার রাজধানীর গেন্ডারিয়ায় যেভাবে প্রকাশ্য দিবালোকে আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে, দলবল... ...বাকিটুকু পড়ুন

সৌদি আরবের প্রতি বাংলার মানুষের কেন এত ক্ষোভ?

লিখেছেন জ্যাক স্মিথ, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮



বাংলাদেশের বেকারত্ব সমস্যা দূরীকরণে সৌদি আরব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। দেশটিতে বাংলাদেশের প্রায় ৩৫ লাখ শ্রমিক কাজ করছেন। সৌদি আরবই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বৈদেশিক শ্রমবাজার। ২০২৫–২৬ অর্থবছরে সৌদি আরব... ...বাকিটুকু পড়ুন

×