somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আশাজাগানিয়া আজকে থাকুক, দুঃখজাগানিয়ার ও ছুটি সেই কবে থেকেই, তবে আজ কি লিখছি এসব আবোলতাবোল?

২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ রাত ১০:৪৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

অনেকদিন পর লিখছি। আজ কেন জানি লিখতে ইচ্ছে করলো।
দুপুরবেলাটা কেন জানিনা অলস লাগে, ভাবি কি করবো অথচ অনেক কিছুই করার থাকে। করতে কেবল ইচ্ছে হয়না আরকি!

তাই পেছনের বারান্দায় বসে বাতাসে ডোরবেলের অাওয়াজ শুনছিলাম। মাঝে মনে হলো তোমার কথা, পেছনে তাকিয়ে তোমাকে দেখতে ইচ্ছে করছিলোনা,তাই পেছনে দেখিনি। রাগ হওয়ার কোন কারণ নেই,আজও ভালোবাসি পাগলের মতোন,তবে সেয়ানা পাগল আজ। সামনে তাকিয়ে যাকে দেখিনা তাকে পেছনে তাকিয়ে দেখে কি হবে? সামনে থাকলে হয়তো আশা হতে, পেছনে থাকার মানে তো দুঃখ,তাই দেখিনা।

তোমাকে দুপুরে বলতাম, থাকলে পাশে ভালো হতো, অলস সময়টা অলস হতোনা, কেটে যেতো চোখের পলকে। তুমি মাঝে মাঝে বুঝতে আমায়, আমি তাতেই খুশি ছিলাম। আজও আমি বাঁশি বাজাই ভাবি তুমি তোমার সেই পরিচিত হাসিটা দিবে, একটা প্রসংশার হাসি। ওহ, আশা না,একটা চাওয়া। না, তোমার কথা শুনলাম, ভেতরটা ফাঁকা হয়ে গেলো, মনে হলো তুমি তো নেই।

ঠিক ততবার আমি তোমাকে মনে করি যতবার আমি আর কাউকে আমার পাশে দাঁড়াতে ভাবি, কিন্তু আমি পালাই, পারিনা ভাবতে,একের পর এক বিয়ের প্রস্তাব না করে দিয়ে আমি হয়তো একলাই থাকতে চাই। পারছিনা।

গরম পড়লো বলে,গাছে আমের মুকুল তোমাকে মনে করায়, কাঁচা আমভর্তার কথা মনে করায়। আমার আর শাড়ি পরা হলোনা,সবাই কতো সখ করে পয়লা ফালগুনে শাড়ি পরলো,আমার খুব একটা আফসোস হয়না,তোমার কথা মনে করে। তবে কেউ যখন বলে, বান্ধবী জোর করে তখন অজুহাত খুঁজে বের করতে পারিনা,সত্যিটাও বলতে পারিনা।

তবে আমি ভালো আছি,এই দুপুরগুলোর একটা আলাদা অাকর্ষন আছে,একটা টান,মাতাল টান, তোমার ভদকার বোতল তা দিতে পারে কি না আমি জানিনা। বারান্দায় পা ছড়িয়ে বসে আশেপাশের গাছগুলো দেখি। মা এইজন্যই সারাদিনের কাজ করেও গাছগুলোর কাছে এসে বসে দু'দন্ড শান্তি পায়। চোখের সামনে গোলাপজাম গাছটা কবে বড় হবে ভাবি,সেই কবে বড় গাছটা কেটে ফেলে দিলো। তরুণ নারিকেল গাছটার পাতাগুলো রোদের তেজটা আমার গায়ে পুরোটা আসতে দেয়না। একটা সবুজাভ সোনালি আলো ছড়িয়ে দেয়। বড়ো ভালো লাগে। তুমি থাকলে হয়তো কোন কথা না বলেই দিব্যি কাটিয়ে দেওয়া যেতো এই লম্বা দুপুরটা।

সবুজ দূর্বার উপর হাঁটতে ইচ্ছে করছিলো খুব। নেমে মনে হলো ভুল করিনি, একটুখানি নরম ঘাস,দূর্বা বোধ হয় সবচেয়ে সুন্দর ঘাস। কে জানে!
কুমড়া গাছের গাঢ় সবুজ পাতাগুলোর ফাঁকে সোনালি রোদ দেখে বসে পড়লাম ঘাসের উপর। শুয়ে পড়তে ইচ্ছে হলো। মনে হলো যেন সবটুকু সুখ, শান্তি এই দুপুরে ঘাসের উপর শুয়ে থাকার মাঝে, তোমার পাশে থাকার চেয়েও।
আমি আরো তো দুপুর দেখেছি, আজকের মতো নয়। আরো দুপুরের সাথে আমার শৈশব ছিলো, আমার কৈশোর ছিলো, তারুণ্যের শুরুর দুপুরগুলো এরকম বাড়ির পেছনে খানিকটা জায়গায় গাছের সাথে জড়িয়ে ছিলোনা হয়তো, ছিলোনা ঘাসের উপর শোয়ার সাথেও, তবে দুপুর তো ছিলো। হ্যাঁ, এরকম ছিলোনা। আজকের দুপুরটা আর বাকি সবগুলো দুপুরকে ভুলিয়ে দেয়। দুঃখ মনে করিয়ে হয়তো দেয়, আশা হয়তো দেয়না, তবে শান্তি দেয়। হয়তো মৃত্যুর মতো শান্তি।

