এক ছেলে দোকানে গিয়ে বলছে, ভাই, ভালবাসা দিবসে উপহার দেয়ার জন্য সব চেয়ে সুন্দর ভিউ কার্ড দিনতো।
দোকানদার বলছে যে, খুব সুন্দর কিছু কার্ড আছে, কিন্তু দামটা বেশি পড়বে।
ছেলেটা বলল, ভালবাসার মানুষকে দিব, দাম কোন ব্যপার না।
তখন দোকানদার বলছে, আপনি এতো ভালবাসেন তাকে! এই বলে খুব সুন্দর একটা কার্ড দিল তাকে এবং জিজ্ঞাস করল যে, কি লিখব কার্ডে?
ছেলেটি বলল, লিখেন, ”আমি শুধু তোমাকেই ভালবাসি, আমার সমস্ত ভালবাসা শুধু তোমার জন্য”
শুনে দোকাদার ভাবছে, আহারে কি নিখাদ ভালবাসা, এমন লোকও হয় এই জমানায়!!! তারপর প্যাকেট করে কার্ডটা দিল ছেলেটাকে।
তখন ছেলেটি বলল, ভাই এই একটা কার্ডে হবে না, ”আমি শুধু তোমাকেই ভালবাসি, আমার সমস্ত ভালবাসা শুধু তোমার জন্য” এই কথাটি লিখে আরো চারটা কার্ড দিন।
তখন দোকানদার মাথায় হাত দিয়ে ভাবছে, তাই তো বলি, আজকাল প্রেমে মড়া জলে ডুবে কেন! এতো ভালবাসার ওজনওতো কম না........
আজকাল যেমন আমছাড়া আমের জুস বানানো হয়, দুধ ছাড়া দুধ চা-ও হয়, তেমনি আজকাল ভালবাসা ছাড়াও ভালবাসা হয়, কাঠালের আমসত্ত্ব- এর মতো আরকি,,,,আর বর্তমান বাজারে এসবের কাটতিই বেশি, মুখের চেয়ে মুখোশের দাম বেশি। তাই বলে কি আমি মুখোশ পড়ব!?! কোনক্রমেই নয়, কারণ মুখোশ পড়ে মোহ মেটানো যায়, ভালবাসা নয়। এই মোহ ক্ষণিকের, যা কাটতেও বেশি সময় লাগেনা। কিন্তু অনেকে এই মোহকে ভালবাসা ভেবে ভুল করে, না পাওয়ায় হা-হুতাশ করে।কেনরে ভাই,
যারা মুখোশ পছন্দ করে, নাইবা পেলে এমন ফানুষ,
আসল মুখ, চিনবেই কেবল আসল মানুষ।
”সবাই সমান ভালবাসতে পারে না। প্রেমের ক্ষেত্রেও প্রতিভার প্রয়োজন আছে। খুব বড় শিল্পী, কি খুব বড় গায়ক যেমন পথেঘাটে মেলে না - খুব বড় প্রেমিক বা প্রেমিকাও তেমনি পথে ঘাটে মেলে না। ও প্রতিভা যে যেকোনো বড় সৃজনী প্রতিভার মতোই দুর্লভ, এ কথা সবাই জানে না।”--বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় (উপন্যাস- দৃষ্টি প্রদীপ)
(শুধু এই এক দিনের জন্য নয়, সবার মনে ভালবাসা জাগরূক থাকুক সারাটি বছর, সারাটি জীবন। শুধু একজনের জন্য নয়, এ ভালবাসা ছড়িয়ে পড়ুক মানবতার মাঝে।তাহলে হত্যা-খুন, ধর্ষণ তথা সব ধরনের অন্যায় এমনিতেই একদিন বিলীন হয়ে যাবে।সবার প্রতি রইল আমার অফুরন্ত ভালবাসা, যার ব্যাপ্তি সারাটি বছর, আর শুধু প্রকাশটা-ই এই দিনে।)

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


