জিয়াউর রহমানের জন্ম কলকাতায়, খালেদার জন্ম বীরভূমে। এই দুই জন ভারতীয় মিলে জন্ম দিয়েছে এক পাকিস্তানীকে, সে হল তারেক জিয়া। তারেকের জন্ম করাচীতে ১৯৬৪ সালে। জিয়া ছাড়া যার জন্ম, সেই কোকোও ত পাকি ঔরসজাত 'যুদ্ধ শীশু'।
বিস্তারিত: জিয়া খালেদা তারেক বা কোকো কেউ বগুড়াতে বা বাংলাদেশি হিসেবে জন্ম নেননি। জিয়ার পিতা কলকাতা চাকুরী করতের। সেই সূত্রে জিয়ার জন্ম কলকাতা হলেও ১৯৪৭ সালের ভারত পাকিস্তান ভাগাভাগি হলে জিয়ার পিতা ভারত ত্যাগ করলেন ঠিকই কিন্তু পূর্ব বাংলাতে না এসে পশ্চিম পাকিস্তানে চলে গেলেন। সেই করাচীতেই জিয়ার স্কুলে পড়ালেখা জীবন শুরু। জিয়া বাংলাও ভাল জানতেন না, তার প্রথম ভাষা উর্দু, দ্বিতীয় ভাষা ইংরেজি আর রাষ্ট্রপতি হবার পর বাংলা ভাষার এক শিক্ষক রেখেছিলেন বাংলা শেখার জন্য। অপরদিকে ১৯৪৭ সালে খালেদার মা বাবা রিফিউজি হয়ে বাংলাদেশে আসেন। জিয়া উর রহমান চাকুরী সূত্রে পূর্ববঙ্গ সফরে এসে খালেদাকে বিয়ে করেন। তার পর খালেদার পশ্চিম পাকিস্তানে জিয়ার সঙ্গে চলে যান। সেই পশ্চিম পাকিস্তানের বিভিন্ন ক্যান্টনমেন্টেই খালেদা জিয়ার সঙ্গে বসবাস করতেই পাকিস্তানি বিভিন্ন আর্মি অফিসারদের সঙ্গে সক্ষ্যতা গড়ে উঠে। তাই ১৯৭১ জিয়া এদেশে ট্রান্সফার নিয়ে এসে থাকলেও যুদ্ধকালীন সময়ে খালেদাজিয়া সেই পরিচিত পাকিস্তানী আর্মি অফিসারদের ভাল আতিথেয়তা প্রদান করেন।
যাহোক, জিয়া ও খালেদার প্রথম সন্তান তারেক জন্ম নেন ১৯৬৪ সালে করাচী শহরে, যিনি জন্ম সূত্রে পাকিস্তানি। কোকো হলেই সেই যিনি খালেদাজিয়ার জিয়া ছাড়াই জন্ম। 'যুদ্ধ শিশু'। এইজন্য হয়তো বিএনপি কোকোকে শিশু মুক্তিযোদ্ধা লিখে প্রচার করছে।
জিয়ার পিতামাতা এতই পাকিস্তান ভক্ত যে তারা কোনদিন এদেশে আসেননি। জিয়ার পিতামাতার কবরও আছে করাচী শহরে। অর্থাৎ খালেদা বা জিয়ার মূল শেকর আছে পাকিস্তানেই।
তাই বলা যায়, বিএনপির এই পরিবারের কেউ বগুড়া বা বাংলাদেশি নয়। জিয়ার বাবার জন্ম বগুড়াতে, তাই জিয়ার দাদা বাড়ি বগুড়া কিন্তু তারেকের দাদা বা বাবার বগুড়া নয়। জিয়া খালেদা তারেক কোকো এরা বাংলাদেশি নয়। এদের দেশ পাকিস্তান, এরা দিল দিল পাকিস্তান।
সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা মার্চ, ২০১৭ রাত ১২:১১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


