ছোট বেলায় (১৯৬৮ সনে) একটা উপন্যাসের ১ম খন্ড পড়েছিলাম, খুব ভাল লেগেছিল বলে বাকিটা পড়ার জন্য জীবন ভর একটা তাগিদ অনুভব করতাম। কিন্তু উপন্যাসটার নাম বা এর লেখকের নাম ভুলে গিয়েছিলাম তাই বইটা খুজে পাইনি, তবে কাহিনিটা মনে ছিল। বেশ কিছুদিন থেকে ভাবছিলাম বিষয়টা নিয়ে একটা ব্লগ পোস্ট দেইনা কেন? ব্লগারদের কেউ বইটার নাম বা লেখকের নাম জানলে আমিও জানতে পারব। আবার মনে একটা সন্দেহ ছিল, সংগত কারনেই ব্লগারদের বয়স্ক না হবার কথা, যে উপন্যাস আমি ৪৪ বছর আগে পড়েছি আজকের আধুনিক ব্লগার ভাই বোনেরা কি সে উপন্যাসটা পড়েছেন বা সেটার নাম বা লেখকের নাম বলতে পারবেন? যাই হোক অত চিন্তা ভাবনা বাদ দিয়ে কয়েক দিন আগে ব্লগার ভাই বোনদের সাহায্য চেয়ে বিভিন্ন ব্লগেএ পোস্টটা দিয়েছিলাম, রি-পোস্টও করেছিলাম। যা ভেবেছিলাম তাই, কোন উত্তর পেলাম না। আশা ছাড়িনি, ভেবে ছিলাম কিছুদিন পর আবার পোস্ট দেবো। কিন্তু আর পোস্ট দিতে হলো না, গতকাল (১৩-০৫-২০১২) আমারব্লগ.কম এ প্রথমে অয়ন চ্যাটার্জি এবং এর পরপরই যগাই জানালেন উপন্যাসটার নাম সিন্ধু পারের পাখি লেখক প্রফুল্ল রায়। অয়ন চ্যাটার্জির কাছ থেকে বইটার pdf লিংকও পেলাম। কিন্তু নুতন করে আর এক প্যাঁচে পড়লাম, ব্লাগার শনিবারের চিঠি লিখলেন ‘সিন্ধুপারের পাখি তো অখণ্ড’। অয়ন চ্যাটার্জির দেওয় pdf ফাইল দেখলাম বইএর শেষে সমাপ্ত লেখা আছে। শেষের দুই চ্যাপটার পড়লাম দেখলাম আমার আগের পড়া সেই উপন্যাসটাই, কিন্তু পড়ে কোন ভাবেই মনে হলো না যে এটার অন্য কোন খন্ড থাকতে পারে। কিন্তু আমার মনে পড়ছে আমার পড়া বইটার শেষে লেখা ছিল ‘প্রথম খন্ড সমাপ্ত’ যে কারনে বইটা এত দিন খুজে বেড়িয়েছি। উপন্যসটা অখন্ডই হোক বা দ্বিখন্ডিত হোক কিছু আসে যায় না, এত দিন পর বইটার খোজ পেয়েছি তাতেই আমি খুশী। ধন্যবাদ কম্পিউটার বিজ্ঞানকে, ধন্যবাদ ইন্টারনেটকে, ধন্যবাদ ব্লগিং কে এই সব প্রযুক্তির কারনে আমার এত দিনের একটা খোজ শেষ হলো। ধন্যবাদ সব ব্লগার ভাই বোনদের যারা আমার ব্লগ দেখেছেন মন্তব্য করেছেন আর বিশেষ ধন্যবাদ অয়ন চ্যাটার্জিকে বইটার pdf কপি দেবার জন্য।
এতদিন যে উপন্যাসটার নাম বা লেখকের নাম খুজছিলাম সেটা পেয়ে গেছি। সবাইকে অনেক ধন্যবাদ।
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
Tweet
ছোট বেলায় (১৯৬৮ সনে) একটা উপন্যাসের ১ম খন্ড পড়েছিলাম, খুব ভাল লেগেছিল বলে বাকিটা পড়ার জন্য জীবন ভর একটা তাগিদ অনুভব করতাম। কিন্তু উপন্যাসটার নাম বা এর লেখকের নাম ভুলে গিয়েছিলাম তাই বইটা খুজে পাইনি, তবে কাহিনিটা মনে ছিল। বেশ কিছুদিন থেকে ভাবছিলাম বিষয়টা নিয়ে একটা ব্লগ পোস্ট দেইনা কেন? ব্লগারদের কেউ বইটার নাম বা লেখকের নাম জানলে আমিও জানতে পারব। আবার মনে একটা সন্দেহ ছিল, সংগত কারনেই ব্লগারদের বয়স্ক না হবার কথা, যে উপন্যাস আমি ৪৪ বছর আগে পড়েছি আজকের আধুনিক ব্লগার ভাই বোনেরা কি সে উপন্যাসটা পড়েছেন বা সেটার নাম বা লেখকের নাম বলতে পারবেন? যাই হোক অত চিন্তা ভাবনা বাদ দিয়ে কয়েক দিন আগে ব্লগার ভাই বোনদের সাহায্য চেয়ে বিভিন্ন ব্লগেএ পোস্টটা দিয়েছিলাম, রি-পোস্টও করেছিলাম। যা ভেবেছিলাম তাই, কোন উত্তর পেলাম না। আশা ছাড়িনি, ভেবে ছিলাম কিছুদিন পর আবার পোস্ট দেবো। কিন্তু আর পোস্ট দিতে হলো না, গতকাল (১৩-০৫-২০১২) আমারব্লগ.