ইভান ভাই বলেছিল -
"কি যেন কি হয়ে গেছে আমার......"
সমস্যাটা ঠিক কোথায় বুঝতে পারছি না।মে বি মাথায়।তবে পাগল না।দুদিন ধরে আশিক ইভান ভাইর মতো বলতাছে -
তোরা তারে পাগল বলিস পাগলও তোদের পাগল বলে।
মাথার ভেতরটা নিরেট লৌহ গোলক হয়ে গেছে মনে হয়।স্কুলে স্পোর্টসের সময় যে ৮ কেজি ওজনের গোলকটা দিত তার মতো।তার উপরে চামড়ার আস্তরন।কেউ কোন কথা বললে আমি মুনিমের মতো তাকাইয়া থাকি।কিছুই বুঝি না।মাঝে মধ্যে দুই মিনিট পর হো হো কইরা হাইসা দেই।সবচেয়ে বেশি সমস্যা হয় ক্লাসে।মনে হয় সব স্যারেরা "৩০ দিনে চাইনিজ শিখুন" টাইপ কোন কোর্স পড়াচ্ছে।তার সাথে সাথে বোর্ডে হিজিবিজি দাগ কেটে বেনজিন আর সার্কিট আঁকে।ক্লাসে হা কইরা তাকাইয়া থাকলে আঁতেল আঁতেল লাগবে তাই সামনে-পিছনে-ডানে-বামে বসা সবাইরে ডিস্টার্ব করি।
ঠিক করে মানুষজনও চিনতে সমস্যা হচ্ছে।ভার্সিটির আধো পরিচিত চেহারগুলো কেমন জানি এলাকার মানুষজনের মতো লাগে আর এলাকার মানুষজনের চেহারা ভার্সিটির মানুষজনের মতো লাগে।ঠিক কেন এমন হচ্ছে বলতে পারছি না।তবে আশা করি খুব তাড়াতাড়ি এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাবো।কিন্তু আমি যা আশা করি তা ঘটে না।তাই আশা করি এই ঘটনাটাও ঘটবে না।আবার যেহেতু আশা করছি ঘটনাটা ঘটবে না এবং আমার আশা করা ঘটনা ঘটে না সেহেতু ঘটনাটা ঘটবে।কিন্তু একি সাথে ঘটনাটা কিভাবে ঘটে এবং না ঘটে থাকতে পারে সেটা বিশাল চিন্তার বিষয়।
কিন্তু আমার হাতে চিন্তা করার মতো সময় নেই।কালকে এক্সাম আছে।পড়তে বসতে হবে।কোন কোর্সের এক্সাম ঠিক বুঝতাছি না।মে বি জাপানিজ।চাইনিজটা আরো কঠিন।রাহুল আনন্দ ভাই বললেছিল -
"আকাশের পাখি ডাকে আমায় আয়রে আয়
বাতাসে ভর দিয়ে চল শূন্যে বুক ভাসাই"

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



