কারণ ধর্ষণকারীর শাস্তি খুব আহামরি না। দৃষ্টান্তমূলক না। দুর্বল আইনের ফাঁক দিয়ে সব কয়টা জানোয়ার সহজেই ছাড়া পেয়ে যাচ্ছে।
বড় রাজনৈতিক দলদুইটা কখনই ধর্ষণকারীর প্রতি শক্ত ব্যবস্হা নেয়নি। লীগ এক্ষেত্রে কোন দলের সাথে তেমন কোন পার্থক্য রাখে না। দলের সময় সংখ্যালঘু গণধর্ষণ, জাহাঙ্গীরনগরে একজনের সেঞ্চুরী উদযাপন সেটাই প্রমাণ করে।
জনমত গড়ে তুলতে হবে। ধর্ষণকারীকে সবার সামনে আগুনে পুড়িয়ে মারার মত কিছু ঘটনা ঘটাতে হবে। ধর্ষণকারীর পরিবারকে সমাজচুত করতে হবে। নাহলে এই ভাইরাস সারবে না।
নারীর প্রতি সম্মান বাড়ানো নিয়ে জ্ঞানীগুণীরা অনেক স্ট্যটাস ঝরিয়েছে গত কয়েক মাস। এখন সময় মাঠে নামার।
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা আগস্ট, ২০১৭ দুপুর ২:৩৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