কম এ প্রথমে অয়ন চ্যাটার্জি এবং এর পরপরই যগাই জানালেন উপন্যাসটার নাম সিন্ধু পারের পাখি লেখক প্রফুল্ল রায়। অয়ন চ্যাটার্জির কাছ থেকে বইটার pdf লিংকও পেলাম। কিন্তু নুতন করে আর এক প্যাঁচে পড়লাম, ব্লাগার শনিবারের চিঠি লিখলেন ‘সিন্ধুপারের পাখি তো অখণ্ড’। অয়ন চ্যাটার্জির দেওয় pdf ফাইল দেখলাম বইএর শেষে সমাপ্ত লেখা আছে। শেষের দুই চ্যাপটার পড়লাম দেখলাম আমার আগের পড়া সেই উপন্যাসটাই, কিন্তু পড়ে কোন ভাবেই মনে হলো না যে এটার অন্য কোন খন্ড থাকতে পারে। কিন্তু আমার মনে পড়ছে আমার পড়া বইটার শেষে লেখা ছিল ‘প্রথম খন্ড সমাপ্ত’ যে কারনে বইটা এত দিন খুজে বেড়িয়েছি। উপন্যসটা অখন্ডই হোক বা দ্বিখন্ডিত হোক কিছু আসে যায় না, এত দিন পর বইটার খোজ পেয়েছি তাতেই আমি খুশী। ধন্যবাদ কম্পিউটার বিজ্ঞানকে, ধন্যবাদ ইন্টারনেটকে, ধন্যবাদ ব্লগিং কে এই সব প্রযুক্তির কারনে আমার এত দিনের একটা খোজ শেষ হলো। ধন্যবাদ সব ব্লগার ভাই বোনদের যারা আমার ব্লগ দেখেছেন মন্তব্য করেছেন আর বিশেষ ধন্যবাদ অয়ন চ্যাটার্জিকে বইটার pdf কপি দেবার জন্য।
৯টি মন্তব্য ৫টি উত্তর
আলোচিত ব্লগ
অপারেশন ইকারুস: বালির নীল গোলকধাঁধা

কুয়ালালামপুর অপারেশনের ঠিক সাতদিন পর। ইন্দোনেশিয়ার বালি দ্বীপের ‘নগুরা রাই’ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যখন একটি প্রাইভেট চার্টার্ড বিমান ল্যান্ড করল, তখন বালির আকাশ জুড়ে গোধূলির রক্তিম আলো।
বিমান... ...বাকিটুকু পড়ুন
যদি কামের কাম না হয়, সংখ্যা দেখলে বিগাড় ওঠে

বগুড়া জিয়াউর রহমান মেডিকেল বর্তমানে ৫০০ শয্যা বিশিষ্ট। এতেই রুগিরা সেবা পায়না, অপরিচ্ছন্ন, লোকবল নেই, যন্ত্রাংশ নষ্ট, ওষূধ নেই, ১৫০০ শষ্যাবিশিষ্ট করে লাভ কি? সেবা নিশ্চিত হবে না...
এখন ডাক্তাররা... ...বাকিটুকু পড়ুন
তুমি কার জন্য বাঁচো? কীভাবে এ-আই দিয়ে কভার সং তৈরি করি?
প্রথমত, এ-আই দিয়ে গান তৈরি করা অনেক সহজ। আপনি নিজে কোনো লিরিক না লিখে, কোনো সুর তৈরি না করেও এ-আই-তে প্রম্পট দিয়েই গান তৈরি করে ফেলতে পারেন। তবে সেটা আপনার... ...বাকিটুকু পড়ুন
পলাশবাড়ীর মূর্তি বিতর্ক, ধর্মীয় স্থাপনার আড়ালে কি অন্য কোনো নীলনকশা?
সাম্প্রতিক ভূরাজনীতি ও জাতীয় নিরাপত্তার সমীকরণে হাইব্রিড ওয়ারফেয়ারবা অপ্রতিসম যুদ্ধকৌশল এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে, যার প্রধান লক্ষ্যবস্তু রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ সামাজিক ফাটল ও অননুমোদিত কাঠামোর মাধ্যমে মানুষের মনস্তত্ত্ব নিয়ন্ত্রণ করে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।
