কুড়িগ্রামের উলিপুর আওয়ামী লীগ
অফিস এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি
সংঘর্ষে আহত ১০
উলিপুর উপজেলা আওয়ামীলীগ কমিটি এবং গত উপজেলা নির্বাচনে বিজয়ী আওয়ামীলীগ দলীয় চেয়ারম্যান এম কফিল উদ্দিনের মধ্যে আভ্যন্তরিন দ্বন্দ্ব প্রকাশ্য রূপ নিয়েছে। গত রোববার দুপুর ১১টায় উপজেলা আওয়ামীলীগ অফিসে দুই গ্রুপের পাল্টপাল্টি সভা আহ্বানকে কেন্দ্র করে উপজেলা আওয়ামী লীগের অফিসসহ বাজার এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়। এ উপলক্ষে বিবাদমান দুইটি প তাদের নেতাকর্মীদের নিয়ে দুই দিকে অবস্থান নিলে দুপুর ১২টার দিকে উপজেলা চত্বরের সামনে প্রতিপ একটি গ্রুপের আক্রমনে চেয়ারম্যান সমর্থক একজন আওয়ামীলীকর্মী বাবু আহত হন। এরপরই সংঘর্ষের সুত্রপাত ঘটে। এতে আওয়ামীলীগ কর্মী প্রভাষক নিমাই সিংহ, সাবেক সাংসদ শাহানাজ সরদারের স্বামী সোলায়মান সরদার বাদশাহ, বিকসনসহ কমপক্ষে ১০জন আহত হন। জানা গেছে, গত সংসদ ও উপজেলা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নতুন করে সাইদুল হক বাচ্চুকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও পার্থ সারথি সরকারকে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক করে একটি কমিটি গঠিত হয়। নব গঠিত কমিটি নেতৃবৃন্দ দাবি করেন এই কমিটির নেতৃত্বে গত সংসদ নির্বাচনে জাপার মহাজোট প্রার্থী মাইদুল ইসলাম এবং উপজেলা প্রার্থী এম কফিল উদ্দিনের নির্বাচন পরিচালিত হয়। সাবেক কমিটির সভাপতি আব্দুল মজিদ হারি ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম হোসেন মন্টু স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক কেন্দ্রীয় যুবলীগের সভাপতি ফুলু সরকারের (সিংহমার্কা) পে নির্বাচনে কাজ করেন। এরই ফলশ্রুতিতে মাহাজোটের পরে নেতাকর্মীরা ১৩ ডিসেম্বর উলিপুর আওয়ামী লীগে একটি কমিটি তৈরি হয়। এই দুই কমিটির মধ্যেই চাঁদাবাজি, বিভিন্ন অফিস ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্তৃত্ব বিস্তারকে কেন্দ্র করে পাল্টাপাল্টি পোস্টারিং, লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে।
জানা গেছে, ১২৪টি বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ১০ হাজার টাকা করে শিক্ষা উপকরণ প্রদানের বিষয়কে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের মধ্যে বিরোধ চরম আকার ধারণ করে। এরই প্রেক্ষিতে উলিপুর উপজেলা চেয়ারম্যান আওয়ামীলীগ নেতা এম কফিল উদ্দিন শনিবার মাইকিং করে রোববার সকাল সাড়ে ১০টায় উপজেলা আওয়ামী লীগ অফিসে সভা আহ্বান করা হয়। আপরদিকে মেয়াদ উত্তীর্ণ কমিটির সাধারণ সম্পাদক গোলাম হোসেন মন্টুও মাইকিং করে রোববার বেলা ১১টায় একই স্থানে সভা আহ্বান করে। এরই প্রেক্ষিতে উপজেলা প্রশাসন সম্ভাব্য সংঘর্ষের আশংকায় ঐ এলাকায় রোববার সকাল ৬টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত ১৪৪ ধারা জারি করে সভা সমাবেশ নিষিদ্ধ করে। রোববার ভোর থেকে সংঘর্ষের আশংকায় ঐ এলাকায় ব্যাপক পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
মেয়াদ উত্তীর্ন কমিটির সভাপতি আব্দুল মজিদ হারি ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম হোসেন মন্টু দাবি করেন, ১৩ ডিসেম্বর যে কমিটি তৈরি হয়েছিল তা বৈধ নয়। আর অবৈধ কমিটির মাধ্যমে কৃষি পুনর্বাসন কমিটি, আইনশৃংখলা কমিটিসহ বিভিন্ন কমিটিতে বিএনপি ও জাপার নেতাকর্মীদের অন্তর্ভূক্ত করে তাদের সুবিধা দেয়া হচ্ছে। বঞ্চিত হচ্ছে আওয়ামীলীগের ত্যাগি নেতাকর্মীরা।
অন্যদিকে অপর গ্রুপে নেতা উপজেলা চেয়ারম্যান এম কফিল উদ্দিন, অধ্যক্ষ নাসিমা বানু, সৌমেন্দ্র প্রসাদ পান্ডে গবাসহ নেতৃবন্দরা দাবি করেন, মেয়াদ উত্তীর্ণ কমিটি অবিলম্বে বাতিল করে বৈধ কমিটির হাতে সংগঠন পরিচালিত করার ব্যবস্থা করতে হবে। না হলে লাগাতার আন্দোলন কর্মসূচির ঘোষনা দেন। ঐ কমিটি বাতিল না করা হলে ৪৭জন নেতকর্মী একযোগে উপজেলা আওয়ামীলীগ থেকে পদত্যাগের হুমকি দেন।
এ ব্যাপারে জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক অলক সরকার জানান, দুই পক্ষই আমাদের কাছে অভিযোগ করেছে। বিষয়টির সুরাহা খুব শিঘ্রই করা হবে। এ ছাড়াও দুই পক্ষকে আইন শৃংখলা বজায় রাখার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে। নইলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে। আইন শৃংখলা বাহিনীকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে রাখার অনুরোধ করা হয়েছে।
আলোচিত ব্লগ
ফুনফুনা ফুন

