শিক্ষক বল দেখি কোন মাঠে খেলোয়াড়রা খেলাধুলা করলে দর্শকদের আহত
কিংবা নিহত হয়ার সম্ভাবনা থাকে?
সিয়াম: রাজনীতির মাঠ স্যার...
শিক্ষক: কেন?
সিয়াম: স্যার এরা গাধা....!
শিক্ষক: কেনরে?
ছাত্র: নিজেরা মরে, দেশের মানুষদেরও মারে তাই স্যার .....
শিক্ষক: এরা খুনী.....?
ছাত্র: না স্যার, আমি বাঁচতে চাই তাই বলব এরা ভাল মানুষ।
কিন্তু দু:খের বিষয় হচ্ছে এখন ছাত্রদেরও বাচার উপায় নাই। ছাত্ররাজনীতির কবলে পড়ে ঝড়ছে অনেক মেধাবী প্রাণ, অঙ্কুরেরেই বিনষ্ট হচ্ছে অনেক বাবা-মায়ের লালিত স্বপ্ন। অনেক মেধাবী বন্ধুকে দেখেছি বই খাতা বাদ দিয়ে ছুরি-চাপাতি নিয়ে ঘুরতে, আর এক বন্ধু একদিন আক্ষেপ করে বলছিল,” আজ মেশিনের ডিলারের সাথে কথা বলে আসলাম, দ্যাখ কতটা নীচে নেমেছি”।
এক বড় ভাই হলের গেস্টরুমে ঝাড়ি খেয়ে আসার পর জিজ্ঞাস করলাম, ভাই চোখে পানি কেন? তখন তিনি বলল, ছাত্ররাজনীতি করলেই এত হিংস্র হতে হবে কেন!! তোকে একটা গল্প শোনাই
” এক লোক বলছে,পেপারে দেখলাম আমেরিকায় অাশংকাজনকভাবে বাস্টার্ড ছেলে মেয়ের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে, বাবা মার খোজ খবর নাই, এড়া যায় কই? পাশের এক লোক বলছে, এরা আমেরিকার সেনাবাহিনীতে যায়, দেখস না তারা কত হিংস্র।” এখন আমার মনে হচ্ছে বর্তমানে বাংলাদেশের যারা বাস্টার্ড, তারা ছাত্র রাজনীতি করে, নতুবা তারা এতো হিংস্র হবে কেন!!!
রাজনীতিজীবীদের উদ্দেশ্যে বলি,
আর কতগুলি প্রাণ বলি গেলে মনে হবে আপনার ভাগ্যবিধাতা তুষ্ট হয়েছে? আর কত অরাজকতা সৃষ্টি হলে মনে হবে শিক্ষাঙ্গনের পরিবেশ নষ্ট হয়েছে? আর কত মেধাবী ছাত্র হিংস্র জানোয়ারে পরিণত হলে মনে হবে রাজনীতির যোগ্য উত্তরসুরী তৈরি হয়েছে?
দয়া করে এইবার থামেন এবং থামান; অনেক হয়েছে, আর না। ছাত্ররাজনীতির গৌরব ফুরাতে ফুরাতে এখন নেগেটিভ ফিগারে চলে গেছে। বাবা-মা যে স্বপ্ন শিশুর হাটি হাটি পা পা থেকে দেখা শুরু করে, সে স্বপ্ন ধ্বংস নয়, লালন করাই আপনাদের দায়িত্ব। স্বপ্ন পূরণের সীমান্ত রেখায় এ স্বপ্ন ধুলিস্মাৎ করার অধিকার আপনাদের কে দিয়েছে????!!!!
ছাত্ররাজনীতিকে নিষিদ্ধ করার সময় চলে যাচ্ছে, আর সেটা না করলে কিছুদিন পর মানুষ রাজনীতিকে নিষিদ্ধ করার দাবি জানাবে.......
কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সায়াদ হত্যা: মৃত্যুর আগে সায়াদ ‘ভাইয়া, আমাকে ছাত্রলীগের ছেলেরা মেরেছে’

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


