লড়াই-সংগ্রাম আর ভালোবাসার নাম জ্যোতি বসু। আমৃত্যু লড়াই করেছেন মেহনতি মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য। মার্ক্সবাদী রাজনৈতিক দর্শনের আলোকে গড়ে তুলেছিলেন নিজেকে। শুধু পশ্চিমবঙ্গ নয়, সর্বভারতীয় রাজনীতিতেই অনুকরণীয়, অনুসরণীয় ব্যক্তিত্ব জ্যোতি বসু। তাঁর বাবা নিশিকান্ত বসু লন্ডনে পাঠিয়েছিলেন ব্যারিস্টার হবার জন্য। কিন্তু ছেলে ফিরেছিলেন কমিউনিস্ট হয়ে। শুরু হয় রাজনৈতিক জীবন। মিশে যান হতদরিদ্র মানুষের জীবনের সঙ্গে। তাদের অধিকার আদায়ে অব্যহত রাখেন সমাজ বদলের সংগ্রামকে।
তিনি ১৯৭৭ সাল থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত একটানা পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৬৪ সাল থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত তিনি সিপিআই(এম) দলের পলিটব্যুরো সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পশ্চিম বঙ্গ থেকে তিনিই একমাত্র রাজনীতিবিদ যার নাম ভারতের প্রধানমন্ত্রীত্বের জন্য বার বার আহ্বান আসা সত্বেও তিনি দলের সিদ্বান্তে তা প্রত্যাখান করেছেন অকপটে। তাঁর ইমেজের ওপর ভর করেই পশ্চিম বাংলায় তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে ক্ষমতায় থেকেছে বামফ্রন্ট। পশ্চিম বাংলার জনগোষ্ঠীর বড় একটি অংশ দেবতা আর জ্যোতি বসুকে আলাদা করে দেখে না। সেই দেবতা কমরেড শ্রী জ্যোতি বসু ৯৭ বছর বয়সে ১৭ জানুয়ারি সকাল ১১.৪৭ মিনিটে সল্ট লেকের AMRI Hospital’এ মারা যান। জয়তু কমরেড জ্যোতি বসু।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