ছয় হাজার হাজার আগে পৃথিবীর জনসংখ্যা ছিলো মাত্র দশ লাখ।
হ্যা দশ লাখ। পুরো পৃথিবীর সব জায়গায় মানুষ থাকতো না। বনজঙ্গল ছিলো। আর সমুদ্র এবং নদী। পাহাড় পর্বত।... ...বাকিটুকু পড়ুন
মহিউদ্দিন মোহাম্মদের জেন জি নিয়ে মূল্যায়ন এবং জেন জি'কে নিয়ে আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা, মূল্যায়ন

লেখক মহিউদ্দিন মোহাম্মদের এইসব কথার সাথে একটু দ্বিমত আছে। কারণটা বলছি..
২০১৯ থেকে আমার যে বিপুল সংখ্যক নারীদের সাথে সুন্দর, নির্ভেজাল ও পরিচ্ছন্ন বন্ধুত্ব হয়েছে, এর ৬০%-ই হচ্ছে জেন জি... ...বাকিটুকু পড়ুন
সর্বজনীন পেনশন: সুবিধা বাড়ছে, ভবিষ্যৎ কতটা নিশ্চিত ?

সরকারের মনোভাব সাধারণ মানুষের পক্ষে বোঝা কঠিন। ফ্যাসিস্ট আমলের বিতর্কিত 'সর্বজনীন পেনশন' প্রকল্পটি বাতিল না করে বর্তমান সরকার উল্টো নতুন নতুন স্কিম চালু করছে এবং এর সুযোগ-সুবিধা দিন দিন... ...বাকিটুকু পড়ুন
অচেনা মাটিই আমার শেষ ঠিকানা !
অচেনা মাটিই আমার শেষ ঠিকানা !

পাথর বা গ্রানাইটে বেঁধো না তো আমার শেষ শয্যা,
নাম খোদাই করে রেখো না আমায়, দিতে একা থাকার লজ্জা।
চাই না উপাধি, চাই না তারিখ, ধূসর... ...বাকিটুকু পড়ুন
কাতুকুতু'র কাহিনীনামা
কাতুর সাথে কুতু দিয়ে হচ্ছো পগারপাড়,
ফের যদি আসো কাছে বলবো- 'খবরদার!'
একটু হেসে, কাছে এসে, দিচ্ছো বুঝি কাশি,
ঝুলিয়ে দাড়ি, যাচ্ছো বাড়ি, যেথায় আছেন মাসি।
তোমার সাথে, দুধে-ভাতে, গপ্প করছি কত,
তবু কেন, ঘন... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।