বাংলাদেশের অন্যতম উদীয়মান শিল্প হচ্ছে ওষুধ শিল্প । দেশে যেসব ওষুধের দরকার তার ৯৮% ই বাংলাদেশী প্রোডাকশনের দ্বারা মেটানো সম্ভব হচ্ছে । শুধু প্যারাসিটামল বা গ্যাস্ট্রিকের ওষুধই না, বাংলাদেশে অ্যান্টিবায়োটিক, ইনসুলিন, ক্যান্সারের ওষুধ, জলাতঙ্ক সহ বিভিন্ন রোগের ভ্যাক্সিন এমনকি ইদানিংকালে সাপের কামড়ের অ্যান্টিভেনম পর্যন্ত তৈরি হচ্ছে । এসব উচ্চ মানের জেনেটিক্যাল আর সফিস্টিকেটেড প্রোডাকশন ইউটিলিটির ওষুধ ও ভ্যাক্সিন এখন এদেশেই তৈরী হয়, যা বিশ্বের ১৪০ এর অধিক দেশে রপ্তানি হচ্ছে ।
আর এই যে এতো সুবিশাল ওষুধ শিল্প আর বায়োমেডিক্যাল গবেষণা তার নেতৃত্বে আছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় । এদেশের ফার্মাসিটিউক্যালসগুলোর ৯০% এর অধিক ফার্মাসিস্ট, ফার্মাকোলজিস্ট ও গবেষক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী।

এতো বড় ফার্মাসিটিউক্যালস খাত আমাদের, যা নিয়ে কতো গর্ব আর ভাবনা আমাদের অথচ এর পিছনের এ খবর ক'জন জানে । খালি তো মিডিয়া আর হেটার্সরা পড়ে আছে ঢাবি বিশ্ব ব়্যাংকিংয়ে নাই এ খবর নিয়ে ।
যেই না বরাদ্দ রিসার্চের জন্য তাতেও কতো কি করে দেখাচ্ছে আমাদের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা, যদি বরাদ্দ বাড়ানো যেতো তবে আমরাও হয়তো গবেষণায় অন্যদের টেক্কা দিতে পারতাম ।
বালিশ উঠাতে যে বরাদ্দ তার অর্ধেকও যদি বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গবেষণা খাতে ব্যয় করা যেতো তবে হয়তো দেশের পরিস্থিতিটাই পাল্টে যেতো ।
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই জুলাই, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৩৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