নাহ, আজকে আর লিখবোনা, তুমি খুব ভালো থেকো। আমার দুপুরগুলোতে আমাকে উদাস করে দিয়ে তুমি ভালো থেকো, আমায় রাতের তারা দেখার সঙ্গীবিহীন করে দিয়ে তুমি ভালো থেকো। আমাকে মিথ্যে করে দিয়ে ভালো থেকো। তবুও তুমি ভালো থেকো।
সু
জানো, দুপুরবেলাটা কেন জানিনা অলস লাগে, ভাবি কি করবো অথচ অনেক কিছুই করার থাকে। করতে কেবল ইচ্ছে হয়না আরকি!

তাই পেছনের বারান্দায় বসে বাতাসে ডোরবেলের অাওয়াজ শুনছিলাম। মাঝে মনে হলো তোমার কথা, পেছনে তাকিয়ে তোমাকে দেখতে ইচ্ছে করছিলোনা,তাই পেছনে দেখিনি। রাগ হওয়ার কোন কারণ নেই,আজও ভালোবাসি পাগলের মতোন,তবে সেয়ানা পাগল আজ। সামনে তাকিয়ে যাকে দেখিনা তাকে পেছনে তাকিয়ে দেখে কি হবে? সামনে থাকলে হয়তো আশা হতে, পেছনে থাকার মানে তো দুঃখ,তাই দেখিনা।

তোমাকে দুপুরে বলতাম, থাকলে পাশে ভালো হতো, অলস সময়টা অলস হতোনা, কেটে যেতো চোখের পলকে। তুমি মাঝে মাঝে বুঝতে আমায়, আমি তাতেই খুশি ছিলাম। আজও আমি বাঁশি বাজাই ভাবি তুমি তোমার সেই পরিচিত হাসিটা দিবে, একটা প্রসংশার হাসি। ওহ, আশা না,একটা চাওয়া। না, তোমার কথা শুনলাম, ভেতরটা ফাঁকা হয়ে গেলো, মনে হলো তুমি তো নেই।

ঠিক ততবার আমি তোমাকে মনে করি যতবার আমি আর কাউকে আমার পাশে দাঁড়াতে ভাবি, কিন্তু আমি পালাই, পারিনা ভাবতে,একের পর এক বিয়ের প্রস্তাব না করে দিয়ে আমি হয়তো একলাই থাকতে চাই। পারছিনা।

গরম পড়লো বলে,গাছে আমের মুকুল তোমাকে মনে করায়, কাঁচা আমভর্তার কথা মনে করায়। আমার আর শাড়ি পরা হলোনা,সবাই কতো সখ করে পয়লা ফালগুনে শাড়ি পরলো,আমার খুব একটা আফসোস হয়না,তোমার কথা মনে করে। তবে কেউ যখন বলে, বান্ধবী জোর করে তখন অজুহাত খুঁজে বের করতে পারিনা,সত্যিটাও বলতে পারিনা।

তবে আমি ভালো আছি,এই দুপুরগুলোর একটা আলাদা অাকর্ষন আছে,একটা টান,মাতাল টান, তোমার ভদকার বোতল তা দিতে পারে কি না আমি জানিনা। বারান্দায় পা ছড়িয়ে বসে আশেপাশের গাছগুলো দেখি। মা এইজন্যই সারাদিনের কাজ করেও গাছগুলোর কাছে এসে বসে দু'দন্ড শান্তি পায়। চোখের সামনে গোলাপজাম গাছটা কবে বড় হবে ভাবি,সেই কবে বড় গাছটা কেটে ফেলে দিলো। তরুণ নারিকেল গাছটার পাতাগুলো রোদের তেজটা আমার গায়ে পুরোটা আসতে দেয়না। একটা সবুজাভ সোনালি আলো ছড়িয়ে দেয়। বড়ো ভালো লাগে। তুমি থাকলে হয়তো কোন কথা না বলেই দিব্যি কাটিয়ে দেওয়া যেতো এই লম্বা দুপুরটা।

