অপরূপা তুমি
তোমাকে যে কি অপরূপা লাগে!
তা দেখি আমি দু’চোখ ভরে।
প্রেমের স্বাদ পেতে চাই আমি
তোমায় ছুয়ে
পৃথিবীতে স্বর্গ পেতাম
তোমায় পেলে।
ভালবাসি শুধুই তোমায়
তবু দ্বিধা জাগছে বারবার
কাছে যেতে তোমার
ইচ্ছা হয়, হাত ধরে
নিয়ে যেতে তোমায়।
লোক চক্ষ’র অন্তরালে
কোন নাম না-জানা দ্বীপে
পারি না, হেরে যাই বারবার
চিন্তা রাজ্যে যখন
বাস্তবতার ছোয়া লেগে যায়।
তোমার উৎসব
জানি তুমি কাঁদবে তখন
যখন, হাঁসি-খুশি চারদিকে;
উৎসব আয়োজনে মুখর সবদিক।
তোমাকেই ঘিরে আনন্দ সকলের
হাতে মেহেদী, কপলে লাল টিপ
এই হালকা সাজে
আমি নিশ্চিত জানি
অমাবশ্যার সেই রাতে
জোৎস্না এসে ভীর জমাবে
তোমার দ্বারে
তবুও তুমি কাঁদবে।
আমিতো সারাক্ষন থাকবো
তোমায় ঘিরে;
হিমেল বাতাস হয়ে
আসবো খোলা কপাট দিয়ে
ছুয়ে যাব বারবার।
হঠাৎ যদি কোন এক অবসর রাতে
ধ্রূব তারাটিকে চেয়ে দেখ;
দেখবে আমিই তাঁরা হয়ে
তাকিয়ে আছি তোমার দিকে।
জানি সেদিন তুমি কাঁদবে
আমিওতো ব্যস্ত থাকবে
নিজ চোখের জল লুকাতে;
অসহায় চিতা কষ্ট পাবে
অনন্ত কারাবাসে।
অনুরোধ তোমায়
কেঁদোনা সেদিন
ফেলে আসা স্মৃতি মনে করে।
সময়
জনস্রোতে ভাসিয়েছি নিজেকে
গন্তব্য জানা নেই
যেতে হবে বহুদূর।
স্নিগ্ধ পরিবেশে, নিশ্চিত পাব জেনে
হাঁটি ঢিমা তালে;
বড্ড বেশি দেরী করে ফেলেছি
কয়েক মূহুর্ত আগে
দখল করেছে আসন আরেক জন
যা পেতে পাবতাম আমি।
পিছু ফিরে দেখি
ডেকেছিল যে, চলেছে সেও
আপন আনন্দে পূর্ণ আসনে।
বুঝলাম, মনস্থির করে বললাম
বেশি সময় দেরী হয়েছে।
ঠিকানা বিহীন
কোথায় আছ? কেমন আছ?
নেই তা জানা;
দূরে অনেক ভাল আজ
এই করি কামনা।
আমি আছি বহু দূরে
সাত সাগরের উপারে;
একলা আছি অনেক দু:খে
বুঝনি কভু আমারে।
দু:খের মাঝে সুখ স্মৃতি
মাঝে মাঝে দেয় উকি;
চোখ ভরে নূনাজলে
বুক ব্যাথা দিবা-নিশি।
আমি আছি তোমার আশায়
মেঘ ভরা এই দুপুরে;
ইচ্ছে হলে দেখে যেও
বৃষ্টি ঝড়া কোন দুপুরে।
থাক তুমি চির সুখে
তোমার আপন ভূবনে;
থাকবো আমি তোমার আশায়
কাঁদবো শুধু গোপনে।
ইন্টার মিডিয়েট পর্যন্ত ডায়েরী লিখার অভ্যাস ছিল। এখন আর লিখা হয় না। আজ হঠাৎ একটি পুরানো ডায়েরী পেলাম। কবিতা গুলো (আরো আছে) ডায়েরীতে ছিল।
ঠিক মনে নেই কখন বা কোথায় (হয়তোবা নিজে) থেকে এগুলো লিখা হয়েছে। আমিতো পুরানো কথা গুলো মনে পরেই খুশি
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে মে, ২০১১ দুপুর ১:২০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


