somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

একটি বাঁশের গল্প

২৩ শে মে, ২০০৭ সকাল ৮:১৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বাঁশের সন্ধানে বেরিয়েছিলাম। সেই তৈলাক্ত বাঁশটা। যে বাঁশে বানর লাফিয়ে উঠে আবার পিছলে পড়ে। যে বাঁশ আমার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে। যার কারনে আমি এখন পথে পথে ঘুরি। কারণ অংকটা আমার হয়নি। ভুল হয়েছিল। আসলে অংকটাই ছিল ভুল। সেই অংকের কারনে আমি পাশ করতে পারিনি। পাশ করতে পারিনি বলে জীবনে কিছই করতে পারিনি। আমার সমস্ত রাগ শুধু বাঁশটার উপরই নয়। বানর, তেল এবং যিনি অংকটা তৈরী করেছিলেন তার উপরও। আমি জানি তিনি এখন পরপারে। হয়ত সেখানেও অংক জাতিয় কাজ নিয়ে ব্যস্থ আছেন। কিন্তু এই বাঁশের অংক তৈরি করে দিয়ে কত মানুষকে বাঁশ দিয়ে গেলেন তার হিসাব কে রাখে!
বাঁশ, বানর আর তেলের একটা সম্পর্ক আছে। বাঁশে লাফাতে না পারলে তেল দাও। কোনটাই না পারলে ফেল্টুদের স্থান নেই। কোথাও স্থান হল না। বেরিয়ে পড়লাম। কোথায় সেই বাঁশের সন্ধান পেতে পারি এই আশায় ঘুরছি। কত দেশ নগর বন্দর ঘুরলাম। নেই। এ জাতীয় বাঁশ কোথাও নেই। পবিত্র আরব দেশে গেলাম। সেখানে খেজুর গাছ। বাঁশ নেই। গ্রীস, সাইপ্রাস, ইতালী কোথাও বাঁশের সন্ধান মেলেনি। আমেরিকায় গেলাম। সেখানে বাঁশের বদলে আছে রয়েল পাম ট্রি। এই ট্রি তারা আরব দেশে গবাদের কাছে ছয়নয় বুঝিয়ে চড়া দামে বিক্রি করে। একটা পাম ট্রি মাত্র এক লক্ষ আশি হাজার ডলারে বিক্রি করে। এ দিয়ে আমার কোন কাজ নেই। চলতে চলতে অনেক পন্ডিত ব্যক্তির সাথে মোলাকাত হয়েছে। কেউ সেই বাঁশের সন্ধান দিতে পারেনি। ক্লান্ত, পরিশ্রান্ত, বিভ্রান্ত, পথ ভ্রান্ত ক্ষুধার্ত হয়ে এসে পৌছলাম কানাডায়। এখানেও বাঁশের কোন চিহ্ন পেলাম না। আমার এখন দৈন্য দশা। এতদিনে আমার পরনের কাপড় তেনা তেনা হয়ে গেছে, অনেক জায়গায় তালি পড়েছে। জুতা ছিড়ে গিয়ে এখন শুধু ফিতাগুলো পায়ে লেগে আছে। আর চলতে পারি না। পথপাশে একটা গাছের নিচে বসলাম দু দন্ড জিড়িয়ে নিই।
হঠাত এক আলিসান গাড়ি এসে থামল আমার সামনে। টাই সুট পরা এক ভদ্রলোক নেমে এলেন। খুব দরদ দিয়ে জিজ্ঞেস করলেন, চেহারা দেখে তো মনে হয় বাঙালি!
বললাম, হা, আমি বাঙালি।
আমি ব্যারিষ্টার কামরুল। আপনার এ দশা কেন ভাইসাব?
মনে মনে ভাবলাম, ব্যারিষ্টার আর উকিল একই কথা। কোন্ উকালতি বুদ্বি নিয়ে এত দরদ দেখাতে তিনি এসেছেন কে জানে! তাদের তো কুরুইল্লা বুদ্বির অভাব নেই। মুখে বলালাম, বাঁশের কারনে।