সবুজ দূর্বার উপর হাঁটতে ইচ্ছে করছিলো খুব। নেমে মনে হলো ভুল করিনি, একটুখানি নরম ঘাস,দূর্বা বোধ হয় সবচেয়ে সুন্দর ঘাস। কে জানে!
কুমড়া গাছের গাঢ় সবুজ পাতাগুলোর ফাঁকে সোনালি রোদ দেখে বসে পড়লাম ঘাসের উপর। শুয়ে পড়তে ইচ্ছে হলো। মনে হলো যেন সবটুকু সুখ, শান্তি এই দুপুরে ঘাসের উপর শুয়ে থাকার মাঝে, তোমার পাশে থাকার চেয়েও।
আমি আরো তো দুপুর দেখেছি, আজকের মতো নয়। আরো দুপুরের সাথে আমার শৈশব ছিলো, আমার কৈশোর ছিলো, তারুণ্যের শুরুর দুপুরগুলো এরকম বাড়ির পেছনে খানিকটা জায়গায় গাছের সাথে জড়িয়ে ছিলোনা হয়তো, ছিলোনা ঘাসের উপর শোয়ার সাথেও, তবে দুপুর তো ছিলো। হ্যাঁ, এরকম ছিলোনা। আজকের দুপুরটা আর বাকি সবগুলো দুপুরকে ভুলিয়ে দেয়। দুঃখ মনে করিয়ে হয়তো দেয়, আশা হয়তো দেয়না, তবে শান্তি দেয়। হয়তো মৃত্যুর মতো শান্তি।

নাহ, আজকে আর লিখবোনা, তুমি খুব ভালো থেকো। আমার দুপুরগুলোতে আমাকে উদাস করে দিয়ে তুমি ভালো থেকো, আমায় রাতের তারা দেখার সঙ্গীবিহীন করে দিয়ে তুমি ভালো থেকো। আমাকে মিথ্যে করে দিয়ে ভালো থেকো। তবুও তুমি ভালো থেকো।
২টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কবিতাঃ পাখির জগত

লিখেছেন ইসিয়াক, ০৯ ই মে, ২০২৬ সকাল ৭:০০



টোনাপাখি লেজ নাচিয়ে গাইছে মধুর গান।
গান শুনে টুনিপাখি আহ্লাদে আটখান।

টোনা যখন উড়ে ঘুরে অন্য ডালে বসে।
টুনি এসে ঠিক তখনই বসে তারই পাশে।

বুলবুলিদের পাড়ায় আজ দারুণ শোরগোল।
নানা শব্দের... ...বাকিটুকু পড়ুন

মোহভঙ্গ!

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০৯ ই মে, ২০২৬ সকাল ৭:৪৮



পদ্মা সেতু নিয়ে কত অপবাদই না দেয়া হয়েছিলো! বলা হয়েছিলো- বাংলাদেশ কখনো নিজস্ব অর্থায়নে এত বড় প্রকল্প করতে পারবে না। দুর্নীতির অভিযোগ তুলে বিশ্বব্যাংক সরে দাঁড়ায়। অথচ শেষ পর্যন্ত... ...বাকিটুকু পড়ুন

একাত্তর বাঙালির অভিজ্ঞতা এবং গর্জিয়াস প্রকাশনা উৎসব

লিখেছেন রোকসানা লেইস, ০৯ ই মে, ২০২৬ সকাল ৯:১৭


পহেলা মে বিকেলে একটি আমন্ত্রণ ছিল। অনুষ্ঠানটি ছিল বই প্রকাশনার। এই আয়োজনটি শুরু হয়েছিল বলা যায় এক বছর আগে। যখন একটি লেখা দেওয়ার আমন্ত্রণ এসেছিল। লেখাটি ছিল বিদেশের জীবনযাপনের... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৯ ই মে, ২০২৬ দুপুর ১:৪৪



কথা হচ্ছিলো একজন আর্ট সমঝদার মানুষের সাথে। তিনি আক্ষেপ করে বলছিলেন, জীবিতবস্থায় আমাদের দেশে আর্টিস্টদের দাম দেওয়া হয় না। আমাদের দেশের নামকরা অনেক চিত্র শিল্পী ছিলেন, যারা জীবিতবস্থায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

মানুষ মারা যাবার পর আবার পৃথিবীতে আসবে?

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১০



আমার মনে হয়, আমরা শেষ জামানায় পৌছে গেছি।
পুরো পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাবে খুব শ্রীঘই। চারিদিকে অনাচার হচ্ছে। মানুষের শরম লজ্জা নাই হয়ে গেছে। পতিতারা সামনে এসে, সে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×