somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

প্রিয় কে নাপাওয়া লেখা শেষ চিঠি

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১৭ সকাল ১০:১০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

-- ০১/০৯/২০১৭
ভোলা ।

রাত ১০টা ৩০ মিনিট
প্রিয় --
বন্ধু তুমি তুমি কেমন আছো স্রষ্টার কৃপায় ভালো আছ নিশ্চয়ই ।
ক দিন যাবত আমার মনের সাথে হিমশিম খাচ্ছি
বেশ ভাল লাগছেনা আমার ।বুকের মধ্যে ব্যথাটা কেমন অচিরে কষ্ট লাগছে পৃথিবীর মানুষ গুলো ভুলে যাবে আমায় একদিন আমায় মাঠ ঘাট সমস্ত তৃন্ন লতা আমায় ভুলে যাবে।ভাবি
আমার কথা গুলো অচিরেই অগোচরে থেকে যাবে নিজের সাথে রাখতে না পেরে
ভাবি বন্ধু টা কে যদি একবার হলেও শেয়ার করে জানাতে ইচ্ছে হল
মনের মধ্যে একটা অনূভূতি জাগলো। কি করি কি করি
আমার ঘরের প্রায় সবাই আছে নিজের ভিতর শূন্যতা মনে হয় আমার সবাই আপন জন কিন্তু প্রিয় হয়ে উঠে নাই তার ভিতর। নিজেকে বড় এক মনে হয়।
খেলার চলার বন্ধু দের সাথে বড্ড মিশি
কিন্তু ভুলিয়ে রাখি নিজেকে কেমন জানি তবুও আমি ভাল থাকতে আমার মাঝে লুকিয়ে রাখি শুনেছিছ আমার মুখে প্রিয় মুখটি হারিয়ে আজ
_________আমি ভালবাসতাম কি জানিনা
ভাল বাসা বাসি ভূত মাথায় কখনো চাপেনাই।
জীবন টার একটা পেছাল পরিয়া হয়ত মনের জিত করিয়ে এই প্রথম কাউকে ভালবাসতে গেলাম।
তখন জীবন টার বাড়ন্ত বয়স মনের জোরে নিজে
সইতে না পেরে একটা দৌড়া মারলাম ওই যেমনটা গোল্লা ছুঁচের মাঠে ছেলেরা যেভাবে দৌড়ায়।
মনের ভিতর সংসার দুঃখের একটা অভাব ছিল।
তার ভয়ে ভয়ে কাটত আমার জীবন কাউকে বলতে পারি নাই । দশ পাঁচ টা ছেলে মানুষি মত নয়। তা হলে তো নিজেকে ভাগ্য বান মনে করতাম ।
স্রষ্টা র সুধায় আমি কেবল অবহেলা ভিতর পরেছি।
ও তোকে তো বলাই হয় নাই আমি সুন্দর স্মার্ট হলে ও ভিতরে ছিল ভাঙা ধানের নাড়ার শক্তি ।
কিন্তু কাউকে ভালবাসার আগে জানা ছিল না
ভালবাসার দান প্রতিদান মর্যাদা দিয়ে লেলে পুলে
বড় করতে হয়।
মনের ভিতর একটা জিদ বলছ রাগ বলছ ওসব
কারনে ভালবাসতে গিয়েছিলাম ।
না আমি পারি কাউকে ভালবাসতে আমি ছোট ঘরের সন্তান হলে ও তোদের কাছে কানা হয়ে থাকব নয়ত মানুষ বলবে কোন দুঃখ সুখে মনের উপর চাপিয়ে দিতে চাইবে।
এজন্য সত্যি সত্যি কাউকে এইত ভালবাসা ।
তুই জানতি কি আমার জানা নাই।
তোকে যে এতক্ষণ গল্প শুনলাম বাড়ি র দক্ষিণ পাশে দেমাককি অহংকার কারী লোভী মেয়ে টা। যাক
তোর ভাল বাসা হেলা পেলা অবহেলা কারনে আবার বেশি ভালবাসার জোকারের অবশেষে পশ্চাতে হল আময় হয়ত আমি কতটা এই আছি
খোদা ঠিকই তার ওজনের মাপকাঠি তে মেপে গেছেন বলতে পারবিনা।