বাঁশের কারনে! বলেন কী! কি জাতীয় কোন্ বাঁশ আপনার এ দশার জন্য দায়ি খুলে বলবেন কি?
সব খুলে বলার পর তিনি বললেন, আপনি ভুল জায়গায় বাঁশের সন্ধান করছেন। বাংলাদেশের বাইরে খুব কমই বাঁশ উৎপাদন হয়। তার ব্যবহার ও কম। আপনি যে বাঁশের কথা বলছেন তা বোধ হয় আলি আকবরের লেখা পাটিগণিতের অংকে যে বাঁশের কথা বলা হয়েছে তার কথা বলছেন।
বললাম, হা, হা ঠিক ধরেছেন। সে বইএ আরো অনেক অদ্ভুত অংক আছে।
আরে সে বাঁশ তো আসলে তার বিকৃত মস্তিক্সের কর্ম। আলি আকবরের বাবার অনেক টাকা ছিল বোধ হয়। তার কোন কাজ ছিলনা তাই বসে বসে এসব বিদঘুটে অংক তৈরি করেছিল। একবার ভাবলেই বুঝতে পারবেন। বাঁশে কেন তেল দিল তা উল্লেখ করেনি, বাঁশে আইক্কা ছিল কিনা তাও বলেনি। বানর যখন লাফ দেয় প্রথম লাফ দিয়েছে মাটিতে দাঁড়িয়ে এবং দশ ফুট উপরে উঠে তিন ফুট পিছলে সাত ফুটের মাথায় এসে দাড়াল। প্রশ্ন হল কিসে দাড়াল? বাঁশে তো তেল। তাও না হয় মেনে নিলাম সাত ফুটের মাথায় দাড়াল। আবার যখন লাফ দিবে তখন আর দশ ফুট উঠতে পারবে না। কারন মাটিতে দাড়িয়ে যে শক্তি পেয়েছিল তৈলাক্ত বাঁশে দাড়িয়ে সে শক্তি পাবেনা। এটা সম্পুর্ন ভুল অংক। আর একটা অংক আছে। চুরি বিদ্যা শিক্ষা দেয়। যেমন পাঁচ সের দুধে দু সের পানি মিশিয়ে কম দামে বিক্রী করলে কত লাভ হবে তা বের করতে হবে। তার মানে স্কুলেই চুরি বিদ্যাটা আয়ত্ব করা আর কি! বাদ দেন ওসব অংকের কথা আর বাঁশের কথা। এভাবে পথে পথে ঘুরলে বেশিদিন বাচবেন না। উঠুন, গাড়ীতে উঠুন।
মনে মনে ভাবলাম, ভদ্রলোকের কথার সাথে তো আমার ধারনার অনেক মিল। নিশ্চয়ই এ অন্যজাতের ব্যারিষ্টার। কুরুইল্লা বুদ্বির কোনা আলামত দেখা যায় না। তাকে বিশ্বাস করা যায়। উঠে পড়লাম গাড়িতে।
তার বাড়িতে নিয়ে গেল। খাওয়াদাওয়ার পর বলল, আপনি বাঁশের উপর এত ক্ষেপলেন কেন? বাঁশ তো আমাদের জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত অপরিহার্য! আমার জন্মের আগেই আঁতুর ঘর তৈরি হয়েছিল বাঁশ দিয়ে। আমার মৃত্যুর পর এই বাঁশ দিয়ে চাটাই তৈরি হবে, তাতে আমাকে শুইয়ে বরাক বাঁশে করেই নিয়ে যাওয়া হবে কবরে। এই বাঁশ না থাকলে আমাদের দেশের গরীব মানুষ কি দিয়ে তাদের কুড়েঘর তৈরি করত! বাঁশের প্রয়োজনের কথা বলে শেষ করা যাবে না! আপনি দেশে চলে যান। সেখানে আলি আকবরের বাঁশটা পেলেও পেতে পারেন। আমি আপনার টিকেটের ব্যবস্থা করে দিই। এখানে থাকলে আপনি মারা যাবেন।
