”হিন্দু না ওরা মুসলিম? ওই জিজ্ঞাসে কোন জন?
কান্ডারী! বল, ডুবিছে মানুষ, সন্তান মোর মার.....”
এমন বলিষ্ঠভাবে বলতে পারার কবি হয়তো এখন গুগুলেও সার্চ দিয়ে পাওয়া যাবে না, যে কিনা জাত, দল, ধর্ম নির্বিশেষে সবাইকে আপন করে নিতে পারে, সবাইকে স্বজন ভাবতে পারে, জাতির দুর্দিনে আকুল আকুতি জানাতে পারে.. হয়ত এ যুগে তিনি থাকলে বলতেন..
সাধারণ না অসাধারণ জনগণ? ওই জিজ্ঞাসে কোন জন?
কান্ডারী! বল, ডুবিছে মানুষ, সন্তান মোর মার.....
হয়ত দল নিয়ে তিনি ভেদাভেদ করতেন না, হত্যা, গুম, দুনীর্তি করায় দলভেদে বিশেষ রেয়াত ব্যবস্থার প্রতিবাদ জানাতেন কাব্যিক ভঙ্গিমায়। জাতির দুর্ভাগ্য এমন গদ্য বা পদ্য কবি আজ বিলুপ্ত। পা-চাটায় দেশটা ছেয়ে গেছে। এক পক্ষ কাঁদাকাটি আর প্রতিবাদ করে অপর পক্ষের খাওয়া দেখে আর অপর পক্ষ ব্যস্ত অপরকে দাবিয়ে রাখতে ... চলছে, চলবে!!!???
কেউ বিদ্রোহী কন্ঠে বলে না..
”আজি পরীক্ষা, জাতির অথবা জাতের করিবে ত্রাণ?
দুলিতেছে তরী, ফুলিতেছে জল, কান্ডারী হুশিয়ার!”
তাই তাঁর মতো আশায় আমারাও বলতে পারিনা...”উদিবে সে রবি আমাদেরি খুনে রাঙিয়া পূনর্বার।”
হয়তো তাই দুর্ভাগ্য কবলিত এ জাতির মানসিক দাসত্বের শৃঙ্খল থেকে মুক্ত না করতে পেরে বলে গেছেন....
“রক্ত ঝরাতে পারি না তো একা, তাই লিখে যাই এ রক্ত লেখা”।
আমাদের জাতিয় #কবি_কাজী_নজরুল_ইসলামের জন্মদিনে তার আত্নার মাগফেরাত কামনা কারছি। আর খোকার সাধের মতো তিমির বিদারী খোকা জাগার প্রতিক্ষার প্রহর গুনছি..
”আমরা যদি না জাগি মা কেমনে সকাল হবে?
তোমার ছেলে উঠলে গো মা রাত পোহাবে তবে!'”
রাত পোহাবার ও নতুন ঊষার প্রতিক্ষায় আমি জেগে আছি.......

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


