সীমান্তে মিয়ানমারের সামরিক শক্তি বৃদ্ধির খবর বেশ কয়েকদিন আগেই চাউর হয়েছে দেশের বিভিন্ন পত্রপত্রিকায়। বাংলাদেশ সীমান্ত ঘেঁষে সেনা টহল বাড়ানো, ভারী অস্ত্রশস্ত্র মজুদ করা, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরিত্যাক্ত বিমানবন্দর পুনরায় সংস্কার করা, সেনা রসদ সরবরাহের জন্যে সড়ক নির্মাণসহ নানা কর্মকান্ড অব্যাহত রেখেছে বিশ্বকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানো সামরিক জান্তা শাসিত মিয়ানমার। তাছাড়া মাঝে মাঝে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশ সীমানায় ঠেলে দেয়ার মতো ন্যাক্কারজনক কাজতো রয়েছেই। বিভিন্ন মহলে এ নিয়ে আলোচনার ঝড় উঠলেও অজ্ঞাত কি এক কারণে যেন আমাদের নীতিনির্ধারকরা যেন নিশ্চুপ। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলছেন উস্কানিমূলক কিছু করছে না মিয়ানমার... বিডিআরকে সতর্ক রাখা হয়েছে ইত্যাদি ইত্যাদি। আন্তর্জাতিক আইনও নাকি অমান্য করছেনা গণতন্ত্রের টুঁটি চেপে ধরা দেশটি। তথ্য প্রবাহের এই যুগে যারাই একটু দেশ-বিদেশের খবর রাখার চেষ্টা করেন তারাই প্রায় সবাই হয়তো একবাক্যে স্বীকার করবেন মিয়ানমারের এই আস্ফালনের পেছনে কোন দেশের মদদ রয়েছে। চীনের কাছ থেকে সামরিক সহযোগিতায় পুষ্ট দেশটি। একটু চিন্তা করলেই বিষয়টা পরিস্কার হয়ে যাবে। এ অঞ্চলে ভৌগলিক, সামরিক, অর্থনৈতিক সবদিক থেকে প্রভাব বিস্তারের প্রতিযোগিতায় ভারতকে টেক্কা দিতে হলে চীনের নিজেদের পাশে দরকার মিয়ানমারের মত একরোখা টাইপের একটি দেশ। কারণ ভারতের সাথে চীনের সীমান্ত বিরোধ দীর্ঘদিনের। বাংলাদেশের সাথে চীনের সম্পর্ক শুধু কাগজেকলমেই দেখা যায় বন্ধুত্বপূর্ণ। কিন্তু কতটুকু বন্ধুত্বপূর্ণ তা পরিস্কার নয়। তাছাড়া বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের ভৌগলিক দুরত্বও সম্পর্কন্নোয়নের পথে একটি বাধা। সমুদ্রসীমা নিয়ে ভারত আর মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশের তৎপরতা শুরু হয়েছে তা কতটুকু সফলতার মুখ দেখবে তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। সবকিছু মিলিয়ে বাংলাদেশের পাশে এখন এমন একটি দেশের অবস্থান দরকার যার রয়েছে বিশ্বব্যাপী প্রভাব বিস্তারের সক্ষমতা। সেটা হতে পারে যুক্তরাষ্ট্র। তবে ইতোমধ্যে ভারত ও পাকিস্তান পারমানবিক অস্ত্র নির্মাণের ক্ষতা অর্জন করায় এই দু'টি দেশকে তোয়াজ করে চলতে হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রকে। ফলে এক্ষেত্রেও বাংলাদেশের সীমাবদ্ধতা রয়ে যায়। কিন্তু তারপরও জোর কুটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে অনেককিছুই করা সম্ভব সেটা আমরা বিশ্বাস করি।
আলোচিত ব্লগ
'ট্রিট' বা 'উদযাপন' মানে স্রেফ খাওয়া-দাওয়াই মূখ্য কেন??

আমাদের উদযাপনটা হয়ে গেছে অনেকটা খাওয়া-দাওয়া কেন্দ্রিক? 'ট্রিট' বা 'সেলিব্রেশন' বলতে আমরা কেবল খাওয়া-দাওয়াকেই বুঝি...কিন্তু এটা কিন্তু ভিন্নরকমভাবেও করা যায় নিঃসন্দেহে!
প্রিয় কেউ ভালো কোনোকিছু করলে, সফলতা পেলে বা... ...বাকিটুকু পড়ুন
মাওলার দায়িত্ব পেয়ে সেই দায়িত্ব পালন না করায় হযরত আলীকে (রা.) মাওলা বলা ঠিক না

সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতিম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে... ...বাকিটুকু পড়ুন
জীবন চালাতে শহরে থাকা কিন্তু বেঁচে থাকা যেন বাড়িতেই
ঈদের ছুটিটা কেমন যেন চোখের পলকে শেষ হয়ে গেল। মনে হচ্ছিল, এই তো সেদিন বাড়ি গেলাম—মায়ের হাতের রান্না, বাবার গল্প, ছোট মেয়ের হাসি, আর স্ত্রীর সেই নীরব অভিমান… সবকিছু মিলিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন
আমাদের নিজেদের না পাওয়া গুলো অন্যদের পেতে সাহায্য করা উচিত।

আমরা মানুষেরা সবসময় ভালো থাকতে চাই। ভালো খেতে চাই, ভালো পড়তে চাই, ভালো চাকুরী/ব্যবসা করতে চাই। কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই আমাদের চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল থাকেনা। এই চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল... ...বাকিটুকু পড়ুন
ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!
ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!
সমুদ্রে বড় জাহাজ যখন ডুবতে থাকে, তখন কে ধনী বা কে গরীব প্রকৃতি তার বাছ-বিচার করেনা ।
বা বলা চলে, কে পাপী... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।