হৃদপিন্ড নিংড়ে কষ্টগুলো ছাঁকছি ছাঁকন কাগজে
নীল কষ্টবিহীন রক্ত ফিরে পাবে লাল রং
আর আমি কষ্টের ফেরিওয়ালা হয়ে বিকাবো সেই অধঃক্ষিপ্ত কষ্ট
পথের ধারে, রেল লাইনে, ফুটপাতে......
চোখে চশমা পরা ছেলেটি কষ্ট কিনবে তার বাস ভাড়া বাচিয়ে,
মিছে আশায় বসে আছে এক বৃদ্ধা তার দিকে তাকিয়ে.....
গোঁফ-দাড়ির জঙ্গলে ভরা এক তরুন
চোখে মুখে তৃষ্ণা আর শরীর জুড়ে প্রিয়ার উপেক্ষা.....
একটি গোলাপ আর একবুক কষ্ট কিনে
হেঁটে হেঁটে চলে যাবে চন্দ্রিমা উদ্যান।
সন্ধ্যার আলো-আধারিতে ভেসে যাবে দুই গাল চক্ষু প্লাবনে
একটু একটু করে কষ্টের গন্ধ শুঁকবে সে
আর বুকের বাম পাশে শুরু হবে চিনচিনে ব্যাথা.........
অফিস ফেরত কেরানী একবার ফিরে তাকায় ফার্মগেট ফুটপাতে;
আবার হাঁটা শুরু করে।
ছেলের ঈদের জামার অপর্যাপ্ত পয়সায় সে কষ্ট কিনে......
আর কবি তার অকারন কষ্টগুলো কাব্যরূপে বিক্রি করে দেয়।
সে আজিজের ভাতের হোটেলে গিয়ে কষ্ট বিকানো টাকা ওড়ায়।
তার অকারন কষ্টগুলো কারন খুঁজে বেড়ায়.......

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