তার কথাগুলো আমার মনে ধরল। সেই মতে বাংলাদেশে গিয়ে পৌছলাম। অক্টোবর ২০০৬ সাল। হায় হায়! একি! এখানে যে বাঁশের ছড়াছড়ি! কত রকমের বাঁশ! বরাক বাঁশ, মূলি বাঁশ, মাকাল বাঁশ, বোম্বাইয়া বাঁশ, আইক্কাওলা বাঁশ, চুক্কা বাঁশ, ফাডা বাঁশ, ছাচা বাঁশ ইত্যাদি কত রকমের বাশ! যে যেভাবে সুবিধা ব্যবহার করছে। চুক্কা বাঁশ দিয়ে একদল আর এক দলের মানুষেক খুন করছে। একদলের হাতে দেখলাম কয়েক গজ লম্বা তৈলবিহীন বরাক বাঁশ। এটাকে বলে লাঠি। তা দিয়ে মাথা ফাটে, যেখানে সেখানে ঢুকে। কখনো গোপন অংগে। এই ভয়ে আর এক দল যোগার করেছে গজারি লাঠি। গজারি দিয়ে লাঠিকে ঠেকাতে হবে। না হয় গোপন অংগেও ঢুকে যেতে পারে। দেখলাম দেশে বানরের যথেষ্ট উৎপত্তি হয়েছে। যেখানে সেখানে বানর বাঁশে উঠানামা করছে।
একজন বলল সবচেয়ে বড় বাঁশটা দেশের প্রধান ভবনে। যে বানরটা এ বাঁশে উঠানামা করছে এটা অন্য জাতের। অনেক ক্ষমতাশালী। এক নজর দেখার জন্য আমিও গেলাম। দেখি এই লাফালাফি খেলা দেখার জন্য অনেক মানুষের ভীড়। দেশি বিদেশী ধনী গরীব সব জাতের। ভীড় ঠেলে সামনে গিয়ে বাশটা দেখেই আলি আকবরের অংকের সাথে মিলালাম। প্রায় মিলে গেছে। এই বাঁশটার কারনেই আমার জীবনে এত কিছু ঘটে গেল। এখন ওটাকে আমি দেখে নেব। হাতের কাছে পেয়েছি! এগিয়ে যাব বাঁশের দিকে, দেখলাম নাদুস নুদুস গোলগাল ডিমের মত চেহারার এক ভদ্রমহিলা, দেখতে এমিলডা মারকোসের মত অনেকটা। হয়ত বা এমিলডার সহোদরা হবে। যার পাঁচ শ নাকি পাঁচ হাজার পাদুকা ছিল। জনগনের সম্পদ লুট করা টাকা দিয়ে কেনা, কিন্তু প্রান বাচানোর সময় একটাও নিয়ে যেতে পারেনি। এই ভদ্রমহিলা এমন ভাবে সাজগোজ করে আছেন মনে হয় বিশ্বসুন্দরী প্রতিযোগীতায় অংশগ্রহন করতে যাবে অথবা এখানকার কাজ সেরেই বাসর ঘরে ঢুকবেন। মহিলার অঙ্গলি হেলনের তালে তালে বানরটা লাফিয়ে লাফিয়ে উঠছে আবার পিছলে পড়ছে। তার পাশে বেহেস্তী পোষাক পরা কিছু মানুষ ভদ্রমহিলার দিকে তাকিয়ে আছে। ক্ষমতাধর মহিলা কি আদেশ করেন তার অপেক্ষায়। কয়েক বছর আগে তাদের দেয়া ফতোয়া বদল হয়েছে। এখন নারী নেতৃত্ব আর বেদায়েত নয়। বরং খেদমত করাই বেহতের। তারা বোধ হয় ভদ্রমহিলাকে বেহেস্তে নিয়ে যাবে। হয়ত বা এখানকার কাজ সমাধা করেই তাদের সাথে রোয়ানা দিবেন। দর্শকের মধ্য থেকে একজন বলল, এ মহিলার বানর উৎপাদনের ফ্যাক্টরি আছে। এখন বাঁশে তেল দেয়না। ঘি দেয়। ওই বানররাই ঘি সাপ্লাই দেয়। আর একটা ভবন আছে, সেখানে দেশের সমস্ত ঘি জমা হয়, আর প্রয়োজনে ব্যবহার হয়। সেই ভবনে ঘিয়ের অভাব নেই। এসব জনগনের ঘি। জনগনের সেবা করার নামে নিজেরাই সেসব ঘিয়ের মালিক হয়ে গেছে। এই যে বাঁশটায় দেখছেন তা তেল নয়, ঘি। এত ঘি ঢালা হয়েছে রাস্তার অনেক দূর পর্যন্ত ভিজে গেছে। যেন এইমাত্র বৃষ্টি হয়ে গেল।
