somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বাক্যব্যয় + বাক্য ‍ প্রতি অপব্যয় = মানসিক দেউলিয়া (অনায়াসে উচুতে উঠার বা বড় হওয়ার কৌশল

১৩ ই এপ্রিল, ২০১৪ দুপুর ১:৫৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

এক মাতাল ব্রিজের উপর দিয়ে যাবার সময় নিচে পানিতে চাঁদের প্রতিবিম্ব দেখে থমকে দঁড়ায়-
মাতাল :- এই যে ভাই, নিচে ওটা কি?
পথচারী :- ক্যান চাঁদ।
মাতাল :- কি ?------------ আমি এতো উপড়ে কি করে উঠলাম ??


এ থেকে বুঝা গেল যে, শুধু সংগ্রাম করলেই এতো উচুতে উঠা যায় না, পেটে কয়েক গ্লাস মাল পড়লে অনায়াসেই উচুতে উঠা যায়। ইদানিং সাবেক বিরোধী দলের ভবিষ্যৎ কর্ণধারের কিছু উক্তি থেকে প্রথম প্রেসিডেন্ট হওয়া বা কাউকে অবৈধ ঘোষণা করে নিজেরা উচুতে উঠার প্রয়াস সহজেই অনুমেয়। এক্ষেত্রে, এ নিয়ে অযথাই বাক্যব্যয় করার কোন মানে আছে বলে আমার মনে হয় না। কিন্তু এ নিয়ে সরকারী দল বা অন্য কোন রাজনৈতিক দল বাক্যব্যয় করে জাতীয় সংসদে প্রতি মিনিটে (প্রায় ৭৮ হাজার টাকা) দেশের জনগণের কষ্টের টাকা উড়ানোকে কোনক্রমেই সমর্থন করা যায়না। এছাড়া তেলযুক্ত বাক্যব্যয় করে প্রধানমন্ত্রীকে সন্তুষ্ট করার প্রয়াসও কোনক্রমেই গ্রহণযোগ্য নয়।

এছাড়া ক্ষমতাসীন ও ক্ষমতাহীন দলের বিভিন্ন নেতার তীর্যক এবং অথর্ব বাক্য আমাদের আগের আমলের রাজা বাদশাদের আমলে তাদের সভায় শোভিত ভাড় (কৌতুক অভিনেতা যেমন, বীরবল বা গোপাল ভাড়) এর কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।

দয়া করে নিজেদের সত্যিকারের পরিচয় তথা খোলসবিহীন পরিচয় দিতে গিয়ে আমাদের মত সাধারণ জনগণকে নিজেদের মত এতটা গোবরমন্ডিত মস্তিষ্ক ভাববেন না, প্রেস্টিজে খুব লাগে। আর যারা দেশের নেতৃত্ব দিচ্ছেন বা দিবেন তাদেরকেও এমন অথর্ব বা ফাউল ভাবতে নিজেদের খুব খারাপ লাগে। কথা না জানলে প্লিজ বলবেন না, মিডিয়ার কল্যাণে বা অকল্যাণে আপনাদের চরিত্র (রাজনীতিজীবীদের) তথা দেশকে যার নেতৃত্ব দিচ্ছেন বা দিবেন তাদেরকে পুরো বিশ্বই চিনতে পারছে। আমাদের দেশকে মূল্যায়ন বা অবমূল্যায়ন করতে আপনাদের এসব কর্দমাক্ত বাক্যই যথেষ্ট, যা দেশের বাইরে আমদের অপরিনামদর্শী ও বর্বর হিসেবে খ্যাতি বা কুখ্যাতি এনে দিচ্ছে। এ দেশকে নিয়ে তামাশা করা অধিকার আপনাদের কে দিয়েছে?

তাই দয়া করে অযথা বাক্য ব্যয়ে আরো সচেতন হউন আর মুখে কথায় ঠেলাঠেলি করলে দ্রুত ফুলস্টপ ( . ) দিয়ে দিন , কারণ, মনে রাখবেন পুরো বাংলাদেশটা একটা রঙ্গমঞ্চ না।
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই এপ্রিল, ২০১৪ বিকাল ৫:৫২
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মাদ্রাসা শিক্ষা একটা কর্মবিমুখ শিক্ষা

লিখেছেন ধূসর সন্ধ্যা, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৮:১৫

এদেশের মাদ্রাসা শিক্ষারে আপনি একটা স্ক্যাম হিসেবে ধরতে পারেন। মাদ্রাসার বোর্ডের নিয়ন্ত্রণে যে মাদ্রাসাগুলো আছে সেগুলো বাদ দিয়ে অন্য সব মাদ্রাসাই এই স্ক্যামের ভেতরে। এটা একটা ভিক্ষার সাইকেল, দারিদ্র্য'র দুষ্টু... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঝর্ণা জল

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১১:২১


আমি ব্যস্তবতা দেখি
পানকৌড়ির সাঁতার-
কল্পনায় শুধু স্বপ্ন আঁকি,
মধ্যবিকাল ঢেউ তোলা সাগর
হতাশা ডিঙিয়ে যায়- নিরিবিলি
রাত দুপুরের বাসর।

উড়ে ধোয়া, নিঃশ্বাসে সাদা বক,
খেলা করে যে, প্রণয়ের চক-
নীল মেঘ ভীর জমায়, বর্ষা কাঁদাময়,
ভোরের ক্লান্তি দেখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

নিশীথের মুঠোয় - কেয়া ।

লিখেছেন দানবিক রাক্ষস, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:১৪



আমি সূর্যোদয়ের অপেক্ষায়,
হিমশীতল সকালের ভেতর নত চোখে চেয়ে আছি।
হিমার্ত জানালায় জমে ওঠে নিঃশ্বাসের মেঘ—
আঙুল বুলিয়ে মুছে দিই;,
যদিও জানি, আজ সেখানে তোমার পদচিহ্ন নেই।

শরতের বৃক্ষেরা পত্রমোচনের ভাষা জানে;
আমি কেবল তোমার... ...বাকিটুকু পড়ুন

জিম করা কি হারাম?

লিখেছেন চারাগাছ, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:০৬




জিম করা কি হারাম?

হ্যাঁ, জিম করা হারাম!

যদি জিমে গিয়ে নিজের পেশিবহুল বাহুডোরে কোনো ললনাকে জড়িয়ে ধরেন!

কিন্তু তারপরেও কথা থাকে।

এখানে জড়িয়ে ধরাটা হারাম। জিম করাটা নয়!

অর্থাৎ, জিমে গিয়ে শরীর... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রচন্ড রোদে

লিখেছেন সাইফুলসাইফসাই, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:০০

প্রচন্ড রোদে
সাইফুল ইসলাম সাঈফ

রূপসী এদিক ওদিক কী খুঁজো
মনের মতো কাঙ্ক্ষিত পুরুষ
এভাবে সোনালি কতোদিন বিনষ্ট করবে
আমায় একটু ভেবে দেখো।
শূন্য হৃদয় নিয়ে কেঁদে মরি
কেউ নেই পাশে, গেছে সবাই ছাড়ি।
দরিদ্র বলে জুড়েনি তাই... ...বাকিটুকু পড়ুন

×