somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

মাসুম আহমেদ আদি
আমি আসলে একজন বইপোকা। লেখালেখির অভ্যাস কখনওই ছিলনা। কিন্তু একটা বই পড়ার পর সেটার ভাল লাগা মন্দ লাগা মানুষকে জানাতে ইচ্ছে করত। সাহস করে একদিন লিখে ফেলললাম একটা বইয়ের রিভিউ। পাঠকের অনেক প্রসংসাও পেলাম। সেখান থেকেই আমার লেখালেখি শুরু। কেউ কেউ বলতো, আপনি রিভি

স্বপ্ন

০১ লা জুন, ২০১৬ সকাল ১০:৫৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

কদিন ধরেই মনটা খুব বিক্ষিপ্ত। প্রতিরাতেই মন খারাপ করে ঘুমাতে যাচ্ছি। ঘুম আসতে আসতে শেষ রাত। হয়তো এজন্যেই ভালো একটা স্বপ্ন দেখলাম।

স্বপ্নে দেখলাম আমি বিদেশ যাচ্ছি। আমার সব স্কুলের বন্ধুরা আমাকে সি-অফ করতে এসেছে। সবাই আমার জন্য এটা সেটা নিয়ে এসেছে। স্বপ্নে আমি বিবাহিত কিনা আমি বুঝতে পারিনি। কারণ আশে পাশে কোথাও আমার স্ত্রীকে দেখতে পাইনি। যাইহোক, স্বপ্ন এইটুকু হলে ব্যাপার ছিলনা। এই স্বপ্ন আমি প্রায়ই দেখি।

তবে এবারেরটা একটু ভিন্ন। আরও একধাপ এগিয়ে। এর আগে কখনোই স্বপ্নে প্লেন পর্যন্ত যেতে পারিনি, তার আগে ঘুম ভেঙ্গে গেছে। কিন্তু আজকে প্লেন পর্যন্ত গিয়েছিলাম। আমার বাবা আমার নামে কার্গো সেকশনে বিশাল একটা খাট বুকিং দিয়ে রেখেছে। তারমানে যেখানেই যাচ্ছি খুব লম্বা সফরে যাচ্ছি। কোথায় যাচ্ছি, এটা অবশ্য স্বপ্নে বুঝতে পারিনি। হয়তো ভালো জায়গাতেই যাচ্ছি, নয়তো সবাই এত হাসিমুখে বিদায় দিতনা। আমার মা, যে কিনা আমি বাড়ি থেকে ঢাকায় আসার সময়ই কাঁদে, সেও হাসিমুখে বিদায় দিচ্ছে। আমি স্বপ্নের মধ্যেই ব্যাপারটা ধরতে চেষ্টা করলাম। কোথায় যাচ্ছি আসলে আমি? আমেরিকা? আমেরিকা নাকি স্বপ্নের দেশ, মানুষ বলে। এজন্যেই কি সবাই খুশি?

আমি প্লেনে উঠলাম। এবং আশ্চর্য হয়ে লক্ষ্য করলাম, প্লেনে আমি ছাড়া আর কেউ নেই। আরও তাজ্জবের ব্যাপার হলো প্লেনে কোনও সিট নেই। তবে কি এটা কার্গো প্লেন? প্লেনের মাঝখানে শুধু একটা খাট দেখা যাচ্ছে। আমার বাবার বুকিং দেয়া খাট। কেউ একজন আমাকে বলল ঐ খাটে শুয়ে পড়তে। তাহলেই প্লেন ছাড়বে। আমি কিছুটা বুঝতে পারলাম হয়তো। দৌড়ে নামতে গেলাম। ততক্ষণে প্লেনের দরজা বন্ধ হয়ে গেছে। প্লেনের জানালা দিয়ে দেখতে পেলাম, আমার সব বন্ধু-বান্ধব রা হাউ মাউ করে কাঁদছে। আমার মা কাঁদতে কাঁদতে ফিট হয়ে গেছেন। আমার বাবা স্বভাবসুলভ এক কোণে মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে আছেন। আমি জানি তার বুকের ভেতরটা ফেটে যাচ্ছে।

প্লেন ছেড়ে দিল। কিছুক্ষণ পর দুজন পুরুষ এয়ার হোস্টেস আসলেন। একজন জিজ্ঞেস করলেনঃ-
আপনার রব কে?

সর্বশেষ এডিট : ০১ লা জুন, ২০১৬ সকাল ১০:৫৫
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

”আমার রাজনীতির রূপরেখা” -- জিয়াউর রহমান

লিখেছেন প্রামানিক, ১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:০০


শহীদুল ইসলাম প্রামানিক
আমি তখন দৈনিক দেশ পত্রিকায় চাকরি করি। এটা আমার দ্বিতীয় চাকরি। প্রথম চাকরি নিয়েছিলাম ব্রিটিশ আমলের প্রকাশিত দৈনিক আজাদ পত্রিকায়। আজাদ পত্রিকাটি ব্রিটিশ আমলে মুসলমানের পক্ষের একমাত্র... ...বাকিটুকু পড়ুন

শহীদ জিয়া ২৭ মার্চের ভাষণে 'জয় বাংলা' বলেছিলেন

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:১১





সূত্রঃ আমার রাজনীতির রূপরেখা
লেখকঃ জিয়াউর রহমান
পৃষ্ঠাঃ ১৭৭

...বাকিটুকু পড়ুন

ওরা জিডিপি আর সেমিকন্ডাক্টরে ব্যস্ত , আমরা ব্যস্ত গোরুর জিয়াফত নিয়ে ....।

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:৩৫


গতকাল মামার ফোন এল দুবাই থেকে, রাতের বেলা। বললেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে গরু জবাই করে জিয়াফত খাওয়ার খবর এখান পর্যন্ত পৌঁছে গেছে, ব্যাপার কী? আমি বললাম, মামা, ওরা গরুর মাংস... ...বাকিটুকু পড়ুন

মীর জাফর ও ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির ঐতিহাসিক চুক্তি! যে চুক্তির জন্য বাংলার স্বাধীনতার সূর্য ২০০ বছরের জন্য অস্তমিত হয়েছিল!

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:৪২


আমরা পলাশী যুদ্ধের কথা জানি। কিন্তু এই যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে যে একটি ঐতিহাসিক চুক্তি হয়েছিল মীরজাফর ও ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কর্ণধার লর্ড ক্লাইভের এর সাথে সেটা সম্পর্কে খুব কমই... ...বাকিটুকু পড়ুন

যার যার ধর্ম, তার তার উৎসব....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:১০


যার যার ধর্ম, তার তার উৎসব....

“ধর্ম যার যার, উৎসব সবার”- শুনতে চমৎকার, জনপ্রিয়ও বটে। কিন্তু কথাটি কি ধর্মীয় বিশ্বাসের বাস্তবতার সঙ্গে পুরোপুরি সংগতিপূর্ণ?
আমার কাছে তা নয়। এধরণের বাণী... ...বাকিটুকু পড়ুন

×