যা বলছিলাম, ভদ্রমহিলা আঙ্গুলি ইশারা করছে আর বানরটা লাফিয়ে উপরে উঠছে আবার পিছলে নামছে। তার প্রতিটি লাফের সাথে সাথে সমস্ত বাঙলাদেশ কেপে উঠছে। এই বুঝি একটা প্রলয় কান্ড ঘটে যাবে। দেশটা একাত্তরের দশা হয়ে যাবে। দর্শকরা সবাই ভয়ে কাপছে! বিদেশীরাও। হঠাৎ দেখা গেল বানরটা বাঁশের শেষ মাথায় আটকে গেছে, আর নামতে পারছে না। বানরটা খুব চেষ্টা করছে পিছলে নীচে নামার জন্য। কিন্তু পারছে না। উপরেও উঠতে পারছে না, নীচেও নামতে পারছে না। বাঁশটা ঢুকে গেছে! সকলের দৃষ্টি এখন বানরটার দিকে। কি হয় দেখার জন্য সবাই অধীর আগ্রহ নিয়ে তাকিয়ে আছে। দর্শকের মাঝ থেকে একজন বলল, আসলে ওটা বানর নয়। মানুষ ছিল। নাচার জন্য তাকে প্রশিক্ষন দেয়া হয়েছে। তার গায়ে গন্ডারের চামড়া লাগানো হয়েছে যাতে তার গায়ে পাথর মারলে, গু ছিটিয়ে দিলে, থুতু দিলে বা পাদুকা বর্ষন করলেও টের না পায়। নাচতে নাচতে তার এ দশা হয়েছে, প্রোটিন আর ভিটামিনের অভাবে চেহারা বিকৃত হয়ে গিয়ে এখন বানরের মত দেখায়। (দৈনিক পত্রিকার ছবি দ্রষ্টব্য)। বাঁশ যেদিকেই ঢুকুক তাতে তার কিছু হবে না!
ভীড়ের মাঝ থেকে কে একজন চিৎকার করে উঠল, বাঁশটা ঢুকল কোথায়!
আমার আলি আকবরের কথা মনে হল। অংকটা সে লিখতেই ভুল করেছিল। অনেক প্রয়োজনীয় কথা সে লেখেনি। যেমন বাঁশে ঘি দেয়া যাবে কিনা, আইক্কা থাকবে কিনা, বাঁশটার সাইজ কি হবে, কোন্ জাতের কোন ঝাড়ের বাঁশ এসব কিছুই উল্লেখ করেনি। সবচেয়ে ভুল করেছে সে সাবধান বানী উল্লেখ না করে। বাঁশ যে ঢুকেও যেতে পারে সে কথা উল্লেখ করেনি। ব্যারিষ্টার কামরুলের কথাই বোধ হয় ঠিক, এটা আলি আকবরের অলস মস্তিক্সের কর্ম। কাল্পনিক। আসলে সামনে যা দেখছি তাই বাস্তব। স্থির করলাম বাঁশের চিন্তাটা মাথা থেকে বাদ দিতে হবে।
বাঁশের মাথায় বানররুপি মানব সন্তানের ছটফটানি দেখছি। ক্ষমতাধর মহিলার ইংগিত ছাড়া বাঁশটা বের করতেও পারছেনা। সবাই অপেক্ষা করছে অংগুলি কোনদিকে হেলে তা দেখার জন্য।
আমি আর দাড়ালাম না। গ্রামের পথে রোয়ানা দিলাম। বানররূপী মানুষটা তখনো বাঁশের মাথায়।
পাঠক বলুন তো বাঁশটা শরীরের কোন্ অংশে ঢুকল?





সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে মে, ২০০৭ সকাল ৮:২৮
৭টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

তারেক রহমানের চীন সফর, অশ্বডিম্ব।

লিখেছেন হাসান কালবৈশাখী, ২৭ শে জুন, ২০২৬ রাত ২:৪৭

বাংলাদেশী মিডিয়া সোসাল মিডিয়াতে তোলপার
তারেক রহমানের চীন সফরে ভারত উদ্বিগ্ন।
এখন তো দেখলাম অশ্বডিম্ব।
কোন অর্থায়ন চুক্তি নেই, নতুন কোন ঋন দিবে না
বহুল আলোচিত তিস্তা প্রকল্প নিয়ে কোন চুক্তি বা মামুলি সমঝোতা... ...বাকিটুকু পড়ুন

অপারেশন ইকারুস: জেনেভার ছায়া

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ২৭ শে জুন, ২০২৬ সকাল ৯:০০



বালি অপারেশন শেষ করে ঢাকায় পিবিআই সদর দপ্তরে যখন আরিয়ান, তানভীর ও বর্ষা ফিরে এলো, তখনো বাইরের আকাশ থমথমে। বালি থেকে উদ্ধার করা ৬০% ডেটায় একটি... ...বাকিটুকু পড়ুন

তুরাগের বুকে আমার ছোট ভাইদের লাশ ২০২৪-এর উপহার ‼️

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ২৭ শে জুন, ২০২৬ সকাল ৯:১৩



২০২৪ আমাদের নতুন করে শত্রু মিত্র চিনতে শিখিয়েছে। আমি কোনো করুনা, সান্ত্বনা কিংবা বিচারের দাবি নিয়ে আজকের এই ক্ষুদ্র পোস্ট লিখতে চাই না।শুধু সময়ের স্বাক্ষী হিসেবে একটু আচর কেটে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আম গেল ছালাও গেল

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৭ শে জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৩


আমিনুল ইসলাম বুলবুল বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসের এমন এক উজ্জ্বল নক্ষত্র, যার নাম মুছে ফেলা অসম্ভব। ১৯৯৯ সালে ইংল্যান্ডের মাটিতে শক্তিশালী পাকিস্তানকে হারিয়ে বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের মাথা উঁচু করেছিলেন এই... ...বাকিটুকু পড়ুন

সৌর বিদুৎ।

লিখেছেন নাহল তরকারি, ২৭ শে জুন, ২০২৬ রাত ৮:১৮


আমি বিটিভি দেখতে ভালোবাসি। একদিন বিটিভিতে একটি জনসচেতনতামূলক বিজ্ঞাপন দেখেছিলাম। এটি কোনো বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপন ছিল না। সেখানে তৎকালীন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী/মন্ত্রী সোলার বিদ্যুৎ সম্পর্কে সংক্ষেপে বলছিলেন।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×