তখন যে আমার অকৃত্রিম সেই ভালবাসা পুলক জেগেছিল আমি কিন্তু বুঝতে পারিনাই।
যদি বুঝতাম আর কখনোই বা জানিতাম
ক্ষত বিক্ষত হেলা পেলা ভাঙা পেয়ালা মত অগোচরেই বাড়ির আঙিনার দক্ষিণ পাড়ে পরে থাকতাম না জীবনের আস্বাদন রস ছিল মনে মধ্যে ।
একটা মানুষকে ভালবাসব তাকে ঘীরে সপ্ন নয়নে কচি পাতা গুলো যৌবন হেসে
গুলো ফুলে ফুলে মধুর ঘ্রাণে ভরে উঠত।
যখন ই বুঝতে পেরেছি যে তখনই
ভালবাসার জন্য কতটা সিরিয়াস হয়ে পরেছি
তোকে বলে বুঝতে পারব না ।
আমি য সিরিয়াস হতে গিয়ে তোর সাথে
কিছু না বলতে পেরে নিজেকে ক্ষুরে ক্ষুরে খেয়ে
বাঁশ গাছের মত নিজে ভেঙে চুরমার হয়ে লন্ডন বন্ড দু ভাগ ভাঙা কাচ বাঁশ হয়ে বাঁশ ঝাড়ে পড়ে আছি আমাকে কোন মালিক কিনতে ও আসে না
মালিক খোঁজ খবর নেয় না।
মাথা নত হয়ে শত ঝরা বৃষ্টি সহ্য করে করেই যাচ্ছি।
এখনো মাঝে মাঝে নিজেকে অথই হারিয়ে বসিরে।
বাংলাকে আমি ভালবাসি বাংলা মাঠ ঘাট খোলা মাঠে আকাশের নিচে সবুজ ঘাসে আবেগ বেশে
নয়ত দরিয়া সাগর পাড়ে ধু ধু মাখা কুয়াশা চিরে
এক নুপুর পড়া রিনিঝিনি পায় হেঁটে হেঁটে আমার পাশ টায় ঘা ঘেঁসে বসে পড়ল কেউ। এটাই ছিল আস্বাদন রস আমার মাঝে মাঝে ভাবি হবে বুঝি এ পূরণ টা
ভাবতে কি অবাক লাগে মনে হয় এভাবে মাঝে খুঁজে পাই বড্ড খুঁজে পাই।
তোকে পাব তাই বলে আমি সুখী না শুধু একট ঘুম ।
ক্লান্ত এক রাতে যতক্ষণ হয় তোর পাশটায়।
আমার ঘুম ভাঙাতে যদি দেরি হয়
জাগাইসনা আমারে আমি নিজে যখন জাগি।
জীবনের লেনদেন মুছে যাবে আমার তারপর
হয়ত যদি চলে যাস যাবি
বাধা দিবনা আমি নতুন পৃথিবীর সাজিয়ে দুঃখের অবসান ঘটিয়ে আবার হাসব।
আমি বলব অনেক দুর অবস্থায় কে দুর করলো।
খোদার কৃপায় আমি নতুন রঙে সাজিয়ে এক মুঠো হাসব।
মানুষ পদে পদে অপদস্থ করেছে আমায়
কারো প্রতিবাদ করিনি কারো সাথে শত্রুতামি করিনি কারো কারন আমি হেরে গেছি
যুদ্ধের পথিক কিংবা খেলার মাঠ থেকে
চোখে অশ্রু নিয়ে দর্শক যেমন মাথা নিচু করে
কেঁদে রুমাল মুখে চলে আসে ঠিক তেমন টাই।
ভালবাসার মানুষ তুই তোকে না পাওয়ার বেদনা
আমি যে একটা আস্ত মানুষ ভেঙে চুরমার হয়ে
গঙ্গা র জলে ভাসছি কেউ দেখে না আমায় আর কাউকে বলি ও না আমি আমার কথা গুলো কাউকে বলি না হয়ত আমার অজান্তে সামনে সামনে আপসোস করবে পরে আমায় আস্ত ঘৃণা করবে।
আর তোকে অবহেলা আমার মনের বড় আরেকটা যদি সর্বনাশ হয়ে যায়।
আমি তোকে মাঝে জান্নাতের বাগান মনে করি
আসলে তুই একটা জান্নাত শুধু বলাটাই ছিল।
জানিনা কখনো তোর কাছে মাপ পাব বলে জানিনা।
তবে যে ফুলে আঘাত আমি সইতে পারিনা।
লিখতে লিখতে আর পারছি ভাল থাকিস
ইতি মুসা
শশীভূষণ ভোলা
চরফ্যাসন।

সর্বশেষ এডিট : ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১৭ সকাল ১১:৫০
৩টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ভেষজ চায়ের সঙ্গে আমার অব্যাহত প্রেম!

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১২ ই আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১১:৫৩



ভেষজ চায়ের সঙ্গে আমার অব্যাহত প্রেম!

জীবনে অনেক কিছুই শেষ করেছি- কিন্তু ভেষজ চায়ের পরীক্ষা-নিরীক্ষা এখনও শেষ হয়নি!
সবুজ চা, লেবু-আদা-তেজপাতা, দারুচিনি, এলাচ-লবঙ্গ, গোলমরিচ, পুদিনা-রোজেলা, জাফরান, জেসমিন থেকে শুরু... ...বাকিটুকু পড়ুন

আশা রাখি: কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ রাষ্ট্রপতি হবেন

লিখেছেন অপলক , ১২ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ৮:৪০



আমার দেখা সকল রাষ্ট্রপতিগন ছিলেন ডায়াবেটিকস রোগীদের মত। যাদের রাজনৈতিক জীবনীশক্তি ছিল না বললেই চলে। প্রধানমন্ত্রীর অলিখিত আজ্ঞাবহ মাত্র। ফর্মালিটি আছে কিন্তু কাজের স্বকীয়তা ছিল না। কোন আইকোনিক ডিসিশন... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৫৬৩৫-৩৬

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১২ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১১:৪৯

মন কথনিকা-৫৬৩৫
খেতে খেতে গেল জীবন, নজর যে নাই স্বাস্থ্যের পানে
খেয়ে গেছি যা পেয়েছি, যা পেয়েছি বামে ডানে
বাড়লো চর্বি, কমলো যে জোর, শান্তি হারাই পদে পদে
এই না জীবন পার করতে চাই,... ...বাকিটুকু পড়ুন

রাত ৮ টায় বিপণিবিতান-দোকানপাট বন্ধের নির্দেশ | দেশজুড়ে বইছে গণতন্ত্রের সু-বাতাস

লিখেছেন জ্যাক স্মিথ, ১৩ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১:৩৫



দেশজুড়ে বহু বহু করে বয়ে যাচ্ছে গণতন্ত্রের সু-বাতাস, চারিদিকে পতপত করে উড়ছে গণতন্ত্র নামক শান্তির পতাকা- সারা বংলায় এমন শান্তিময় পরিবেশ স্বাধীনতা পরবর্তীকালের ইতিহাসে আর দেখা যায়নি কখনো; এরই ধারাবাহিকতায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

২০০১ সালেও বিএনপিকে ডোবানোর দায়িত্ব নিয়েছিল টুকু!

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১৩ ই আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ২:৫১


ভয়াবহ লোডশেডিং। মধ্যরাতে ঢাকবাসীর হাঁসফাঁস। হঠাৎ করে এতো লোডশেডিং হওয়ার কোন কারণ নেই অথচ মধ্যরাতে ভয়াবহ লোডশেডিং। গ্রামে বিদ্যুৎ থাকেনা বললেই চলে। গ্রামে বিদ্যুৎ যাওয়ার সময় আছে কিন্তু আসার... ...বাকিটুকু পড়ুন

×